অ্যাপ তৈরি করে কিভাবে আয় করা যায় ? ৬ টি জনপ্রিয় উপায়

একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করে কিভাবে আয় করা যায় (Create an App and Make Money) এই বিষয়ে বর্তমানে প্রচুর লোকেরাই জেনেনিতে চাইছেন। 

অ্যাপ তৈরি করে কিভাবে আয় করা যায়
Create an App and Make Money

এমনিতে, ইন্টারনেট থেকে টাকা আয় করার উপায় প্রচুর রয়েছে এবং এই ওয়েবসাইটে এগুলো নিয়ে আমি প্রচুর আর্টিকেল লিখেছি।

কিন্তু যখন কথা হচ্ছে এপস তৈরি করে ইনকাম করার, তখন কিন্তু এর উপায় বা প্রক্রিয়া গুলো কিছুটা আলাদা। 

যেভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে টাকা আয় করার ক্ষেত্রে প্রচুর উপায় গুলো রয়েছে, ঠিক সেভাবেই অ্যাপ তৈরি করে আয় করার প্রচুর উপায় আছে। 

বর্তমান সময়ে যখন প্রত্যেকের আছেই একটি smartphone রয়েছে তখন আমরা যেকোনো ছোট-বড় সার্ভিস এর ক্ষেত্রে একটি মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে থাকি।

সাধারণ গেমিং অ্যাপ থেকে শুরু করে জটিল এবং অ্যাডভান্সড মোবাইল এপ্লিকেশন গুলো আমরা ব্যবহার করি।

আর যখনি আমরা আমরা আমাদের মোবাইলের মধ্যে কোনো অ্যাপ (apps) ব্যবহার করে থাকি, তখন সেই অ্যাপ গুলোর দ্বারা অ্যাপ এর মালিক টাকা ইনকাম করতে থাকেন।

ভেবে দেখুন, আপনার তৈরি করা অ্যাপ যদি কমেও ২০ লোকেরা তাদের মোবাইলে ব্যবহার করছেন এবং প্রত্যেক ইউসার (user) থেকে আপনি প্রত্যেকদিন কমেও ১০ টাকা ইনকাম করছেন, তাহলে মাসে আপনার মোট ইনকাম হবে ২,০০,০০০/- টাকা।

এটা কেবল একটি উদাহরণ ছিল যার মাধ্যমে আমি আপনাদের বুঝাতে চেষ্টা করেছি যে, যত বেশি লোকেরা আপনার তৈরি করা এপস ব্যবহার করবেন, ততটাই অধিক আপনার ইনকামের সুযোগ হয়ে দাঁড়াবে।

আর তাই, বর্তমান সময়ে অধিক লোকেরা এপস তৈরি করে ইনকাম করার ক্ষেত্রে অনেক রুচি রাখছেন।

এমনিতে apps তৈরি করা ব্যক্তিরা বিভিন্ন আলাদা আলাদা রকমে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

আপনি চাইলে আপনিও অনেক সহজে একটি অ্যাপ তৈরি করে সেখান থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। 

তাহলে চলুন, আমরা সরাসরি জেনেনি, “অ্যাপ কিভাবে তৈরি করবেন” এবং অ্যাপ তৈরি করে আয় করার উপায় গুলো কি কি“.

অ্যাপনিজের এন্ড্রয়েড অ্যাপ কিভাবে তৈরি করবেন ?

বর্তমান সময়ে একটি এন্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করাটা কোনো বড় ব্যাপার না এবং অনেক সহজেই আপনারা একটি অ্যাপ (app) বানিয়ে নিতে পারবেন।

মনে রাখবেন এপস থেকে ইনকাম করার জন্য সবচে আগে আপনাকে নিজের একটি এপস তৈরি করতে হবে। 

Google এর মধ্যে সার্চ করলে আপনারা প্রচুর আলাদা আলাদা free app builder platforms / websites গুলো পাবেন যেখান থেকে ফ্রীতে অ্যাপ বানিয়ে নিতে পারবেন।

