ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে ? প্রকার এবং উদাহরণ

আপনারা কি জানেন, ইনপুট ডিভাইস (input device) এবং আউটপুট ডিভাইস (output device) কাকে বলে ? (What Is Input And Output Device In Bangla). তাছাড়া, কত প্রকারের আউটপুট এবং ইনপুট ডিভাইস রয়েছে, সেটা জেনে রাখাটাও কিন্তু জরুরি।

What is input and output device in bangla ?

তাই, এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের “কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস এর বিষয়ে” সম্পূর্ণ তথ্য উদাহরণ সহ দিবো।

Computer fundamental এর এগুলি অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যার বেপারে জেনে রাখাটা কিন্তু জরুরি।

আজ, প্রত্যেক ব্যাক্তির এই “I/O DEVICE” বা input/output ডিভাইস গুলির ব্যাপারে জ্ঞান থাকতেই হয়।

আজ, আমি, আপনি এবং প্রায় প্রত্যেক ব্যাক্তি বিভিন্ন ধরণের computer device এর সাথে সংযুক্ত হয়ে থাকি।

যেমন, Desktop computer, laptops, Tablets এবং আরো অন্যান্য devices.

এবং, এই ধরণের computer devices গুলি তৈরি বা গঠন করার জন্যে বা ডিভাইস গুলি সম্পূর্ণ সঠিক ভাবে কাজ করার জন্যে, বিভিন্ন hardware components এর ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটারে (computer) এ ব্যবহার করা এই hardware components গুলির মধ্যে কিছু হলো,

  • Keyboard – কম্পিউটারে টাইপিং করার জন্যে।
  • Mouse – কম্পিউটারকে নির্দেশ দেয়ার কাজে ব্যবহার।
  • Monitor – একটি display device.
  • Speaker – শব্দ, গান বা sound পাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়।
  • RAM – তথ্য বা information জমা রাখার জন্য এম ধরণের computer memory.
  • DVD drive – CD ও DVD চালানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।

ওপরে বলা এই hardware components গুলির মধ্যে প্রায় প্রত্যেকটি আপনারা সব ধরণের কম্পিউটার বা ল্যাপটপে পাবেন।

এবং, এই hardware components গুলিকে বলা হয় “ইনপুট ডিভাইস” এবং কিছুকে “আউটপুট ডিভাইস“.

তবে, কিছু কিছু hardware components রয়েছে, যেগুলিকে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস দুটোই বলা যেতে পারে।

যেমন, Floppy disc এবং hard disc storage device.

কেননা, একটি কম্পিউটার এই ধরণের storage device গুলিতে data read এবং data write দুটোই করতে পারে।

তবে, “কম্পিউটার কাকে বলে এবং “কম্পিউটার হার্ডওয়্যার কি” এই ব্যাপারে আমি আগেই আর্টিকেল লিখে আপনাদের সবটাই বুঝিয়ে বলেছি।

তাই, চলুন এখন আমরা সোজা জেনেনি “ইনপুট ডিভাইস কি” এবং “আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে” ? (About Input and Output Device in Bangla).

ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে ? 

বন্ধুরা, input device এবং output device দুটোই সম্পূর্ণ আলাদা এবং কম্পিউটারের দ্বারা তাদের ব্যাবহার ও সম্পূর্ণ আলাদাভাবে করা হয়।

তাছাড়া, তাদের প্রকার এবং উদাহরণ, সবটাই আলাদা আলাদা।

তাই, “Input device কি” এবং “output device কি“, এই দুটো প্রশ্নের উত্তর আলাদা আলাদা ভাবে আমি আপনাদের দিবো।

ইনপুট ডিভাইস (input device) কাকে বলে ?

ইনপুট ডিভাইস হলো এক ধরণের ELECTRONIC DEVICE, যেটা কম্পিউটারের একটি অংশ।

আমরা আমাদের কম্পিউটারে (computer), যেই ডিভাইস ব্যবহার করে কম্পিউটারকে নির্দেশাবলী (instructions) দিতে পারি, সেই সকল ডিভাইস গুলিকে বলা হয় কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস (Input device).

