আজ, YouTube এমন একটি মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে যার দ্বারা লোকেরা, “ঘরে বসে অনলাইনে আয়“, করার সাথে সাথে নিজেকে বা নিজের যেকোনো পণ্য (product) বা সার্ভিস (service) ভিডিওর মাধ্যমে লোকেদের মাঝে সহজে প্রচার বা মার্কেটিং (marketing) করে নিতে পারে। বিশেষ ভাবে, ইউটিউবের থেকে অনলাইন টাকা আয় করাটা আজ অনেক চর্চাতে রয়েছে। এবং তাই, একজন সফল ইউটিউবার কিভাবে হবো বা সফল ইউটিউবার হওয়ার উপায় কি, এবিষয়ে জানার রুচি অনেকের মধ্যে রয়েছে।

সফল ইউটিউবার কিভাবে হবো
How to be a successful YouTuber..?

একজন সফল ইউটিউবার মানে, যার YouTube চ্যানেলে হাজার হাজার subscribers রয়েছেন, যার আপলোড করা ভিডিও গুলিতে অনেক ভিউস (views) হয় এবং যারা নিজের ইউটিউবের চ্যানেল থেকে অনলাইন এতো টাকা কামিয়ে নিচ্ছেন যে তাদের আলাদা কোরে অন্য কাজ করার প্রয়োজন হচ্ছেনা।

তাছাড়া, অনেক ইউটিউবার রা রয়েছেন, যারা এতো সফল যে নিজের ইউটিউবের চ্যানেলকে একটি বিসনেস (business) হিসেবে চালিয়ে যাচ্ছেন এবং অনলাইন আয় কোরে চলেছেন।

সফল ইউটিউবার (successful YouTube) বলতে আপনি কোন টার্গেট নিয়ে কাজ করছেন, সেটা আপনার ওপরে। আপনার জন্য ইউটিউবে সফলতার হয়তো অন্য কোনো মানে বা পরিকল্পনা থাকতেই পারে।

কিন্তু, আজ ৯০% ইউটিউব চ্যানেল মালিকেরা ইউটিউবে সফল হওয়া মানেই “চ্যানেলে লক্ষ লক্ষ subscribers” এবং “আপলোড দেয়া ভিডিওতে হাজার হাজার ভিউস” হওয়াকেই বোঝে।

কেননা, এর পর একটা চ্যানেল ভালো ভাবে দাঁড়িয়ে পরে এবং তারপর সেই YouTube channel আপনাকে কতো টাকা আয় করে দিতে পারবে, সেটা একজন সফল ইউটিউবার ছাড়া কেও ধারণা করতে পারবেনা।

একবার, আপনার ইউটিউবের চ্যানেল সফলতার রাস্তায় এসে গেলে, এই ব্যবসা আপনাকে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক বানিয়ে দিতে পারবে। এবং, অনেকেই আয় করছেন।

অবশই পড়ুন

একজন সফল ইউটিউবার হতে কি কি লাগে ?

আজ বেশিরভাগ লোকেরা, ইউটিউবের থেকে টাকা আয়ের উদ্দেশ্যে একটি YouTube চ্যানেল বানিয়ে তাতে ভিডিও আপলোড করছেন। হয়তো আপনিও ঠিক সেটাই করছেন।

কিন্তু, কিছুদিন মন দিয়ে কাজ করার পর হয়তো আপনি নিরাশ হয়ে পড়েছেন। কারণ, আপনি ভিডিও আপলোড করছেন, কিন্তু তার ফলে ভিউস (views) বা সাবস্ক্রাইবার (subscribers) বাড়ছেনা। তাই তো ?

তাই, একজন ভালো youtuber বা successful youtuber হওয়াটা এতোটা সহজ না যতটা আমরা ভাবি। কিন্তু, কিছু সাধারণ নিয়ম বা উপায় মেনে কাজ করলে আপনার YouTube channel অবশই অনেক সফল হয়ে দাঁড়াবে।

সবচে প্রথমেই আপনার প্রয়োজন হবে, “নিজের কাজের প্রতি বিশ্বাস“, “একাগ্রতা” “কাজে মন থাকা” এবং “সফল হওয়ার ইত্চা থাকা“। এগুলি যদি আপনার মধ্যে রয়েছে, তাহলে আপনিও এই YouTube চ্যানেলের ব্যবসাতে সফল হয়ে দাঁড়াতে পারবেন।