এছাড়া, আপনি যদি সম্পূর্ণ planning এর সাথে একটি professional android app বানাতে চাইছেন, তাহলে একজন ভালো app developer এর সাথে যোগাযোগ করে কিছু টাকা দিয়ে একটি প্রফেশনাল অ্যাপ তৈরি করিয়ে নিতে পারবেন।

শেষে, আপনি যদি নিজেই একটি এন্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করতে চাইছেন, তাহলে YouTube এর মধ্যে প্রচুর tutorial পাবেন যেগুলো দেখে অ্যাপ বানানো শিখতে পারবেন।

নিচে আমি আপনাদের এমন কিছু সেরা android application builder sites এর নাম বলে দিচ্ছি যেগুলোর মাধ্যমে কোনো ধরণের কোডিং (coding) ছাড়াই অ্যাপ বানিয়ে নিতে পারবেন।

  1. Appypie.com
  2. Mobiroller.com
  3. Gamesalad.com
  4. Appsgeyser.com
  5. Thunkable.com

ওপরে দেওয়া ওয়েবসাইট গুলো ব্যবহার করে apps কিভাবে বানাতে হয় সেটা আপনারা YouTube এর মধ্যে video tutorial দেখেও জেনেনিতে পারবেন।

তৈরি করা অ্যাপ (app) পাবলিশ করুন

অ্যাপ সম্পূর্ণ ভাবে তৈরি করে নেওয়ার পর এবার আপনাকে সেই অ্যাপ পাবলিশ (publish) করতে হবে।

কারণ, যদি আপনি ইন্টারনেটে সক্রিয় একটি জনপ্রিয় app store এর মধ্যে নিজের অ্যাপ পাবলিশ না করেন,

তাহলে আপনার তৈরি করা অ্যাপ এর বিষয়ে অধিক এবং নতুন নতুন লোকেরা জানতে পারবেননা।

আপনার অ্যাপ ভালো হলেও সেটা কেও ডাউনলোড করতে পারবেননা।

তাই, আপনাকে Google play store এর মতো একটি জনপ্রিয় android app store এর মধ্যে নিজের একটি publisher account বানিয়ে নিতে হবে।

Publisher account তৈরি করার জন্য আপনাকে Google play console এর মধ্যে গিয়ে কিছু জরুরি তথ্য ফিলাপ (fill-up) করতে হবে এবং ১৫০০ টাকা গুগল কে দিয়ে দিতে হবে।

এবার আপনি নিজের তৈরি করা এন্ড্রয়েড অ্যাপ Google play store এর মধ্যে পাবলিশ করতে পারবেন।

Google play store এর মধ্যে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি লোকেরা বিভিন্ন apps গুলোকে নিজেদের মোবাইলে download করার জন্য চলে আসেন।

তাই, এখান থেকে আপনার বানানো এপস অনেকেই ডাউনলোড করে ব্যবহার করার সুযোগ প্রচুর থাকছে।

এছাড়া, আপনি আপনার বানানো এপস টি বিভিন্ন social media platform এর মধ্যে প্রচার (promote) করতে পারবেন এবং নতুন নতুন user পেতে পারবেন।

অ্যাপ তৈরি করে কিভাবে আয় করা যায় ? ৭ টি ইনকাম এর উপায়

সবটা করে নেওয়ার পর এখন আমাদের শেষ কাজ হলো, তৈরি করা এন্ড্রয়েড অ্যাপ দিয়ে টাকা ইনকাম করার।

এক্ষেত্রে আপনি টাকা ইনকাম করার জন্য বিভিন্ন উপায় গুলো ব্যবহার করতে পারবেন।

১. Advertisement 

যদি আপনার অ্যাপ প্রচুর লোকেরা ডাউনলোড করে নিজেদের মোবাইলে ব্যবহার করছেন, তাহলে বিজ্ঞাপন (advertisements) এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করাটা আপনার জন্য সব থেকে সোজা এবং লাভজনক উপায় হবে।

বর্তমান সময়ে, বেশিরভাগ লোকেরাই নিজেদের apps গুলোতে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে প্রত্যেক দিন প্রায় হাজার হাজার টাকা ইনকাম করে নিচ্ছেন।