সোজা ভাবে বললে, কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস হলো, এমন কিছু হার্ডওয়্যার (hardware) যেটা ব্যবহার করে, কম্পিউটারকে কাজ করার জন্য ডাটা (data) বা নির্দেশাবলী দেয়া হয়।

তাছাড়া, একটি কম্পিউটার ডিভাইস (computer device) নিয়ন্ত্রণ (control) করার জন্য, এই বিভিন্ন ধরণের ইনপুট ডিভাইস অনেক জরুরি।

উদাহরণ স্বরূপে,

Keyboard এবং mouse, কম্পিউটারের সব থেকে প্রয়োজনীয় এবং জরুরি input device গুলির ভেতরে পরে।

কারণ, একটি mouse এবং keyboard ব্যবহার করেই আমরা কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি এবং কাজ করার জন্য, বিভিন্ন ডাটা (data) বা নির্দেশাবলী (instructions) প্রদান করতে পারি।

যেরকম, আপনি Microsoft office এ একটি application লিখার সময় “keyboard” ব্যবহার করে টাইপ করেন।

এবং এভাবেই কিবোর্ডের (keyboard) মাধ্যমে “শব্দের ডাটা” যখন আপনি কম্পিউটারকে এক এক করে দিতে থাকেন, তখন সে আপনার দেয়া ডাটা বা নির্দেশাবলীর হিসেবে process করে আপনাকে application টি সঠিক ভাবে তৈরি করে দিতে থাকবে।

এখন যদি mouse এর কথা বলি, তাহলে মাউস ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারে বিভিন্ন application open করি, file open করা, file close করা, গান চালানো, internet browser open করা এবং এরকম অনেক কাজ মাউস দিয়ে করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দেই।

তাই, একটি কম্পিউটারকে বিভিন্ন কাজ দেয়ার জন্য বা কম্পিউটারকে কাজ করানোর জন্য, তাকে ইনপুট ডিভাইস গুলির মাধ্যমে আমরা “নির্দেশ (instructions)” দিতে পারি।

তাহলে, “ইনপুট ডিভাইস কি” এই প্রশ্নের উত্তর পেলেন তো ?

কম্পিউটারের কিছু ইনপুট ডিভাইস গুলি 

এমনিতে, ইনপুট ডিভাইস অনেক রয়েছে।

তবে, মূলভাবে কেবল কিছু ইনপুট ডিভাইস বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারে নির্দেশ বা ডাটা ইনপুট করতে পারি।

যেমন,

  • Keyboard
  • Mouse
  • Joysticks
  • Scanners
  • Microphones
  • Digital camera
  • Fingerprint scanner
  • Barcode reader

ইনপুট ডিভাইস এর প্রকার (Types of Input devices

এমনিতে বিভিন্ন প্রকারের ইনপুট ডিভাইস রয়েছে।

তবে, আমরা নিচে কিছু জরুরি এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যবহার হওয়া ইনপুট ডিভাইস এর প্রকার গুলির ব্যাপারে নিচে জেনে নিবো।

১. Keyboard

কীবোর্ড, কম্পিউটারের সব থেকে জরুরি এবং মুখ্য একটি ইনপুট ডিভাইস।

কম্পিউটারে সব রকমের লিখার সাথে জড়িত কাজ আমরা কীবোর্ড দিয়ে টাইপ করে লিখি।

একটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার সেট এর মধ্যে, সব থেকে বেশি ব্যবহার হওয়া hardware component হলো keyboard.

Keyboard ব্যবহার করে, আমরা কম্পিউটারে লিখা লিখির কাজ যেমন, text লিখা, article, application ও document লিখা, email করা এবং আরো সব ধরণের লেখা লেখির কাজ করতে পারি।

আপনারা যে আমার এই আর্টিকেলটি পড়ছেন, এটাও আমি keyboard দিয়ে type করে লিখেছি।

লিখা বা শব্দের মাধ্যমে কম্পিউটারকে ইনপুট ডাটা বা নির্দেশ দেয়ার জন্যে, কীবোর্ড ব্যবহার করা হয়।

২. Mouse

কম্পিউটার মাউস (mouse) হলো একটি কম্পিউটার ডিভাইস এর অনেক প্রয়োজনীয় একটি hardware component.