তাছাড়া, একটা successful ইউটিউব চ্যানেল বানানোর জন্য আপনাদের নিচে দেয়া এই জিনিষগুলি অনেক ধ্যান দিয়ে বুঝতে হবে।

সফল ইউটিউবার হওয়ার উপায় কি ? (Become a successful YouTuber)

একটি সফল ইউটিউবের চ্যানেল তৈরি করার জন্য আপনার মন দিয়ে কাজ করার বাইরেও অনেক কিছুই করতে হবে। কিন্তু, কাজের প্রতি আগ্রহ, উৎসাহ এবং সফল হওয়ার ইচ্ছা থাকলে আপনি একজন সফল এবং বিক্ষাত ইউটিউবার অবশই হতে পারবেন।

তাছাড়া, নিচে দেয়া পয়েন্ট (point) গুলি মনে রেখে কাজ করলে আপনি সঠিক ভাবে সফলতার দিকে এগিয়ে যেতে পারবেন।

১.জনপ্রিয় এবং কাজের বিষয় নিয়ে ভিডিও বানান

আপনাদের অনেক সময় বলা হবে যে, নিজের ইন্টারেস্ট (interest) নিয়ে ভিডিও বানাবেন। কিন্তু, আমি বলি, লোকেদের ইন্টারেস্ট বা রুচি বুঝে ভিডিও বানান। যেগুলি ভিডিওর বিষয় অনেক জনপ্রিয়, যেগুলি ভিডিও লোকেরা ইউটিউবে অনেক সার্চ করেন এবং এমন বিষয়ে ভিডিও যেই বিষয়ে লোকেরা সব সময় ইন্টারনেটে সার্চ করবেন।

কারণ, আপনি যদি আপনার ইন্টারেস্ট হিসেবে ভিডিও বানান, তাহলে সেই ভিডিওর বিষয়ে হয়তো লোকেরা ইন্টারনেটে সার্চ নাও করতে পারে। কারণ তাদের ইন্টারেস্ট আর আপনার ইন্টারেস্ট অবশই আলাদা আলাদা।

ফলে, আপনি ভিডিও বানাতেই থাকবেন কিন্তু সেগুলিতে ভিউস (views) কখনোই হবেনা।

তাই, ভিডিওতে অধিক ভিউস পাওয়ার জন্য আপনার এমন বিষয়ের (topic) খোঁজ করতে হবে যেই বিষয় বা টপিক লোকেদের মধ্যে অনেক জনপ্রিয়, কাজের বা যেগুলির বিষয়ে ইউটিউবে অনেক সার্চ হয়।

জনপ্রিয় এবং লোকেদের কাজে আশা ভিডিও বানানোর জন্য আপনার ভিডিও বানানোর আগেই keyword research করতে হবে।

কীওয়ার্ড রিসার্চ করার পর আপনারা যেকোনো টপিক বা বিষয়ে ইন্টারনেটে কতবার সার্চ হয় সেটা জেনেনিতে পারবেন। এবং, এভাবে আপনি বুঝতে পারবেন যে, যেই বিষয় নিয়ে ভিডিও বানাবেন সেই বিষয় বা টপিকে লোকেদের রুচি কততা আছে এবং কতটা জনপ্রিয় সেই বিষয়।

অবশই পড়ুনব্লগিং এ কীওয়ার্ড রিসার্চ কেন জরুরি ?

২. Make interesting and informative videos

সবসময় এমন ভিডিও বানানোর চেষ্টা করবেন যেই ভিডিও দেখে লোকেরা রুচি পান। আপনার ভিডিও যেই বিষয়ে বানানোর কথা ভাবছেন, সেই বিষয়ে পুরো জ্ঞান নিয়ে প্রত্যেকটি জিনিসের ডিটেইল (detail) দিয়ে ভিডিও বানাবেন।

এতে, যে আপনার ভিডিও দেখবে সে a to z সবটাই ভিডিওর বিষয়ে আপনার ভিডিও দেখে জেনেযাবে। ফলে আপনার ভিডিও অধীন ইন্টারেষ্টিং (interesting) হবে এবং সব ধরণের তথ্য (information) লোকেরা পাবে।

মনে রাখবেন, যতটা বেশি details, information দিয়ে তথ্যপূর্ণ ভাবে ভিডিও বানাবেন, ততটাই বেশি লোকেরা আপনার ভিডিও দেখে ভালো পাবেন।