Apps গুলোতে বিজ্ঞাপন দেখানো ক্ষেত্রে মূলত Google Admob ব্যবহার করা হয় যদিও অন্যান্য কিছু advertisement company গুলোর অবশই ব্যবহার developers রা করেন।

যখন আপনি নিজের apps গুলোতে বিজ্ঞাপন যোগ করবেন, তখন অ্যাপ ব্যবহারকারীরা সময়ে সময়ে অ্যাপ এর মধ্যে কিছু এডস (ads) দেখতে পাবেন।

আর, যখনি সেই এডস (ads) গুলোকে ইউসার ক্লিক করবেন তখন আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

অনেক সময় এডস (ads) এর ওপরে click না করলেও কেবল ad impression এর জন্যেও আপনারা টাকা পাবেন।

তাই, আজকাল যেকোনো apps ব্যবহার করলেই আপনারা সেখানে বিজ্ঞাপন অবশই দেখতে পাবেন।

কেননা, বিজ্ঞাপন দেখিয়ে অনেক সহজে এবং কম সময়ে অ্যাপ থেকে অধিক টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

Admob এর বাইরেও আপনারা অন্যান্য কিছু third-party ad networks গুলোর ব্যবহার করতে পারবেন।

যেমন,

  • Facebook audience network
  • AppLovin
  • Vungle
  • AdColony
  • Appnext

২. In-App Purchases 

এই revenue model অবশই প্রচুর app developers রা ব্যবহার করে প্রচুর টাকা ইনকাম করেন।

আপনারা হয়তো অনেক ধরণের apps গুলো ব্যবহার করার সময় দেখেছেন, আপনাকে কিছু টাকা দিয়ে app এর মধ্যে থাকা কিছু extra features বা subscription কিনে নিতে বলা হয়।

প্রচুর ফ্রি android games গুলোতেও দেখবেন, guns, character, extra power, virtual currency ইত্যাদি টাকা দিয়ে কিনে নেওয়ার সুবিধা দেওয়া হয়।

আর এই ধরণের premium features গুলোকে কিনে নিয়ে app টিকে upgrade করাকেই in-app purchase বলা হয়।

সরাসরি বললে in-app purchase হলো সেই সেবা (service), যেখানে একটি app থেকে কিছু টাকার বিনিময়ে কিছু extra features, subscriptions বা upgrades গুলোকে কিনে নেওয়া যেতে পারে।

তাই, আপনিও আপনার app এর মধ্যে কিছু advanced features গুলো যোগ করে কিছু premium upgrade options রাখতে পারবেন।

এতে, অ্যাপ ব্যবহারকারীরা যখনি সেই extra features গুলো কিছু টাকা দিয়ে কিনবেন, তখন আপনি টাকা পাবেন।

এরকম প্রচুর জনপ্রিয় android apps গুলো রয়েছে যারা in-app purchases এর মাধ্যমে সাংঘাতিক পরিমানে টাকা ইনকাম করছেন।

৩. Subscription 

এরকম অনেক android apps আপনারা হয়তো দেখেছেন যেগুলোতে প্রথমে কিছু কনটেন্ট (content) আপনাদের ফ্রীতে দেখতে বা ব্যবহার করতে দেওয়া হয়,

তবে, যখন আপনার রুচি সেই অ্যাপ এর মধ্যে চলে আসে, তখন আপনাকে কিছু টাকা দিয়ে সম্পূর্ণভাবে অ্যাপ কনটেন্ট গুলো এক্সেস করার জন্য সাবস্ক্রাইব (subscribe) করতে বলা হয়।

মূলত video streaming apps, tutorial apps, online course, learning ইত্যাদি এই ধরণের এপস গুলোতে এই ধরণের subscription revenue model ব্যবহার করা হয়।

তাই, আপনিও চাইলে নিজের app এর মধ্যে থাকা কিছুটা কনটেন্ট (content) ফ্রীতে কোনো টাকা বা চার্জ (charge) ছাড়া ইউসার দের এক্সেস (access) করতে দিতে পারেন।