Mouse কে, cursor moving device বা pointing device এর নামেও বলা যেতে পারে।

অৱশ্যে, ল্যাপটপ বা ট্যাবলেট কম্পিউটার গুলিতে আলাদাভাবে mouse ব্যবহার না করলেও হয় যদিও, একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার, মাউস ছাড়া নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব।

তাই, একটি মাউস একটি কিবোর্ডের মতোই কম্পিউটারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং মুখ্য ইনপুট ডিভাইস বললে আমি ভুল হবোনা।

একটি mouse আমাদের হাথের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে ব্যবহার করতে হয়।

এবং, mouse এর দাঁড়া আমরা কম্পিউটারের স্ক্রিনে থাকা কার্সরটিকে (cursor) বিভিন্ন ক্ষেত্রে নির্দেশ (instructions) দিতে পারি।

Computer screen এ থাকা cursor icon টিকে নির্দেশ দেয়ার জন্য, cursor টিকে নিজের মন মতো করে কাজ করানোর জন্য, mouse এর ডান দিকে এবং বামদিকে দুটি button রয়েছে।

এই দুটি বাটন হলো “right click” এবং “left click” button.

তাছাড়া, scroll button নামের আরো একটি বাটন অবশই রয়েছে।

৩. Joystick 

একটি joystick হলো এক রকমের ইনপুট ডিভাইস, যেটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যবহার হয় কম্পিউটারে গেম খেলার জন্যে, CAD design করার জন্যে, simulation প্রশিক্ষণ এবং আরো অন্যান্য ক্ষেত্রে।

এটাও mouse এর মতোই একটি cursor controlling device বা pointing device তবে mouse থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।

এই ইনপুট ডিভাইসটি দেখতে একটু অন্যরকমের।

Joystick টি দেখতে একটি লম্বা লাঠির মতো যেই লাঠি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারের মনিটরে দেখতে পাওয়া “cursor” বা “pointer” টিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।

৪. Light pen 

Light pen হলো কম্পিউটারের একটি ইনপুট ডিভাইস, যেটা দেখতে একটি কলমের মতোই।

এইটা একটা printing এবং pointing device.

এর ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটার স্ক্রিনে directly লিখতে পারি, ছবি আঁকতে পারি এবং bar code reader হিসেবে ব্যবহার করতে পারি।

এই কলমের ভেতরে photocell এবং optical device থাকে।

Light pen একটি অনেক কাজের ইনপুট ডিভাইস হলেও, সাধারণ এই ডিভাইস অনেক কম পরিমানে ব্যবহার করা হয়।

৫. Scanner

Scanner প্রায় অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার হওয়া অনেক প্রচলিত একটি input device.

স্ক্যানার ব্যবহার করে, লিখিত কাগজ পত্র , চিত্র, magazine pages, posters গুলিকে digital photo বা digital document এ রূপান্তর করে কম্পিউটারে সুরক্ষিত ভাবে সেভ (save) করে রাখা হয়।

ফলে, প্রয়োজন হিসেবে ভবিষ্যতে যেকোনো সময় আপনি সেই ছবি, ডকুমেন্ট বা কাগজের ডিজিটাল চিত্রটি আবার ব্যবহার করতে পারবেন।

Scanner এর মাধ্যমে text document বা লিখিত কাগজ স্ক্যান করে সেটা আবার এডিট (edit) করে save করে রাখাটাও সম্ভব।

৬. Microphone 

Microphone হলো একটি ইনপুট ডিভাইস।

কম্পিউটারে বাইরের শব্দ (sound) ডিজিটাল ফরম্যাটে (digital format) রেকর্ড (record) করে রাখার জন্য microphone ব্যবহার করা হয়।

যেরকম আপনারা, voice recorder বা audio recorder ব্যবহার করেন, ঠিক সেভাবেই microphone ব্যবহার করে video তে নিজের voice দিতে পারবেন বা কেবল নিজের voice record করে audio file হিসেবে রাখতে পারবেন।

একটি microphone, শব্দ বা সাউন্ড গ্রহণ কোরে সেটা digital signal এ রূপান্তর (convert) করে আপনার কম্পিউটার device এ store বা save করে রাখে।

পরে, আপনার নির্দেশ অনুযায় record করে রাখা সেই digital signal ফাইলটিকে speaker বা sound box এর মাধ্যমে voice হিসেবে output দেয়।

 

তাহলে বন্ধুরা, কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস কাকে বলে (What Is Input Device In Bangla) এবং ইনপুট ডেভিস এর প্রকার গুলির ব্যাপারে আপনারা জানলেন তো ?