আপনি ইউটিউবে যেকোনো বিষয়ে সার্চ কোরে দেখুন, প্রথম ১০ টি search result এ যেগুলি ভিডিও থাকবে সেগুলির মধ্যে সবগুলোতেই ভালো ভাবে ডিটেলস (details) এবং তথ্য (information) দিয়েই ভিডিও বানানো হয়েছে।

এবং তাই, এরকম তথ্যপূর্ণ ভিডিও গুলি ইউটিউবের সার্চে সবচে প্রথমে দেখানো হয়।

৩. YouTube এর SEO র ব্যাপারে ধ্যান দিন

ইউটিউবের ভিডিওতে সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা অধিক ভিউস (views) পাওয়ার জন্য সব থেকে জরুরি উপায় বা প্রক্রিয়া হলো “YouTube video SEO“.

ইউটিউব SEO কি ? ভিডিওতে এস এ ও কিভাবে করবো এবেপারে আমি আপনাদের আমার আগেই আর্টিকেলে সবটাই ডিটেইলসে বলেছি।

ইউটিউবের ভিডিও গুলিতে সঠিক ভাবে “এস ই ও” ব্যবহার করলে, Google search এবং YouTube video search থেকে অধিক ফ্রি সার্চ ইঞ্জিন ভিউস (views) পাওয়ার সুযোগ অনেকটাই বেড়েযায় এবং ফলে আপনার চ্যানেল সফলতার দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।

তাই, প্রত্যেকটি ভিডিও নিজের চ্যানেলে আপলোড করার পর, সেগুলিতে সঠিক এবং প্রয়োজনীয় পরিমানে SEO (search engine optimization) এর প্রয়োগ অবশই করবেন।

অবশই পড়ুনSEO মানে কি ? ব্লগে SEO এর কাজ কি ?

৪. Make quality & creative videos

আজকাল ইউটিউবে গিয়ে যেকোনো বিষয় বা টপিকে সার্চ কোরে দেখলে আপনারা সেই একি টপিকের অনেক ভিডিওস পেয়ে যাবেন।

মানে, আজ হাজার হাজার লোকেরা ডেইলি (daily) ইউটিউবে ভিডিও বানিয়ে আপলোড করছেন। তাই, প্রতিযোগিতা (competition) অনেক গুনে বেড়ে গেছে।

লোকেদের কাছে তাদের সমস্যার সমাধান পাওয়ার অনেক ভিডিও রয়েছে, যেগুলি দেখে তারা যেকোনো জিনিসের ব্যাপারে সহজে জেনেনিতে পারবেন।

এই ক্ষেত্রে, আপনি যদি “সৃজনী (creative)” ভাবে ভিডিও না বানাতে পারেন, তাহলে ইউটিউবে আজকের দিনে সফল হওয়া অনেক কঠিন। 

আপনার, এমন এমন টপিক খুঁজে ভিডিও বানাতে হবে, যেগুলির ব্যাপারে বিশেষ কিছু ভিডিও ইন্টারনেটে বা ইউটিউবে নেই।

সোজা ভাবে বললে, এমন সাবজেক্ট নিয়ে ভিডিও বানান যেই বিষয়ে লোকেরা জানতে চান কিন্তু সেই বিষয়ে আগের থেকে ইউটিউবে ভিডিও নেই। আপনার মধ্যে আলাদা কি আছে, কোন বিষয়ে আপনার ট্যালেন্ট আছে, এমন কি ভিডিও আপনি বানাতে পারবেন যেগুলি লোকেরা দেখতে চান কিন্তু ইউটিউবে সেগুলি নেই, এগুলির বিষয়ে আপনার ভাবতে হবে।

এভাবে creative হয়ে কাজ করলে, সহজে আপনার চ্যানেলে অধিক ভিউস (views) আসবে এবং তার সাথে subscribers ও বাড়বে।

অবশই পড়ুনইউটিউব ভিডিওর জন্য নতুন টপিক কিভাবে খুজবেন ?

