12+ Spoken English Tips: স্পোকেন ইংলিশ কিভাবে শিখব ?

স্পোকেন ইংলিশ কিভাবে শিখব ? স্পোকেন ইংলিশ শেখার নিয়ম ও উপায় গুলো কি কি ? আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা স্পোকেন ইংলিশ শেখার বিভিন্ন উপায় গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছি। 

স্পোকেন ইংলিশ কিভাবে শিখব
সেরা ১২টি স্পোকেন ইংলিশ শেখার টিপস।

এখনকার যুগে ইংরেজিতে কথা বলতে পারাটা বহু মানুষের কাছেই বেশ একটা জরুরি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

কাজের প্রয়োজনে হোক কিংবা নিত্যদিনের কথোপকথন চালিয়ে যাওয়ার জন্যেই হোক না কেন, ইংলিশ ভাষাতে স্পষ্টভাবে কথা বলাটা আমরা সবাই-ই কোনো না কোনো সময়ে রপ্ত করতে চাই। 

আর, এই টেকনোলজির যুগে ইংরেজি শেখা ও বলতে পারার জন্যে লার্নিং প্ল্যাটফর্মগুলোও যথেষ্ট সাহায্য করে থাকে। 

তাই, আপনিও যদি ঝটপটভাবে স্পোকেন ইংলিশ শিখে ফেলতে চান, তাহলে চোখ রাখতে পারেন আমাদের এই আর্টিকেলে। 

আমাদের আজকের এই আর্টিকেল থেকে আমরা জেনে নেবো যে, সহজে স্পোকেন ইংলিশ কিভাবে শিখতে পারবেন ?

স্পোকেন ইংলিশ কিভাবে শিখব ? নিয়ম এবং উপায়

এখানে আমরা এমন কিছু সেরা উপায় এবং টিপস গুলো নিয়ে আলোচনা করতে চলেছি, যেখান থেকে শুরু করলে আপনার স্পোকেন ইংলিশ শেখার পথটা অনেকটাই সহজ হয়ে দাঁড়াবে। 

চলুন তাহলে দেরী না করে জেনে নেওয়া যাক, স্পোকেন ইংলিশ শেখার বেস্ট উপায়গুলো সম্পর্কে। 

১. পার্সোনাল টিউটরের সহায়তা নিন:

স্পোকেন ইংলিশ শেখার অর্থই হল, না থেমে ঝরঝর করে ইংরেজি ভাষাতে কথা বলার ও মনের ভাব প্রকাশ করার ক্ষমতা অর্জন করা। 

তা আপনি বিশ্বাস করুন বা না-ই করুন, দ্রুত ইংরেজি বলতে পারার ক্ষমতা অর্জন করতে চাইলে একজন পার্সোনাল টিউটরের সাহায্য নেওয়াটা একান্তই আবশ্যক।

একজন ভালো ইংরেজি প্রশিক্ষক আপনার ইংলিশ বলার জার্নিটাকে অনেকটাই সহজ করে দিতে পারেন। 

প্রশিক্ষক আপনাকে নতুন-নতুন ইংরেজি শব্দ শেখানোর পাশাপাশি, আপনার জীবনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক ইংরেজি কথোপকথন শিখতেও সাহায্য করে থাকেন। 

আপনি একজন ভালো টিউটরের থেকে নিজের ইংরেজি বলার সমস্যাগুলো সম্পর্কে আলোচনা করে সাথে-সাথে তা শুধরেও নিতে পারবেন।

এছাড়াও, টিউটরের একান্ত সহোযোগিতাতে আপনি নির্ভয়ে তার সাথে ইংরেজি ভাষাতে কথা বলে দ্রুত তা শিখেও নিতে পারবেন।    

২. যতটা সম্ভব ইংরেজি বলার চেষ্টা করুন:

যেকোনো ভাষাতেই বাধাহীনভাবে কথা বলতে গেলে সেই ভাষাতে একটানা কথা বলে যাওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ।

যদি আপনার চারপাশে ইংরেজিতে কথা চালানোর মতো পরিবেশ না থাকে, বিশেষত আপনি যদি ইংরেজি সম্প্রদায়ের মানুষ না হয়ে থাকেন,

তাহলে আপনার কাছে ইংরেজিতে কথোপকপথন চালিয়ে যাওয়াটা একটু কঠিন হতে পারে। 

তাই, আপনি যাতে ইংরেজি বলার অভ্যাসটা ধরে রাখতে পারেন,

তার জন্যে নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করতে পারেন- 

✔ কোনো আঞ্চলিক ইংরেজি ভাষাভাষি মানুষের (Native English Speaker) সাথে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করুন। 

