সফটওয়্যার কি ? এর প্রকারভেদ এবং কিভাবে তৈরি করে

সফটওয়্যার কাকে বলে (what is software in bangla) এবং সফটওয়্যার এর প্রকারভেদ গুলো কি, এই বিষয়ে প্রায় প্রত্যেকের কিছু হলেও জ্ঞান রয়েছে।

বর্তমান সময়ে আমরা smartphone, laptop এবং desktop PC নিয়ে ঘাটা ঘাঁটি করতেই থাকি।

আর এই ক্ষেত্রে, বিভিন্ন ধরণের সফটওয়্যার (software) ও এপ্লিকেশন প্রত্যেক দিন আমরা ব্যবহার করছি।

তাই, সফটওয়্যার নিয়ে সাধারণ জ্ঞান আমাদের প্রত্যেকের রয়েছে।

কিন্তু যখন, software এর technical definition জিগেশ করা হয়, তখন আমাদের কাছে কোনো জবাব থাকেনা।

কারণ, টেকনিক্যালি একটি সফটওয়্যার কি এবং এর সঠিক সংজ্ঞা (definition), আপনাদের মধ্যে হয়তো অনেকেই জানেননা।

তাই আজকের এই আর্টিকেলে, আমি আপনাদের, “একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার এর বিষয়ে” সবটাই বলবো।

টেকনিক্যালি একটি সফটওয়্যার কাকে বল, সফটওয়্যার এর বিভিন্ন প্রকার গুলো কি কি এবং সফটওয়্যার কিভাবে তৈরি করে, এবেপারে জানাবো।

একটি computer হলো এক রকমের electronic device, যেটা বিভিন্ন ধরণের কাজ (operations) গুলো একসাথে প্রসেস (process) ও সম্পাদন (perform) করে।

এবং, কম্পিউটারে বিভিন্ন কাজ গুলো সম্পাদন করার ক্ষেত্রে, বিভিন্ন ধরণের physical hardware এর প্রয়োজন হয়, যেগুলোকে চোখে দেখা যায় এবং হাতেও স্পর্শ করা সম্ভব।

আর, এই হার্ডওয়্যার (hardware) গুলোকে যেই programs এবং commands গুলো চালায়, তাকেই বলা হয় “software“.

অবশই পড়ুন:

বর্তমানে আপনি আমার এই আর্টিকেলটি একটি সফটওয়্যার এর মাধ্যমেই পড়ছেন।

এবং, তার নাম হলো “web browser”.

Web browser হলো একটি application software, যেটাকে কম্পিউটার ডিভাইস গুলোতে “internet browse” করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

একটি কম্পিউটার, সম্পূর্ণ ভাবে কেবল তখন কাজ করতে পারবে, যখন সেখানে সব ধরণের জরুরি software এবং hardware গুলো সংযুক্ত হয়ে থাকবে।

আর তাই, যেকোনো ধরণের কম্পিউটার ডিভাইস যেমন, smartphone, laptop, desktop PC, Tab ইত্যাদি গুলোতে সফটওয়্যার প্রোগ্রাম অবশই থাকছে।

বিভিন্ন আলাদা আলাদা হার্ডওয়্যার এর ক্ষেত্রে একটি আলাদা সফটওয়্যার এর প্রয়োজন। 

তাহলে চলুন, 

কম্পিউটার সফটওয়্যার কি (Software meaning in bengali), এবং এর বিভিন্ন প্রকার গুলো নিয়ে জরুরি তথ্য গুলো নিচে জেনেনেই।

সফটওয়্যার কাকে বলে ? (What is software in Bangla)

সফটওয়্যার কি ? এর প্রকার

Software কি ? সফটওয়্যার এর সংজ্ঞা: “কম্পিউটার সফটওয়্যার” বা “সফটওয়্যার” হলো কিছু data এবং কম্পিউটার নির্দেশ (instructions) এর সংগ্রহীত মিশ্রণ, যেটা একটি প্রোগ্রাম (program) হিসেবে কম্পিউটারকে যেকোনো কাজ করার ক্ষেত্রে নির্দেশ (instructions) দেয়।