Creative হওয়ার সাথে সাথে ভিডিওস quality র ওপরেও আপনার ধ্যান দিতে হবে। আজ 4G র যুগ, এবং ফাস্ট ইন্টারনেট সবাই ব্যবহার করছেন।

তাই, আপনার ভিডিও ভালো HD quality তে হওয়া দরকার এবং তাতে কিছু আকর্ষণীয় ভিডিও এফেক্টস অবশই ব্যবহার করবেন।

যত ভালো আপনি নিজের ভিডিওকে present করতে পারবেন ততটাই লোকেরা আপনার ভিডিওর প্রতি আকর্ষিত হবেন।

৫. নিজের চ্যানেলের বিষয়টি (niche) মনে রাখুন

একটি সফল ইউটিউবের চ্যানেলের সবথেকে জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটা হলো, “নিজের চ্যানেলের প্রধান বিষয়টি মনে রেখে ভিডিও বানানো“.

হে, আপনি যেই বিষয়, টপিক বা niche নিয়ে নিজের চ্যানেল বানাবেন বা বানিয়েছেন সব সময় সেই niche বা টপিকের সাথে জড়িত ভিডিও বানাবেন।

উদাহরণ স্বরূপে,

যদি আপনি ব্লগিং এবং ওয়েবসাইটের ওপরে বা টেকনোলজির ওপরে চ্যানেল বানিয়েছেন, তাহলে অবশই মনে রাখবেন যে আপনার প্রত্যেকটি আপলোড করা ভিডিও যাতে ব্লগিং বা টেকনোলজির সাথে জড়িত থাকে।

এতে, আপনার YouTube subscriber রা সব সময় সেই বিষয়েই ভিডিও পাবেন যে বিষয়ে তারা ভিডিও দেখতে চান।

এতে আপনার subscriber base বাড়বে এবং subscribers রা সব সময় আপনার ভিডিও দেখে ভালো পাবেন।

কারণ, যারা কেবল ব্লগিং (blogging) বা টেকনোলজি (technology) রিলেটেড ভিডিও দেখার জন্য আপনার চ্যানেল subscribe করেছেন, তাদের যদি আপনি motivational বা comedy video দেখতে সাজেস্ট (suggest) করেন, তাহলে হয়তো আপনার বেশিরভাগ subscribers রা সেই ভিডিও দেখতে চাইবেননা।

এতে, আপনার আপলোড করা ভিডিওতে ভিউস (views) কম হবে এবং অনেক subscribers রা channel unsubscribe করার সুযোগ বেড়ে যায়।

তাই, অবশই মনে রাখবেন, একটি সফল এবং successful ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করার জন্য নিজের চ্যানেলের টপিক, বিষয় বা niche মনে রেখেই ভিডিও বানাবেন এবং আপলোড দিবেন।

অবশই পড়ুন১১ টি লাভজনক ইউটিউব চ্যানেল আইডিয়া 

৬. Be consistent – upload videos regularly

প্রত্যেক নতুন ইউটিউবাররা একটি ভুল অবশই করেন। তারা, নিজের চ্যানেলে রেগুলার (regular) ভিডিও আপলোড করবেননা।

অনেকেই আবার, কিছুদিন ভিডিও আপলোড করার পর, যখন তাদের ভিডিওতে ভিউস (views) আসেনা তখন তারা ভিডিও বানানোর এবং আপলোড করার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলে। এবং, অনেকেই হতাশ হয়ে ভিডিও আপলোড করা বন্ড কোরে দেন।

কিন্তু, এটা তাদের সবথেকে বড়ো ভুল।

কারণ, যেকোনো জিনিসে কিছু সময় লাগবেই। তাই, YouTube ও আপনার নতুন চ্যানেল এবং ভিডিও গুলিকে বিশ্বাস করতে সময় নেয়।

আপনি সব কিছু ভুলে কেবল ভালো ভালো ভিডিও বানাতে থাকুন এবং সপ্তায় ৩ থেকে ৪ টি যেকোনো নির্দষ্ট দিনে ভিডিও আপলোড করতে থাকুন।

আপনার, ভিডিওর কনটেন্ট এবং কোয়ালিটি যদি ভালো হয়ে থাকে, তাহলে লোকেরা এবং ইউটিউব আপনার চ্যানেল এবং ভিডিও গুলিকে অবশই ভালো পাবেন।

কেবল মনে রাখবেন, ভিডিওতে ভিউস আসছে কি না সেটা নিয়ে হতাশ হবেননা। কেবল, ভালো ভালো ভিডিও বানিয়ে রেগুলার (regular) চ্যানেলে ভিডিও আপলোড দিতে থাকুন।