এর জন্যে আপনি বিভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজে এক্সচেঞ্জ অ্যাপের (যেমন- HelloTalk ও ইত্যাদি) পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ারও সাহায্য নিতে পারেন। 

✔ কোনো অনলাইন ইংলিশ টিউটরের সাথে অ্যাপয়েনমেন্ট করে, সরাসরি তার সাথে ইংরেজিতে কথোপকথনের অভ্যেস করতে পারেন।

তাঁর কাছ থেকে আপনি পরামর্শ নিয়ে আপনার ইংরেজি ভাষাকে আরও উন্নত করতে পারেন। 

✔ যেসব ইংলিশ লার্নিং অ্যাপের স্পিচ রিকোগনিশন সফটওয়্যার অর্থাৎ আপনার ইংরেজি বলাকে মনিটর করার সফটওয়্যার আছে, সেগুলো ব্যবহার করুন।

অনলাইন গ্রুপ ক্লাসের সাহায্যে সারা বিশ্বের ইংরেজি ভাষা অধ্যয়নকারীদের (Learners) স্মল গ্রুপে যোগ দিতে পারেন। 

✔ মোটামুটিভাবে ইংরেজি বলতে সক্ষম হলে, আপনি নানান লাইভ ইভেন্ট বা ওয়েবিনারেও যোগদান করতে পারেন।

✔ ইংরেজিতে আপনার জীবন সম্পর্কে বলার অভ্যাস করুন। 

৩. প্রতিদিন ইংলিশ ভাষার সাথে যুক্ত থাকুন:

একটা ভাষাকে রপ্ত করতে গেলে আপনাকে সেই ভাষার সাথে একাত্ম হতে হবে। 

অর্থাৎ, আপনাকে প্রতিদিন ইংলিশে কিছু না কিছু কাজ করতেই হবে। 

আপনি যদি রোজ ইংরেজি নাও পড়েন,

তাহলেও আপনি আপনার জীবন সামান্য কিছু পরিবর্তন ঘটিয়ে নিজেকে ইংরেজি বলতে আগ্রহী করতে পারেন- 

✔ নিজের ফোন/সোশ্যাল মিডিয়া সেটিংসকে ইংলিশ-এ বদলান। 

ইংলিশ গান, অডিও বুক ও পডকাস্ট শুনুন এবং খবর পড়ুন। 

✔ নানান ইংরেজি ভাষার টিভি শো ও সিনেমা দেখুন।  

✔ একটা ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজে জার্নাল রাখুন।  

✔ বিভিন্ন ব্যক্তিদের ইংরেজি ইন্টারভিউ গুলো দেখুন। 

একটানা ইংরেজি ভাষার সাথে নিজেকে যুক্ত রাখতে পারলে, আপনি এই ভাষায় কথা বলার ব্যাপারে অনেকটাই আত্মবিশ্বাসী বোধ করবেন। 

৪. টেকনোলজির ব্যবহার করুন:

ডিজিটাল যুগে ইংরেজি শেখার সবথেকে বড় সুবিধা হল এই যে,

আপনি প্রায় বিনামূল্যেই টেকনোলজির ব্যবহার করে নিজের ইংলিশ কথোপকথনের ক্ষমতা বাড়াতে পারবেন। 

কেবলমাত্র হাজার হাজার ইংলিশ লার্নিং অ্যাপ, অনলাইন ক্লাস, মেসেজিং অ্যাপের কথা বাদ দিলেও আপনি একেবারেই ফ্রীতে পেয়ে যেতে পারেন স্পোকেন ইংলিশ শেখার সেরার সেরা সব ইউটিউব টিউটোরিয়াল চ্যানেল গুলো।

এই চ্যানেলগুলোতে এমন সব সহায়তাকারী পরামর্শ আপনি পাবেন যেগুলো আপনাকে সহজেই ইংরেজিতে কথা বলাতে সাহায্য করবে। 

এরকমই কয়েকটি সেরা চ্যানেলের মধ্যে রয়েছে – BBC Learn English, EnglishClass101 ও অন্যান্য। 

এই চ্যানেলগুলোর প্রতিটা ভিডিও আপনি সাবটাইটেল দিয়ে, পজ ও রিপ্লে করে কিংবা স্পিড স্লো করে নিজের সুবিধামতো দেখতেও পারবেন।

৫. উচ্চারণের প্রতি নজর দিন:

বাংলাতে যেমন অঞ্চলভেদে উচ্চারণ পাল্টায়, ঠিক তেমনই ইংরেজির ক্ষেত্রেও অঞ্চল অনুযায়ী উচ্চারণে পার্থক্য দেখা যায়।

ঠিক যেমন আমাদের ইংরেজি উচ্চারণের সাথে মার্কিন বা ব্রিটিশদের ইংরেজি উচ্চারণের বিস্তর ফারাক রয়েছে।