কম্পিউটার কি কাজ করবে এবং কিভাবে কাজটি করবে, এই বিষয়ে একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার তাকে নির্দেশ দিয়ে থাকে।

একটি সফটওয়্যারকে, কিছু নির্দেশ (instructions) এর মিশ্রণ ও সংগঠন বলা যেতে পারে, যাকে কম্পিউটারের দ্বারা একটি বিশেষ কাজ করানোর ক্ষেত্রে প্রোগ্রাম (program) করা হয়েছে।

ফলে, সফটওয়্যার এ থাকা এই নির্দেশ ও প্রোগ্রাম গুলোর মাধ্যমে, কম্পিউটার ডিভাইস এর বিভিন্ন হার্ডওয়্যার (hardware) গুলোকে নিয়ন্ত্র করে কম্পিউটারের বিভিন্ন কাজ গুলো প্রসেস করা যেতে পারে।

উদাহরণ স্বরূপে,

Ms-word এ কিছু লিখা, Photoshop এ ফটো এডিট করা, Google chrome এ ইন্টারনেট ব্যবহার করা বা KM player এ ভিডিও দেখা, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই, এই আলাদা আলাদা সফটওয়্যার গুলো কম্পিউটার এর বিভিন্ন হার্ডওয়্যার গুলোকে নির্দেশ (instructions) দিচ্ছে, এবং সেই নির্দেশ হিসেবেই কম্পিউটারের দ্বারা আমরা আউটপুট (output) পেয়ে যাচ্ছি।

আর, কিছু জনপ্রিয় সফটওয়্যার এর উদাহরণ দিলে, Google chrome, VLC media player, Photoshop, MS-office, Microsoft edge ইত্যাদি গুলোকে বলা যেতে পারে।

অবশই পড়ুন:

তাহলে আশা করছি,”সফটওয়্যার মানে কি” (what is software in Bengali) বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।

সফটওয়্যার কেন দেখা বা স্পর্শ করা যায়না ?

যেকোনো ধরণের software আমরা কখনোই চোখে দেখতে পারবোনা বা হাথে স্পর্শ করতে পারবোনা।

কারণ, যেকোনো সফটওয়্যার বিভিন্ন code এবং computer language এর দ্বারা তৈরি একটি প্রোগ্রাম।

এবং, এই সকল প্রোগ্রাম গুলোর কোনো শারীরিক চেহেরা বা ভৌতিক আকার নেই।

আর, যেই জিনিসের কোনো শারীরিক গঠন ও আকার নেই, সেগুলো দেখা ও স্পর্শ করা সম্ভব না।

তবে হে, একটি সফটওয়্যার তৈরি করার ক্ষেত্রে যেসব computer language বা codes ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো কিন্তু কিছু বিশেষ প্রোগ্রাম এর সাহায্যে চোখে দেখা সম্ভব।

এনাহলে, একটি software program বানানোটা কখনোই সম্ভব হতোনা।

তবে, এই software program গুলো ছাড়া আমরা আমাদের computer device কখনো নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার করতে পারবোনা।

চলুন নিচে কিছু software program এবং তাদের examples জেনেনেই।

তাহলে, উদাহরণ সহ কিছু সফটওয়্যার এপ্লিকেশন গুলোর বিষয়ে জানলেন তো।

এমনিতে, software গুলো কম্পিউটার ডিভাইসে install করার পর, সেগুলোর user interface (UI) আমরা অবশই চোখে দেখতে পারি।

তবে, software টিকে দেখা এবং কেবল তার UI টি দেখা, ব্যাপার দুটো সম্পূর্ণ আলাদা।

সফটওয়্যার এর সংজ্ঞা – Software definition in Bangla

Software কে বর্ণনা করাটা একটি জটিল বিষয়। কারণ, কম্পিউটারের hardware এর মতো একটি software ফিসিক্যালয় দেখা ও অনুভব করা যায়না।

তাই, সফটওয়্যার হলো সম্পূর্ণ রূপে “virtual”.

