৯টি নতুন অনলাইন চ্যাটিং অ্যাপ গুলোর তালিকা – (চ্যাটিং অ্যাপস)

Last updated on May 8th, 2024 at 12:03 pm

৯টি নতুন অনলাইন চ্যাটিং অ্যাপ গুলোর তালিকা (New online chatting android apps): মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবস্থা আমাদের অস্বভাবিক টেলিফোন বিলের বোঝা নামিয়ে দিয়ে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের সাথে যতক্ষণ ও যখন খুশি যোগাযোগের সুবিধা করে দিয়েছে। 

এবং, এই ২৪x৭ দিনের কথোপকথন শুধুমাত্রই কিন্তু সম্ভব হয়েছে বিভিন্ন চ্যাটিং অ্যাপগুলো ব্যবহারের মাধ্যমেই। 

আপনি বেশিরভাগ সময়েই এই অ্যাপ্লিকেশন গুলোকে বিনামূল্যে আপনার স্মার্টফোনে ডাউনলোড করতে পারবেন। 

আর, এই অ্যাপগুলো কেবলমাত্র ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমেই, আপনাকে ইনস্ট্যান্ট টেক্সট থেকে শুরু করে ভয়েস কিংবা ভিডিও চ্যাট করতেও সাহায্য করে থাকে।

তবে, এই অ্যাপগুলোর মধ্যে বেশ কিছু ভয়েস ও ভিডিও চ্যাটের জন্য খুব সামান্য ফি চার্জ করে থাকে।

মূলত, এই চ্যাটিং অ্যাপগুলোর সাহায্যে দেশ এমনকি সারা বিশ্বের যেকোনো জায়গাতে থাকা আত্মীয়স্বজন বা বন্ধুদের সাথে আপনি জীবনভর যোগাযোগ রেখে যেতে পারেন। 

এই চ্যাটিং অ্যাপ্লিকেশন গুলোর মধ্যে সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় হল- হোয়াটস্যাপ, হ্যাংআউট ও ফেইসবুক মেসেঞ্জার।

তবে, আজকে আমরা আমাদের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো – বেশ কতগুলো নতুন অনলাইন চ্যাটিং অ্যাপস গুলোর সম্পর্কে

যেগুলোর সাহায্যে আপনি নির্দ্বিধায় ও সম্পূর্ণ নিরাপত্তার সাথে চ্যাট করে যেতে পারবেন।

৯টি সেরা নতুন চ্যাটিং অ্যাপস – (Latest Online Chatting Apps)

নতুন অনলাইন চ্যাটিং অ্যাপ
নতুন অনলাইন চ্যাটিং অ্যাপ (New online chatting android apps).

চলুন তাহলে, নিচে আমরা সরাসরি সেই প্রত্যেকটি আপস (chatting apps) গুলোর বিষয়ে একে একে জেনেনেই।

এছাড়া, মনে রাখবেন নিচে দেওয়া apps গুলো আপনারা Google Play Store এর মধ্যে অবশই পেয়ে যাবেন।

১. উইচ্যাট (WeChat):

হোয়াটস্যাপ কিংবা ফেইসবুক মেসেঞ্জারের পর সবথেকে বেশি জনপ্রিয় অনলাইন চ্যাটিং অ্যাপ্লিকেশন হল উইচ্যাট। 

এই বিনামূল্য ম্যাসেজিং ও কলিং অ্যাপটি ভারতের মতো দেশেও বেশ জনপ্রিয়। 

উইচ্যাটের সবথেকে সেরা ফিচার হল এই যে, এটি 4G কানেক্টিভিটি না থাকলেও, 2G ও 3G কানেক্টিভিটির সাহায্যেও হাই-কোয়ালিটি অডিও-ভিডিও কল ও দ্রুত টেক্সটিং করতে সহায়তা করে।

এই অ্যাপ্লিকেশনটি চীন দেশেও যথেষ্ট জনপ্রিয়, আর আপনি এখান থেকে সহজেই চিনে বসবাসকারী কোনো ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন। 

আপনি এই অ্যাপ ব্যবহার করে এসএমএস, এমএমএস, ভয়েস ও ভিডিও কল করতে সক্ষম হবেন।

এছাড়াও, এখানে আপনি সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু ফাঙ্কশন, যেমন- লোকেশন শেয়ারিং, মোবাইল পেমেন্ট ও ব্রডকাস্টিং মেসেজ-এর বিকল্পও পেয়ে যাবেন। 

এই চ্যাটিং অ্যাপের পেমেন্ট ক্ষমতা এতটাই শক্তিশালী যে, এটি ভিসা, মাস্টারকার্ড ও আমেরিকান এক্সপ্রেস-এর মতো বড় কোম্পানিগুলোরও প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে। 