এবং, কিছু ফ্রি কনটেন্ট এক্সেস করতে দিয়ে আপনি তারপর সম্পূর্ণ অ্যাপ কনটেন্ট এক্সেস করার ক্ষেত্রে ইউসার দের কিছু টাকা দিয়ে subscribe করতে বলতে পারবেন।

যদি ইউসার রা আপনার ফ্রি কনটেন্ট থেকে ভ্যালু (value) পেয়ে থাকেন এবং যদি তারা মনে করেন যে পেইড কনটেন্ট এর জন্য সাবস্ক্রাইব করে তাদের লাভ হবে, তাহলে তারা অবশই টাকা খরচ করে সাবস্ক্রাইব করবেন।

৪. Affiliate marketing 

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর বিষয়ে আপনি হয়তো অনেক শুনেছেন।

ইন্টারনেট থেকে অনলাইন টাকা ইনকাম করার সব থেকে লাভজনক এবং কার্যকর উপায় হলো affiliate marketing.

এটা এমন একটি business model যেখানে আপনি অন্যান্য কম্পানির পণ্য (products) বা সেবা (services) গুলোকে বিক্রি করিয়ে কমিশন (commission) আয় করতে পারবেন।

Affiliate marketing করার জন্য আপনাকে একটি বা একাধিক কম্পানির affiliate program এর সাথে সংযুক্ত হতে হবে।

আপনার app এর সাথে প্রাসঙ্গিক (relevant) affiliate program join করার পর আপনি বিভিন্ন অন্যান্য কোম্পানির apps, products বা services গুলো নিজের app এর মধ্যে প্রচার (advertise) করতে পারবেন।

আর যখনি কোনো ইউসার আপনার প্রচার করা apps, products বা services গুলোতে click করে সেগুলোকে কিনে নিবেন, তখন আপনি টাকা পাবেন।

মনে রাখবেন, affiliate program join করার পর আপনাকে apps, products বা services গুলোকে promote করার জন্য একটি বিশেষ affiliate link দেওয়া হবে।

আর সেই দিয়ে দেওয়া affiliate link আপনাকে নিজের app মধ্যে শেয়ার (share) বা সংযুক্ত করতে হবে।

৫. Sponsorship 

যদি আপনার কাছে একটি দারুন app idea রয়েছে যেটা আপনার হিসেবে ভবিষ্যতে প্রচুর সফল হবে, তাহলে এক্ষেত্রে আপনি নিজের app এর জন্য একটি sponsor খুঁজতে পারেন।

App এর জন্য একজন sponsor খুঁজতে পারলে আপনি monthly subscription হিসেবে টাকা পেতে থাকবেন।

তবে, sponsor থেকে টাকা নেওয়ার বিপরীতে আপনাকে স্পনসর এর হিসেবে কিছুটা design এবং features গুলো নিজের app এর মধ্যে যোগ করতে হয়।

যদি আপনি একটি দারুন এবং ইউনিক ধারণার (idea) সাথে নিজের app তৈরি করতে চলেছেন, তাহলে sponsorship পাওয়ার সুযোগ থাকছে।

এরকম অনেক বড় বড় কোম্পানি গুলো অবশই রয়েছে যারা স্পনসরশিপ দিয়ে থাকেন।

স্পনসরশিপ মানে হলো, আপনাকে সব রকমের আর্থিক সাহায্য করা হবে অ্যাপ টিকে সফল করার ক্ষেত্রে।

তবে, আপনাকে স্পনসরশিপ পাওয়ার আগে প্রচুর কোম্পানির কাছে গিয়ে তাদেরকে ভরসা দিতে হবে এবং বুঝাতে হবে যে আপনার আইডিয়াটি (idea) অনেক ভালো এবং ইউনিক যেটা ভবিষ্যতে অবশই সফল হবে।

৬. Referral Marketing 

এপস তৈরি করে ইনকাম করার ক্ষেত্রে referral marketing গুরুত্ব কিন্তু কম থাকছেনা। 

আপনারা হয়তো এরকম প্রচুর apps ব্যবহার করেছেন যেগুলো আপনাদের refer, share এবং invite করার জন্য টাকা দিয়ে থাকে।