সফটওয়্যার হলো একটি সাধারণ শব্দ, যেটা বিভিন্ন computer programs গুলোকে বর্ণনা (describe) করে।

Software programs, applications, scripts, codes, instructions ইত্যাদি প্রত্যেকটি শব্দ, সফটওয়্যার এর বিষয়টির এর সাথে জড়িত।

তাই, আপনার কম্পিউটারে যদি আপনি একটি computer application বা program ইনস্টল করছেন, তাহলে সেটা software install করাটাকেই বোঝাবে।

এখন সোজা ভাবে বললে,

সফটওয়্যার হলো কিছু কোডিং (coding) এর লাইন (line) যেগুলো কিছু বিশেষ “programming language” এর মাধ্যমে একজন “programmer” এর দ্বারা লেখা হয়।

এবং এই coding এবং scripts গুলোকে একসাথে প্রণীত (একসঙ্গে জড়ো হওয়া) করে একটি “computer program” রূপান্তর করা হয়।

সেই প্রোগ্রাম গুলোকেই বলা হয় “software”.

প্রত্যেকটি software কিছু binary data হিসেবে আপনার কম্পিউটারে storage device এ সেভ করে রাখা হয়, যখন সেটা আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল হয়ে যায়।

Program হিসেবে থাকা এই binary data ও codes গুলো, আপনার প্রয়োজন ও ব্যবহার অনুসারী কম্পিউটারকে সময়ে সময়ে কিছু বিশেষ কাজ করার নির্দেশ দিয়ে থাকে।

তাহলে, সফটওয়্যার এর সংজ্ঞা (definition) এভাবে দেওয়া যেতে পারে,

Binary data, computer language বা scripts গুলোকে একসাথে প্রণীত করে তৈরি করা Instructions এবং computer programs গুলোকে বলা হয় সফটওয়্যার।

এবং, এই programs বা software গুলো একটি computer কে ব্যবহারের যোগ্য করে তোলে।

প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কি ?

Programming language, হলো এমন কিছু computer language বা ভাষা যেগুলিকে একসাথে প্রণীত করে কিছু নির্দেশ (instructions) তৈরি করা হয়।

এবং, এই নির্দেশ (instructions) গুলোর মাধ্যমে কম্পিউটারে বিভিন্ন রকমের output আমরা পেয়ে যাই।

সোজা ভাবে বললে, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো এমন কিছু কম্পিউটার ল্যাঙ্গুয়েজ, যেগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন computer applications এবং software তৈরি করা হয়।

এখানে বিভিন্ন রকমের “binary data”, “scripts”, “rules” এবং “keywords” থাকে।

এই সব ধরণের “codes” এবং “scripts” গুলোর মাধ্যমে programs গুলোকে লেখা হয়, যেগুলো computer খুব সহজেই বুঝতে পারে এবং কিছু নির্দেশিত কাজ সম্পন্ন করে।

তাই, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ গুলোকে ব্যবহার করেই একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়।

এখন যদি আপনি, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর কিছু উদাহরণ জেনেনিতে চান তাহলে, C++, Java, PHP, MySQL, .NET ইত্যাদি গুলোকে উদাহরণ হিসেবে নেওয়া যেতে পারে।

সফটওয়্যার এর প্রকারভেদ – (Types of software)

এমনিতে বিভিন্ন সফটওয়্যার গুলোকে আমাদের কাজের জন্ন্যে তৈরি করা হয়।

এবং, সহজেই যাতে আমরা বিভিন্ন কাজ হলো করতে পারি, তাই বিভিন্ন আলাদা আলাদা বিষয়ের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা সফটওয়্যার রয়েছে।

আমরা প্রত্যেকদিন ঘুম থেকে উঠেই নিজের মোবাইল বা কম্পিউটারে বিভিন্ন software ব্যবহার করে থাকি।

যেমন, whatsapp, Facebook app, Instagram, বিভিন্ন ফটো এডিটিং টুল ইত্যাদি।

আর, এখন আমার আর্টিকেলটি পড়ার ক্ষেত্রেও আপনি কিন্তু একটি software ব্যবহার করছেন।

সেটা হলো, “web browser“.

তাই, বিভিন্ন আলাদা আলাদা কাজের ক্ষেত্রে একটি আলাদা সফটওয়্যার এর প্রকার রয়েছে।

মূলত সফটওয়্যার এর প্রকার ২ টি

  • System software
  • Application software

সিস্টেম সফটওয়্যার কাকে বলে ?

সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের এমন একটি মূল প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে computer hardware এবং ব্যবহারকারী (user) এর মধ্যে একটি ইন্টারফেস (interface) গঠন করা হয়।

এখন হতে পারে আপনি বিভিন্ন ভাষা বলতে ও বুঝতে পারেন।

যেমন, Hindi, English, Bengali ইত্যাদি।

কিন্তু, আপনার computer machine এই ধরণের ভাষা বোঝেনা।

Computer system কেবল একটাই ভাষা বোঝে যেটা হলো “binary language” বা “binary codes“.

এখন, যদি আমি ইংরেজিতে কথা বলছি বা লিখছি কিন্তু আমার কম্পিউটার মেশিন সেই ভাষাটি বুঝতে পারছেনা, তাহলে কি করা যেতে পারে ?

এই ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে একটি ইন্টারফেস (interface) এর।

Interface এর মাধ্যমে আমরা আমাদের ভাষায় দেওয়া নির্দেশাবলী (instructions) গুলোকে, কম্পিউটার মেশিনের বুঝতে পারা ভাষাতে কনভার্ট করে দিতে পারি।

যার ফলে, একটি কম্পিউটার, ইংরেজি ভাষাতে দেওয়া আমাদের নির্দেশ গুলো বুঝে কাজ করতে পারে।

সিস্টেম সফটওয়্যার এর বিশেষ কাজ

  • সিস্টেম সফটওয়্যার এর মাধ্যমে একটি কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার পার্ট গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
  • কম্পিউটারের সাধারণ কার্যকারিতা প্রদান করা।
  • Operating system হলো সব থেকে জরুরি system software, যেটাকে সবচেয়ে প্রথমেই কম্পিউটারে ইনস্টল করতে হয়। একটি operating system ছাড়া আপনার কম্পিউটার কোনো ভাবেই অন্যান্য কাজ করতে পারবেনা।
  • Language processing এর ক্ষেত্রে system software এর প্রয়োজন। আমরা সাধারণ English ভাষাতে দেওয়া নির্দেশাবলী গুলোকে, মেশিনের বুঝতে পারা ভাষাতে রূপান্তর করে।
  • User application software এবং hardware এর মাঝে ইন্টারফেস (interface) বা মধ্যবর্তী হিসেবে কাজ করা।

আমরা আমাদের কম্পিউটারে অন্যান্য যতগুলো applications install করি, সেই সব গুলোকেই এই system software নিয়ন্ত্রণ করছে।

আর, যদি কম্পিউটারে এই সিস্টেম software গুলো না থাকে, তাহলে আপনি অন্যান্য কোনো application গুলো চালাতে পারবেননা।

যখনি একটি নতুন কম্পিউটার কেনা হয়, তখন সেখানে জরুরি system software যেমন, operating system (OS), language translator ইত্যাদি ইনস্টল করে দেওয়া হয়।

আর, এই system software গুলোর মাধ্যমেই computer hardware এবং user application এর মাঝে একটি সংযোগ (connection) বা স্তর (layer) সৃষ্টি করা যেতে পারে।

সিস্টেম সফটওয়্যার এর ৩ টি আলাদা প্রকার রয়েছে।

সিস্টেম সফটওয়্যার এর প্রকার গুলো কি ?

Types of system software in Bangla.

কার্যকলাপ হিসেবে দেখতে গেলে, সিস্টেম সফটওয়্যার এর বিভিন্ন প্রকার ও ভাগ রয়েছে।

System software কে দুটি বিশেষ ভাবে ভাগ করা যেতে পারে।

  • Computer management এর ক্ষেত্রে,
  • Developing software এর ক্ষেত্রে ,

চলুন বিস্তারিত ভাবে জেনেনেই।

১. Computer management software

কম্পিউটারের বিভিন্ন কার্যকারিতা (functionality) গুলো ম্যানেজ (manage), optimize এবং monitor করার ক্ষেত্রে এই সফটওয়্যার কাজ করে যাতে computer system এর “কার্যক্ষমতা (performance)” এবং “security” গুলো অপ্টিমাইজ (optimize) করা যেতে পারে।

Computer ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার গুলোকে আবার ৩ টি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে।

  • Operating system 
  • Device drivers 
  • System utilities 
Operating system 

একটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার সিস্টেমকে নিয়ন্ত্রণ করে এই operating system software (OS).