এটির আইওস, অ্যান্ড্রয়েড, ডেস্কটপ, ম্যাক ও উইন্ডোস সংস্করণও উপলব্ধ আছে।

২. ভাইবার (Viber):

ভাইবার হল একটি উন্নতমানের চ্যাটিং অ্যাপ্লিকেশন, যা পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোতে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। 

বর্তমানে, এই অ্যাপের প্রায় ১ বিলিয়নের বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। 

এটি আপনাকে বিনামূল্যে টেক্সট, ভিডিও ও অডিও কল করার অনুমতি দেয়।

এই অ্যাপ্লিকেশনটি আপনি অ্যান্ড্রয়েড, ম্যাক, উইন্ডোস, লিনাক্স ও আইওস প্ল্যাটফর্মেও ব্যবহার করতে পারবেন। 

ভাইবারের সবথেকে ভালো ফিচার হল- এখানে আপনি বড় সাইজের অডিও ও ভিডিও ফাইল ট্রান্সফার করতে পারবেন।

এই অ্যাপে এইচডি ইমেজ, অডিও ও ভিডিও কল করা সম্ভব। 

এছাড়াও, ভাইবারের একটা পেইড ফিচার আছে, যেটা হল ভাইবার আউট।

এর সাহায্যে আপনি সারা বিশ্বের যেকোনো মোবাইল ও ল্যান্ডলাইনে কল করতে পারবেন।

এখানে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন মেসেজিং, অডিও-ভিডিও কলের ব্যবস্থা, ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট-এর সাথে কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে। 

আপনি QR কোড স্ক্যান করে আপনার ভাইবারের ওয়েব অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন।

এই অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে আপনি হিডেন চ্যাট তৈরী করতে পারবেন, পাবলিক অ্যাকাউন্ট ও চ্যাট ফলো করতে পারবেন এবং এর গেমগুলোও খেলতে পারবেন।

৩. টক্স (Tox):

টক্স হল নতুন চ্যাটিং অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম একটা অ্যাপ্লিকেশন। 

এটা মূলত হল একটা বিকেন্দ্রীকৃত পিয়ার-টু-পিয়ার ইনস্ট্যান্ট টেক্সট পাঠানোর অ্যাপ। 

অর্থাৎ, এই অ্যাপ্লিকেশনের কোনো একক মালিকানা নেই, যার ফলে এখানে তথ্য বা তার প্রাপ্যতার নিয়ন্ত্রণ কোনো নির্দিষ্ট কারোর হাতে থাকে না। 

টক্স প্রোটোকল সমস্ত এনক্রিপশন ও চ্যাটের সুবিধাগুলো নিয়ন্ত্রণ করে।

কিন্তু, ব্যবহারকারীরা তাদের নিজস্ব ফ্রন্ট-এন্ড অ্যাপও তৈরি করতে সক্ষম। 

অর্থাৎ, এই অ্যাপ্লিকেশনের সমস্ত ডেস্কটপ ও মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের টক্স সংস্করণ উপলব্ধ রয়েছে।

এই মেসেঞ্জারটি হল সমস্ত ব্যবহারকারীদের জন্যে একেবারে বিনামূল্য ও নিরাপদ একটা অ্যাপ্লিকেশন। 

টক্স কখনোই আপনার ব্যক্তিগত তথ্যগুলোকে ট্র্যাক করে না।

এখানেও আপনার চ্যাট, অডিও-ভিডিও কলের এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন করা রয়েছে। 

এই অ্যাপের ফিচারগুলো ব্যবহার করার জন্যে, আপনাকে রেজিস্টার করার প্রয়োজন হয় না। 

এখানে বেশ কতগুলো উল্লেখযোগ্য ফিচার রয়েছে, যথা- ইনবিল্ট প্লেয়ার, গ্রুপ চ্যাট, ডার্ক থিম, ক্লায়েন্ট সাইড এনক্রিপশন এবং অ্যানোনিমাস সিকিউর ফাইলশেয়ারিং।

৪. টেলিগ্রাম (Telegram):

টেলিগ্রাম হল একটি সম্পূর্ণ বিজ্ঞাপনমুক্ত চ্যাটিং অ্যাপ্লিকেশন। 

এই অ্যাপের সবথেকে বড় সুবিধা হল এই যে, এটি আপনাকে খারাপ ইন্টারনেট সংযোগেও ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং-এর অপশন দেয়।

এছাড়াও, এই অ্যাপ্লিকেশনটি আপনাকে ২০০,০০০ পর্যন্ত সদস্য নিয়ে গ্রুপ চ্যাট খোলার সুযোগ দেয়।

আপনি খুব সহজেই এই টেলিগ্রাম অ্যাপটি আপনার উইন্ডোস প্ল্যাটফর্ম থেকে ব্যবহার করতে পারবেন। 