এই উচ্চারণের পার্থক্যের জন্যে অনেক সময়েই আমরা বিদেশীদের ইংরেজি ভাষা বুঝতে পারি না বা আমাদের ইংরেজি উচারণও তারা ঠিকমতো বুঝতে পারে না। 

তাই, আমরা যখনই স্পোকেন ইংলিশ শিখবো তখনই আমরা চেষ্টা করবো আঞ্চলিক ইংরেজি উচ্চারণকে রপ্ত করার।

এক্ষেত্রে, আপনি নানান আঞ্চলিক ইংরেজি সিনেমা বা শো দেখে তাদের উচ্চারণগুলো শুনতে পারেন। 

কিংবা, YouGlish-এর মতো একটা টুল ব্যবহার করেও আপনি নানান ইংরেজি বাক্যের একাধিক ইংলিশ উচ্চারণ (accent) শুনে শুনে অভ্যাস করতে পারেন। 

৬. ইংরেজি শব্দ শেখার পরিবর্তে বাক্য গঠনে বেশি মন দিন:

একটা ভাষাতে অসংখ্য শব্দ থাকতে পারে, যা সম্পূর্ণভাবে মনে রাখা অসম্ভব হয়। 

তাই, ইংরেজি শব্দ শেখার পরিবর্তে যদি আপনি ইংরেজি বাক্য গঠনের উপর বেশি নজর দেন,

তাহলে আপনি বাক্য গঠনের সাথে-সাথেই নতুন-নতুন শব্দও শিখতে পারবেন।

বরং, শব্দের পর শব্দ জুড়ে বাক্য তৈরী করার তুলনায় যদি আপনি আগে বাক্য গঠন শেখেন,

তাহলে আপনাকে ইংরেজি কথোকথনের সময়ে প্রতিটা শব্দকে আলাদাভাবে ট্রান্সলেট করতে হয় না। 

এর ফলে, আপনি নতুন ভোকাবিউলারি শেখার পাশাপাশি ইংরেজি গ্রামার সম্পর্কেও অনেক বেশি মনোযোগী হতে পারবেন।

৭. ইংরেজিতে চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করুন:

কোনো বাক্যকে আপনি ট্রান্সলেট বা অনুবাদ করার পরিবর্তে যদি সরাসরি ইংলিশেই ভাবা শুরু করেন, তাহলে কি হবে? 

আপনি যখনই আপনার মাতৃভাষার বদলে ইংরেজিতেই কোনো শব্দ বা বাক্যকে ভাবা শুরু করবেন,

তখন থেকেই আপনার ইংরেজি বলার ব্যাপারটা সহজেই মনের ভিতর থেকে চলে আসবে। 

ধরুন – আপনি ‘রুমাল’ শব্দটি ভাবার পরিবর্তে তার ইংরেজি শব্দটা মনে মনে ভাবলেন ‘হ্যান্ডকারচিফ’, এইভাবেই ধীরে-ধীরে শব্দগুলো ইংরেজিতে ভাবার পাশাপাশি বাক্যগুলোও ইংরেজিতে চিন্তাভাবনা করতে থাকুন।

তবে, মনে রাখবেন যে, এটা একটা অভ্যাসের মতো, যেটা গড়ে উঠতে একটু সময় নিতে পারে। 

তাই, আপনাকে ধৈয্য ধরে নিজের চিন্তাভাবনাগুলোকে পরিচালনা করতে হবে। 

৮. রীতিমতো নিয়ম করে ইংরেজি বলার অভ্যাস করুন:

যত বেশি আপনি ইংরেজি বলার অভ্যাস করবেন, ততো তাড়াতাড়ি আপনি এই ভাষা বলতে সক্ষম হবেন। 

সারাদিনে অন্তত ১৫-৩০ মিনিট সময় ইংরেজিতে কথোপকথনের চেষ্টা করবেন।

আপনার আগের শেখা পাঠগুলোকে নতুন করে দেখে নিতে ভুলবেন না। 

সব সময় খেয়াল রাখবেন, যে আপনি যতটা প্র্যাক্টিসের মধ্যে থাকবেন, তত দ্রুত আপনার ইংরেজি বলার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। 

তবে, ইংলিশ বলার পাশাপাশি মন দিয়ে শোনাটাও আপনাকে নতুন-নতুন ভাবধারা বা প্রবাদ শিখতে যথেষ্ট সাহায্য করবে।   

৯. নিজের সাথে কথা বলুন:

বিদেশী ভাষায় কথা বলা শেখার সবথেকে কার্যকরী উপায় হল নিজে-নিজেই সেই ভাষাতে কথা বলার অভ্যেস করা। 