পরিনাম আপনার চোখের সামনে অনেক জলদি আসবে।

৭. বিনা কারণে ভিডিও লম্বা টানবেননা – point নিয়ে বলুন

অনেকেই এই ভুল করেন এবং ফলে তাদের ভিডিও কমে ভিডিও ইউটিউবের সার্চ রেজাল্টের থেকে নাই হয়ে যায়।

আপনি যেই বিষয় বা টপিক নিয়ে ভিডিও তৈরি করছেন, সেই টপিকের বেপারে সবটা জেনে কেবল সেই টপিক বা বিষয়ে পয়েন্ট (point) নিয়ে ভিডিও বানান।

এতে, যারা আপনার ভিডিও দেখছেন, তারা সেই ভিডিও দেখে অনেক ভালো পাবেন এবং ভিডিও দেখে বিরক্ত (bore) পাবেননা।

যদি আপনি, ভিডিওটি লম্বা বানানোর উদ্যেশে অপ্রয়োজনীয় এবং অপ্রাসঙ্গিক কিছু তথ্য ভিডিওতে যোগ কোরে ভিডিও বানান, তাহলে সেই ভিডিও দেখে লোকেরা বিরক্ত পাবেন এবং সাথে সাথেই তারা আপনার ভিডিও বন্ড কোরে দিবেন।

এতে, আপনার ভিডিও ইউটিউবের নজরে অবিশ্বাসী এবং অপ্রাসঙ্গিক (irrelevant) হয়ে দাঁড়াবে যার ফলে YouTube আপনার ভিডিওকে তার search result এবং related videos section এ দেখাবেনা।

আপনার ভিডিওতে ভিউস (views) একেবারেই কম হওয়া বা subscribers না বাড়ার এ প্রধান কারণ।

তাই, যেই বিষয় বা টপিক নিয়ে ভিডিও বানাচ্ছেন, সেই বিষয়ে পরিষ্কার ভাবে বলুন এবং point to point বুঝিয়ে দিন।

যত বেশি সময় লোকেরা আপনার ভিডিও ভালো পেয়ে দেখবেন, ততটাই বেশি ভালো আপনার ভিডিওর খ্যাতি (reputation) ইউটিউবের নজরে হবে।

ফলে, YouTube video search এবং related videos এ আপনার ভিডিও ইউটিউবের দ্বারা দেখানো হবে। এতে, আপনার ভিডিও গুলিতে ভিউস এবং চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবার দিনের পর দিন বাড়তেই থাকবে।

 

তাহলে, ওপরে আমি বলা পয়েন্ট গুলি মনে রেখে কাজ করলে কিছু সময় পর আপনি ভালো ফলাফল অবশই দেখতে পারবেন এবং আপনি একজন সফল ইউটিউবার হয়ে দাঁড়াতে পারবেন। কিন্তু, সব থেকে জরুরি, নিজের ওপরে বিশেষ রেখে আগ্রহ এবং মন দিয়ে কাজ করাটা।

ভবিষ্যতে নিজের চ্যানেল থেকে কত টাকা কমাতে পারবেন সেই বিষয়ে মন না দিয়ে কেবল কাজ করলেই সফলতার পাওয়াটা নিশ্চিত। তবে, সফল হতে কতটা সময় লাগবে, সেটা আপনার কাজের ওপরে নির্ভর।

YouTube এ সফলতা পেয়ে আপনার কি লাভ হবে ?

YouTube এ সফলতা পেতে আপনার কি লাভ হবে, সেটা হয়তো আপনি ভালো করেই জানেন। YouTube অনলাইন টাকা ইনকামের সবথেকে বিশ্বাসী এবং লাভজনক উপায় হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

এবং, দেশ বিদেশের লক্ষ লক্ষ সফল Youtuber রা নিজের ইউটিউবের চ্যানেলের দ্বারা লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন। এবেপারে, আজ সবাই জানে এবং লুকানো কিছুই নেই।

তাই, একজন সফল ইউটিউবার হতে পারলে আপনি নিজের একটি অনেক লাভজনক আয়ের মাধ্যম তৈরি কোরে নিতে পারবেন।

তাছাড়া, নিজের চ্যানেলের দ্বারা আপনি অনেক মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন। ইন্টারনেটে সার্চ করলেই আপনি সবটাই জেনেযাবেন।