এই বিনামূল্য অ্যাপ্লিকেশনটি আপনাকে কোনো অসুবিধা ছাড়াই টেক্সট মেসেজ, ভিডিও ও ভয়েস কল করতে সাহায্য করে।

এখানে আপনি যেকোনো ধরণের বড় সাইজের ভিডিও ও ডকুমেন্ট সহজেই পাঠাতে পারবেন। 

এই অ্যাপ্লিকেশনের সিক্রেট চ্যাট মেসেজ ফিচারের মাধ্যমে আপনি সেল্ফ-ডেস্ট্রাকটিং ছবি, ভিডিও, ফাইল ও মেসেজও প্রেরণ করতে পারবেন।

এটি হল প্রথম বিনামূল্য অ্যাপগুলোর মধ্যে একটি- যেটা লিনাক্স প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা সম্ভব।    

৫. হাইক (Hike):

হাইক হল সেরা ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপগুলোর মধ্যে একটি। 

এখানে প্রায় ৪০টি ভিন্ন ভাষার অপশন রয়েছে। 

এই অ্যাপ্লিকেশনটি শুধুমাত্র চ্যাটিং করতেই দেয় না, বরং এখানে আপনি খবর, লাইভ ক্রিকেট আপডেট, স্টক মার্কেট আপডেট ও আরও অনেক কিছু পেতে পারেন।

আর, হাইক নিয়মিতভাবে নিত্যনতুন ফীচার যোগ করতেই থাকে তাদের অ্যাপে। 

এখানেও তথ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্টই কড়া। 

এই অ্যাপ্লিকেশনটির সবথেকে মজার ফিচার হল- এখানে পার্সোনালাইজড ইমোজির ব্যবস্থা রয়েছে, যা নতুন প্রজন্মের ব্যবহারকারীদের কাছে চ্যাটিংকে বেশ ইন্টারেস্টিং করে তোলে।

এখানে চ্যাট হাইড করা, লোকেশন পাঠানো, কুইক রিপ্লাই, ডার্ক মোড, গ্রুপ চ্যাটের মতো ফাঙ্কশনও রয়েছে।

আপনি আপনার মোবাইল অফ থাকলেও, হাইকের ওয়েব প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে আপনি ল্যাপটপ থেকেও আপনার চ্যাটিং চালাতে পারবেন। 

এমনকি, এর নিজস্ব পিসি বা ল্যাপটপ ব্রাউসারও আছে। 

৬. উইকার মি (Wickr Me):

এখনও পর্যন্ত, এই তালিকার সবথেকে নিরাপদ চ্যাটিং অ্যাপ্লিকেশনটি হল উইকার মি। 

আপনার ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা সম্পূর্ণভাবেই এই অ্যাপের হাতে থাকে। 

এই অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্যে আপনি এককভাবে কিংবা গ্রুপে আপনার বন্ধুদের সাথে চ্যাট করতে পারবেন।

এর শক্তিশালী এনক্রিপশন আপনাকে নিরাপদভাবে ভয়েস মেমো, কলিং, ফাইল, ইমেজ, ও ভিডিও শেয়ার করতে দেয়।

এখানে শেয়ার করা সমস্ত তথ্য ছয় দিনের মধ্যে নিজে থেকেই ডিলিট হয়ে যায়। 

আপনাকে এখানে কোনো ফোন নম্বর বা আইডি দিতে হয় না এটি ব্যবহার করার জন্যে। 

এই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহারকারীদের ইনবিল্ট ভিপিএন অফার করে।

এছাড়াও, এখানে শ্রেডার নামের একটা ফীচার আছে।

যার সাহায্যে এই অ্যাপটি ডিলিট হয়ে যাওয়া মেসেজগুলোকে ওভাররাইট করে দেয়।

যাতে, কোনোভাবেই আপনার তথ্যগুলো অন্য কেউ খুঁজে না পায়। 

এর প্রাইভেট গ্রুপে আপনি সর্বমোট ১০ জনের সাথে চ্যাট করতে পারবেন। 

উইকার প্রো হল এই অ্যাপ্লিকেশনের একটা পেইড ভার্সন।

৭. থ্রিমা (Threema):

থ্রিমা হল একটি ওপেন সোর্স ও এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড চ্যাটিং অ্যাপ্লিকেশন।

এর সমস্ত সার্ভার সুইজারল্যান্ডে হওয়ায়, ওখানকার কড়া ভোক্তা সুরক্ষা আইনের দৌলতে, আপনার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সবসময়েই সুরক্ষিত থাকে। 

তবে, এটি পেইড অ্যাপ্লিকেশন, আর এটাকে ইনস্টল করতে আপনাকে খুব সামান্য পরিমাণ টাকা দিতেই হয়।

এই অ্যাপটি আপনাকে সম্পূর্ণ বেনামে (anonymously) ব্যবহার করার অনুমতি দেয়।

এখান থেকে ব্যবহারকারীরা হ্যাকার, কর্পোরেশন ও সরকারের থেকে নিজেদের তথ্যকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। 