যদি আপনার apps প্রচুর লোকেরা ব্যবহার করছেন এবং আপনার কাছে ভালো বড় সংখ্যায় শ্রোতা (audience) রয়েছে,

তাহলে আপনি কোনো brand, product বা অন্যান্য apps গুলোকে প্রোমোট বা রেফার করে নিজের অ্যাপ থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। 

এটাও এক ধরণের affiliate marketing এর প্রক্রিয়া বলেই বলা যেতে পারে।

তবে, এখানে আপনাকে কোনো ধরণের affiliate program join করতে হয়না, এবং আপনি সরাসরি কোম্পানির সাথেই চুক্তি বা যোগাযোগ করে থাকেন।

Apps install করার জন্য Google আমাদের টাকা দিবে কি ?

অনেকেই ভেবে থাকেন যে, Google play store থেকে apps download হওয়ার বিপরীতে গুগল app developers দের টাকা দিয়ে থাকে।

তবে, এটা কিন্তু সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।

User দ্বারা apps install করার বিপরীতে Google কোনো app developers দের টাকা দেয়না।

আপনার apps যদিওবা লক্ষ লক্ষ বা কোটি কোটি লোকেরা install করে রেখেছেন তথাপিও আপনি গুগল থেকে কোনো টাকা পাবেননা।

হে এটা একেবারেই সত্যি যে, আপনার apps যত বেশি লোকেরা download এবং install করে ব্যবহার করবেন, ততই অধিক ইনকাম হওয়ায় সম্ভাবনা বাড়বে।

কেননা, একটি এপস বানিয়ে টাকা ইনকাম করার ক্ষেত্রে ওপরে আমি যেগুলো উপায় বলেছি, 

মূলত প্রায় প্রত্যেক app developers, এই উপায় গুলো ব্যবহার করেই নিজেদের এপস থেকে টাকা আয় করেন। 

আর, বলে দেওয়া ইনকাম এর উপায় গুলোর মাধ্যমে প্রচুর ইনকাম কেবল তখন করতে পারবেন যখন আপনার apps গুলো অধিক লোকেরা ব্যবহার করবেন।

Google play store এর মাধ্যমে আপনি আপনার অ্যাপ এর জন্য নতুন নতুন users অবশই পেতে পারবেন।

Users রা সরাসরি প্লে স্টোর থেকে আপনার অ্যাপ ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন। 

তবে, আপনার অ্যাপ এর মধ্যে চলে আসা traffic গুলোর সাহায্যে কোন উপায় ব্যবহার করে টাকা ইনকাম করবেন, সেটা সম্পূর্ণ ভাবে আপনার সিদ্ধান্ত। 

 

আমাদের শেষ কথা,,

তাহলে বন্ধুরা, আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা জানলাম, অ্যাপ তৈরি করে কিভাবে আয় করা যায় (How to earn money creating apps).

অ্যাপ তৈরি করে আয় করার জন্য ওপরে বলা উপায় গুলোই মূলত ব্যবহার করা হয়। 

তাই, যদি আপনিও নিজের একটি এন্ড্রয়েড এপস তৈরি করে টাকা ইনকাম করতে চাইছেন, তাহলে ওপরের উপায় গুলো ব্যবহার করুন।

আমি পরামর্শ দিবো, আপনি গুগল এডমোব (Google Admob) এর মাধ্যমে নিজের অ্যাপ এর মধ্যে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে টাকা আয় করুন। 

কারণ, প্রায় প্রত্যেকেই এই মাধ্যমেই অনেক সহজেই নিজের অ্যাপ থেকে ইনকাম করছেন। 

নিজের এপস তৈরি করে ইনকাম করার উপায় গুলো যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে, তাহলে অবশই আর্টিকেলটি শেয়ার করবেন। 

এছাড়া, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে আমাকে নিচে কমেন্ট করে অবশই জানিয়ে দিবেন।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error:
Scroll to Top
Copy link
Powered by Social Snap