OS এর দ্বারা, user এবং computer hardware এর মাঝে একটি ইন্টারফেস (interface) তৈরি করা হয় যাতে দুজনেই পরস্পরে সংযুক্ত হয়ে কাজ গুলো করতে পারে।

একটি, operating system ছাড়া কম্পিউটার চালানো সম্ভব না।

কারণ, আপনার কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথেই, operating system বিভিন্ন কাজ করা শুরু করে দেয়, যেগুলো ছাড়া কম্পিউটার কাজ করতে পারেনা।

অপারেটিং সিস্টেম এর উদাহরণ কিছু হলো –

  • Windows OS
  • Linux
  • mac OS
  • Ubuntu
  • Android

তাহলে বুঝলেন তো, “অপারেটিং সিস্টেম কি“.

Device drivers

একটি hardware এবং software এর মাঝে অনুবাদক (translator) হিসেবে কাজ করে এই device driver গুলো।

Device ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে, device এবং software এর মাঝে একটি অন্তর্বর্তী (intermediate) হিসেবে কাজ করে একটি device driver.

যেমন, আপনি যদি একটি নতুন printer নিজের কম্পিউটারে প্রথম বারের জন্য সংযোক করছেন, তাহলে printer এর সাথে একটি CD/DVD মাধ্যমে দেওয়া device driver software এর প্রয়োজন আপনার হয়।

এছাড়া, keyboard, mouse, hard disk, printer, speaker, joystick, web cam, scanner, digital camera ইত্যাদি যেকোনো hardware একটি কম্পিউটারে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে একটি driver software এর প্রয়োজন।

System utility software

Computer এর রক্ষণাবেক্ষণ (maintenance) এর ক্ষেত্রে বিভিন্ন system utility software গুলোর প্রয়োজন।

কিছু, সিস্টেম ইউটিলিটি আপনার কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম এর সাথেই দেওয়া থাকে।

তবে, অন্যান্য জরুরি system utility software গুলো আমরা আলাদা ভাবে নিজের কম্পিউটারে যোগ করতেই পারি।

System utilities এর মাধ্যমে, আমরা কম্পিউটারে বিভিন্ন programs এবং system data গুলোর কার্যক্ষমতা (performance) বৃদ্ধি করে নিতে পারি।

অবশই পড়ুন: কম্পিউটার ভাইরাস কি ?

কিছু সিস্টেম উটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ হলো:

  • Antivirus utilities (Avast, kaspersky, avira, windows defender)
  • Disk compression software
  • Data compression utility
  • Disk cleaner
  • Backup utility 
  • Network management utility software.
  • Disk partitioning utility

২. For developing software

Computer এ থাকা অন্যান্য সফটওয়্যার গুলোর উন্নয়নের (development) এর ক্ষেত্রে এই সফটওয়্যার গুলো কাজ করে।

এই developing software গুলোকে ৪ টি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে।

  • Programming language
  • Translator
  • Linker
  • Loader

চলুন, বিষয় গুলো নিয়ে আমরা নিচে বিস্তারিত ভাবে জেনেনেই।

Programming language

Computer এর program গুলো লেখার ক্ষেত্রে যেসব language ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে বলা হয় প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।

একটি কম্পিউটার কি কি কাজ করবে, সেই নির্দেশ গুলো কিছু “vocabulary” এবং “grammatical values” হিসেবে এই programming language গুলোর দ্বারা তৈরি করা হয়।

এবং, সেই নির্দেশাবলী গুলোর হিসেবেই কম্পিউটার কাজ করে।

প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ গুলোতে সাধারণ ভাবে কিছু high level language ব্যবহার করা হয়।

যেমন, 

  • COBOL
  • BASIC
  • FORTRAN
  • C
  • C++
  • JAVA 
  • PYTHON 

এবং প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ গুলোকে ৩ টি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে –

  1. Machine language
  2. Assembly language
  3. High-level language
Translator 

Translator software গুলোকে ব্যবহার করা হয়, “high level language” এবং “assembly language” এ লিখা program গুলোকে এমন এক ধরণে রূপান্তর করা ক্ষেত্রে, যাতে আপনার কম্পিউটার সেইটা বুঝতে পারে।

এই translator software  গুলোর ৩ টি আলাদা আলাদা প্রকার রয়েছে।

  1. Assembler 
  2. Compiler 
  3. Interpreter 
Linker software  

বিভিন্ন আলাদা আলাদা object modules এবং libraries গুলোকে একটি single executable program এ একসাথে link করার কাজ করে এই “linker software”.

Loader software 

Loader software গুলো, যেকোনো executable program গুলোকে main memory তে load এবং re-load করার কাজ করে।

যেমন, একটি program বা software এর .exe ফাইল, প্রয়োজন অনুসারী system RAM memory তে load করা এবং কাজ হয়ে হেলে un-load ও করে নেওয়া।

সিস্টেম সফটওয়্যার এর কিছু উদাহরণ

নিচে, সিস্টেম সফটওয়্যার এর উদাহরণ কিছু আপনারা দেখতে পাবেন।

  • Windows OS (windows 8, 7, 10)
  • Mac OS
  • Android
  • Anti virus (avast, quick heal, kaspersky)
  • Computer language translators
  • Linux OS
  • Game engines
  • Disk cleaner
  • Disk compression
  • Backup utility software
  • Network management software

এপ্লিকেশন সফটওয়্যার কাকে বলে ?

যেসব সফটওয়্যার গুলো কেবল বিশেষ ধরণের একটি নির্দিষ্ট ও সিঙ্গেল (single) কাজ করার ক্ষেত্রে তৈরি করা হয়, সেই সফটওয়্যার গুলোকেই বলা হয় এপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

এটাকে সাধারণ ভাবে, একটি program বা collection of programs বলা যেতে পারে, যেটাকে end user এর দ্বারা ব্যবহার করা হয়।

এমনিতে বলতে গেলে, এমন প্রত্যেক সফটওয়্যার যেগুলো একটি “system software” ও নয় এবং “programming software” ও নয়, একটি application software.

সহজ ভাবে এগুলোকে application বা apps বলা যেতে পারে।

কিছু অধিক বেশি পরিমানে ব্যবহার করা এপ্লিকেশন সফটওয়্যার গুলো হলো,

  • Word processing software ( MS-word )
  • Spreadsheet (MS-excel)
  • Database management
  • Multimedia tools ( Video & audio player )
  • Internet browser (Google chrome)

উদাহরণ স্বরূপে,

ধরুন আপনি computer এ text এর সাথে জড়িত কিছু কাজ করার জন্য “MS-word” ইনস্টল করেছেন।

এই ক্ষেত্রে, MS-word হবে একটি “application software”.

কেননা, MS-word software ব্যবহার করে আপনি কেবল একটি বিশেষ ধরণের কাজ যেটা হলো “text editing” করতে পারছেন।

তাই, এপ্লিকেশন সফটওয়্যার কি, এর সোজা এবং সরল উত্তর এভাবে দেওয়া যেতে পারে,

“যেই সফটওয়্যারটিকে কম্পিউটারে কেবল একটি বিশেষ কাজ করার উদেশ্যে ব্যবহার করা হয়, সেই সফটওয়্যারটিকে বলা যেতে পারে এপ্লিকেশন সফটওয়্যার”.

একটি এপ্লিকেশন সফটওয়্যার আমার এবং আপনার মতো user এর সুবিধের ক্ষেত্রে তৈরি করা হয়, যেটা কেবল একটি নির্দিষ্ট কাজ করবে।

এপ্লিকেশন সফটওয়্যার এর উদাহরণ

  • MS-office (excel, power point, word)
  • Internet browser (Firefox, safari, chrome)
  • Media player ( real player, KM player, Gom player)
  • Paint
  • Photoshop

এই ধরণের কিছু বিশেষ কাজ করানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা সফটওয়্যার গুলোকে “application software” বলা হয়।

সফটওয়্যার কিভাবে তৈরি করে ?