এই অ্যাপের সমস্ত তথ্য, কন্টাক্ট লিস্ট ও মেম্বারশিপগুলো কেবলমাত্র আপনার ডিভাইসেই সঞ্চিত থাকে, আর কোনোভাবেই এইগুলো সার্ভারে সঞ্চিত রাখা হয় না।

এখানে আপনি যেকোনো ধরণের ফাইল পাঠাতে পারবেন। 

এই অ্যাপ্লিকেশনে কোনো ট্র্যাকার নেই ও এখানে কোনো বিজ্ঞাপনও দেখানো হয় না।

এমনকি, এখানে আপনি চ্যাটিং-এর সমস্ত অপশনও সহজে পেয়ে যেতে পারেন। 

৮. জিওচ্যাট (Jiochat):

রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেডঃ-এর অধীনে থাকা জিওচ্যাট হল ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় চ্যাটিং অ্যাপগুলোর একটি। 

এখানে আপনি বিনামূল্যে এইচডি ভয়েস কল, ভিডিও কনফারেন্স, ফাইল, ছবি, ভয়েস নোটের পাশাপাশি ইনস্ট্যান্ট মেসেজও পাঠাতে পারবেন।

এই অ্যাপ্লিকেশনটি বিভিন্ন ভাষাতেও উপলব্ধ রয়েছে। 

এখান থেকে আপনি লেটেস্ট খবর, স্পোর্টস ও মুভির বিষয়েও নিত্যনতুন আপডেট পেতে পারবেন।

জিওচ্যাট জিও ফোন ব্যবহারকারী থেকে শুরু করে আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরাও ব্যবহার করতে পারেন। 

এখানে ভারতীয়দের জন্যে বিশেষ ভারতীয় ইমোটিকনসও রয়েছে।

জিও মোবাইল কানেক্শন ব্যবহার করলে, এই অ্যাপটি খুব মসৃণ এইচডি অডিও ও ভিডিও কোয়ালিটি দেয়। 

এমনকি, আপনি যখন এই মোবাইল পরিষেবা প্রদানকারীর সিম কার্ড ব্যবহার করেন, তখন এটি ডিফল্ট অ্যাপ হিসেবে নিজে থেকেই আপনার ডিভাইসে চলে আসে।

৯. সিগন্যাল (Signal):

সিগন্যাল হল সবচেয়ে কার্যকরী বিনামূল্য চ্যাটিং অ্যাপগুলোর মধ্যে অন্যতম।

এই অ্যাপ্লিকেশনটি আপনি উইন্ডোজ, অ্যান্ড্রয়েড, ম্যাক, লিনাক্স, ও আইওএস প্ল্যাটফর্মে ইনস্টল করতে পারবেন। 

সিগন্যাল অ্যাপটি আপনার গোপনীয়তার উপর সঠিক নজর দিয়ে থাকে।

এই ওপেন সোর্স অ্যাপটি ভীষণভাবে ব্যবহারকারী-বান্ধব। 

এখানেও আপনি আপনার চ্যাটের উপর পেয়ে যাবেন এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন।

এছাড়াও, এই অ্যাপের “নোট টু সেল্ফ” টুলটি আপনাকে নিজেকে দরকারি তথ্য লিখে রাখতে সাহায্য করে। 

পরিশেষে:

এটাই ছিল আমাদের তৈরী করা ৯টি নতুন চ্যাটিং অ্যাপগুলোর তালিকা, যা আপনাকে আপনার পরিবার-পরিজন ও বন্ধুবান্ধদের সাথে সংযুক্ত রাখতে সাহায্য করতে পারে৷ 

তবে মনে রাখবেন যে, আপনার হ্যান্ডসেটের গুণমান ও মোবাইল নেটওয়ার্কের গতির উপর নির্ভর করেই অ্যাপগুলোর অডিও ও ভিডিওর মান বদলাতে পারে। 

এই চ্যাটিং অ্যাপগুলো মজাদার হলেও, ভারতের সংবিধান, এই অ্যাপগুলোর মাধ্যমে আতঙ্ক বা গুজব ছড়ানো, দেশ বা জাতির শান্তি ও সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার মতো কার্যকলাপকে বেআইনি ও শাস্তিমূলক ফৌজদারি অপরাধ বলে দাবি করে।

তাই, একজন সচেতন ও সতর্ক নাগরিক হয়েই আমাদের এই অ্যাপগুলো ব্যবহার করা উচিত।

আমাদের আজকের ৯টি সেরা নতুন চ্যাটিং অ্যাপের তালিকাটি এখানেই শেষ হল।

এর মধ্যে কোন অ্যাপগুলো আপনি ব্যবহার করতে চান, তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error:
Scroll to Top