এখানে আপনাকে ইংরেজি ভাষার সাথে ভালোভাবে পরিচিত হতে হয়। 

নিম্নলিখিত উপায়ে আপনি নিজের সাথে ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন – 

✔ নিজের জীবনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কোনো বিষয় বাছুন, যেমন – আপনার নেশা, পেশা, পরিবার, কাজকর্ম ও ইত্যাদি। 

✔ কোনো আয়নার সামনে দাঁড়ান এবং নিজেকে লক্ষ্য করে ইংরেজি কথোপকথন শুরু করুন।  

✔ এর পাশাপাশি নিজের বডি ল্যাঙ্গুয়েজের উপরেও নজর দিন।   

১০. গ্রামারের বিষয়ে বেশি মাথা ঘামাবেন না:

যদি প্রশ্নই হয় যে, স্পোকেন ইংলিশ কিভাবে শিখব ? 

তাহলে, একদম ব্যাকরণ বা গ্রামারের ব্যাপারে বেশি চিন্তা করবেন না।

কারণ, আমাদের স্পোকেন ইংলিশ শেখার মূল লক্ষ্যই থাকে ইংরেজিতে নিজের মনের ভাবপ্রকাশ করা বা কথার আদান প্রদান করা।

ঠিক শিশুরা যেমন কথা বলার সময় বাক্যগঠনের ব্যাপারে ভয় না পেয়ে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করে,

ঠিক তেমনই আপনিও ভয় না পেয়ে সোজাসাপ্টাভাবে ইংরেজিতে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করুন। 

গ্রামার হল ইংরেজি ভাষার কেবল একটা অংশ মাত্র; যেটা অভ্যাসের সাথে সাথে এমনিতেই তৈরী হয়ে যায়।

তাই, শুরুর দিকে ইংরেজিতে মনের ভাব প্রকাশের প্রতি গুরুত্ব দিন।    

১১. ইংলিশ ভাষাকে নিজের জীবনধারণের অঙ্গ হিসেবে মনে করুন:

আমাদের সবারই বিদেশী ভাষা শেখার জন্যে কোনো না কোনো উদ্দেশ্য নিশ্চয়ই থাকে। 

এই উদ্দেশ্যের কারণেই আমাদের উচিত ইংরেজির মতো ভাষাকে নিজের জীবনধারণের অঙ্গ হিসেবে মেনে চলা। 

ধরুন, আপনি যদি বিদেশে পেশার খাতিরে সেটেল হতে চান,

তাহলে অন্যান্য বড় লাইফস্টাইল পরিবর্তনের পাশাপাশি আপনি আপনার ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বাড়ানোর জন্য নিম্নলিখিত টিপসগুলো ফলো করতে পারেন-

✔ কোনো চাকরি বা পেশা নির্বাচন করুন, যেখানে আপনাকে ইংরেজি ভাষার ব্যবহার করতেই হবে।

✔ কোনো ইংরেজি ভাষাভাষী মানুষের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে ভাষার আদানপ্রদান করুন।  

✔ সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোতে ইংরেজি ভাষাতে কমেন্ট করুন কিংবা ভিডিও রেকর্ডিং করে পাবলিশ করুন।  

১২. ইংরেজি শেখার একটা রুটিন বানান:

স্পোকেন ইংলিশে দ্রুত উন্নতি করতে হলে অবশ্যই একটা রুটিন মেনে চলতে পারেন। 

একটা ভালো রুটিন মেনে চলতে পারলে আপনি রোজ একটু-একটু করে ইংরেজি ভাষা সম্পর্কে জানতে-বুঝতে শুরু করবেন।  

চলুন, তাহলে দেখে নিই, আমাদের রুটিনে কি কি বিষয় রয়েছে –  

✔ রোজ সকালে ১০ থেকে ৩০ মিনিট ইংরেজি বলার প্র্যাক্টিস করা।  

✔ এক্সারসাইজ করার সময়ে প্রতিদিন কোনো না কোনো ইংলিশ অডিও কনটেন্ট শোনা (ইউটিউব অডিও স্স্টোরি, রেডিও প্রোগ্রাম ও ইত্যাদি)।  

✔ যাতায়াত করার সময় বা খালি সময়ে ইংলিশ বই, গল্প বা লেখা পড়া।

 

আমাদের শেষ কথা,

স্পোকেন ইংলিশ কিভাবে শিখব বা স্পোকেন ইংলিশ শেখার নিয়ম ও উপায় গুলো নিয়ে লেখা আমাদের আজকের আর্টিকেলটি এখানেই শেষ হল। 

আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি পছন্দ হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

এছাড়া, আর্টিকেলটি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলোতে অবশই শেয়ার করবেন,

এতে যারা সহজে ইংরেজিতে কথা বলা শিখতে চাইছেন তাদের অনেক লাভ হতে পারে।  

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top