একটি কম্পিউটার software বিভিন্ন ০ এবং ১ সংখ্যা দিয়ে তৈরি করা হয়।

এই সংখ্যা গুলোকে বলা হয় “binary codes”.

এবং, একটি কম্পিউটার সিস্টেম কেবল এই বাইনারি (binary) কোড গুলি দিয়ে তৈরি নির্দেশ বুঝতে পারে।

তাছাড়া, developer রা একটি software তৈরি করেন বিভিন্ন programming language এর ব্যবহার করে।

বিভিন্ন programming language গুলোর ব্যবহার করে যারা একটি সফটওয়্যার তৈরি করেন, তাদেরকে বলা হয় “software developers” বা “programmers“.

এমনিতে, binary codes গুলো সহজে বুঝতে পারাটা অনেক কষ্টের ব্যাপার।

আর তাই, বর্তমান বিভিন্ন আধুনিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন, C, C++, JAVASCRIPT, PYTHON, SQL, PHP ইত্যাদি ব্যবহার করে, সফটওয়্যার তৈরি করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্দেশের “source code” এবং “scripts” গুলো তৈরি করা হয়।

এবং, এই ধরণের বিভিন্ন নির্দেশের scripts এবং source code গুলোকে একটি সফটওয়্যার এ পরিণত করে দেওয়া হয়।

আমি আগেই বলেছি, প্রত্যেকটি কম্পিউটার সফটওয়্যার, আপনার কম্পিউটারে নির্দেশ দিয়ে কিছু নির্দিষ্ট কাজ করতে সাহায্য করে।

যেটা, একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার এর মাধ্যমে photo editing করা বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা হতে পারে।

প্রত্যেকটি হলো, কিছু scripts এবং source code এর মাধ্যমে, কম্পিউটারকে দেওয়া কিছু নির্দেশ।

যার ফলে, কম্পিউটার এই কাজ গুলি করতে পারে।

সফটওয়্যার তৈরি করার জন্য, আপনার বিশেষ ধরণের software development এর কোর্স করতেই হবে।

তাহলে, “সফটওয়্যার কিভাবে তৈরি করে” বিষয়টি বুঝলেন তো।

 

আজকে আমরা কি শিখলাম ?

আমি সব সময় আপনাদের কিছু সেরা ও উচ্চমানের তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করি।

আর, আজকের এই আর্টিকেল যেখানে আমরা “সফটওয়্যার কাকে বলে” (what is software in bangla) এবং “সফটওয়্যার এর প্রকারভেদ গুলো কি” বিষয়টি নিয়ে কথা বলছি, আশা করছি আপনাদের অবশই ভালো লেগেছে।

এখানে আমি আপনাদের, একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার কি এবং এর সাথে জড়িত প্রত্যেকটি বিষয় বিস্তারিত ভাবে বলেছি।

আর, সাধারণ জ্ঞান এর সাথে সাথে software এর সাথে জড়িত কিছু advanced knowledge ও আপনার থাকাটা জরুরি।

কেননা, আজকাল প্রত্যেক জায়গায় একটি computer এবং সেখানে থাকা বিভিন্ন software programs গুলোর মাধ্যমেই কাজ হচ্ছে।

তবে, আজকের আর্টিকেলের বিষয়ের সাথে জড়িত কোনো সমস্যা বা সমাধান থাকলে, আমাকে নিচে কমেন্ট অবশই করবেন।

0 Shares

A Blogger & Author ! Rahul Das is recognized as a technology Blogger who founded "BanglaTech" & "SidhaJawab". He is passionate about blogging. ❤️

2 thoughts on “সফটওয়্যার কি ? এর প্রকারভেদ এবং কিভাবে তৈরি করে”

  1. আপনি খুব সুন্দর ভাবে লিখেছেন সফট্ওয়েরে র নিয়ে।
    আপনার ব্লগ টা ও অনেক সুন্দর।ধন্যবাদ আপনাকে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error:
Scroll to Top
Copy link
Powered by Social Snap