চলুন এখন আমরা আউটপুট ডিভাইস এর ব্যাপারে জেনেনেই।

আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে এবং আউটপুট ডিভাইস এর প্রকার সমূহ কি কি।

আউটপুট ডিভাইস (output device) কাকে বলে ?

Output device কাকে বলে (What is output device) এই প্রশ্নের উত্তর অনেক সোজা।

তবে আউটপুট ডিভাইস কি, এই ব্যাপারে সম্পূর্ণ ভালো ভাবে জেনে নেয়ার জন্য, ইনপুট ডিভাইস এর ব্যাপারে আগে ভালো করে বুঝতে হবে।

আমি ওপরে ইনপুট ডিভাইস এর বিষয়ে আগেই বলেছি।

তাহলে,

Output device হলো কম্পিউটারের এমন কিছু hardware components, যেগুলি ব্যবহার করে কম্পিউটারে থাকা বিভিন্ন ডাটা (data) আউটপুট হিসেবে পাওয়া যেতে পারে।

মানে, ইনপুট ডিভাইস গুলি ব্যবহার করে কম্পিউটারকে কাজ করার জন্য নির্দেশ বা তথ্য দেয়া হয়, এবং সেই নির্দেশ বা তথ্য গুলি প্রসেস (process) করে, output device গুলির মাধ্যমে কম্পিউটার আমাদের সমাধান বা উত্তর output হিসেবে প্রদান করে।

উদাহরণ স্বরূপে,

Printer হলো একটি আউটপুট ডিভাইস।

যখন আমরা কম্পিউটাকে, যেকোনো ডাটা, ফাইল বা ছবি, প্রিন্ট (print) করার জন্য নির্দেশ দেই, তখন সমাধান হিসেবে কম্পিউটার সেই printer (output device) এর মাধ্যমে তার মধ্যে থাকা সেই ডাটা, ছবি বা ফাইল, আউটপুট হিসেবে আমাদের প্রিন্টআউট বের করে দেয়।

তাই, ইনপুট ডিভাইস রয়েছে কম্পিউটারকে নতুন কাজের জন্য নির্দেশ বা ইনপুট দেয়ার জন্য।

কিন্তু,

আউটপুট ডিভাইস হলো এমন কিছু হার্ডওয়্যার, যেগুলি ব্যবহার করে কম্পিউটার আমাদের ইনপুটের জবাব বা সমাধান আউটপুট হিসেবে দিয়ে দেয়।

Output শব্দটিতে দুটি শব্দের মিশ্রণ রয়েছে।

  • Out
  • Put

Out মানে হলো বাইরে এবং put মানে হলো রাখা।

সম্পূর্ণ শব্দটির অর্থ হলো “বাইরে রাখা“.

মানে, কম্পিউটারে প্রসেস হওয়া প্রত্যেকটি ডাটা, এই output device গুলির মাধ্যমে কম্পিউটার বাইরে বের করে বা রাখে।

কিছু আউটপুট ডিভাইস এর উদাহরণ,

Monitor, printer, projector, speaker এবং আরো রয়েছে।

এই সব ধরণের hardware components বা device ব্যবহার করে কম্পিউটার তার মধ্যে থাকা বিভিন্ন ডাটা সময়ে সময়ে বের করে।

আউটপুট ডিভাইস এর  প্রকার (Types of output device)

এখানে আমরা, আউটপুট ডিভাইস এর প্রকার কিছুর ব্যাপারে কথা বলবো।

এমনিতে, আলাদা আলাদা রকমের আউটপুট ডাটা (output data) পাওয়ার জন্যে আমরা অনেক রকমের আউটপুট ডিভাইস ব্যবহার করতে পারি।

তবে, সব ধরণের আউটপুট ডিভাইস এর প্রকার এর ব্যাপারে একসাথে বলাটা সম্ভব না।

তাই, একটি কম্পিউটারে ব্যবহার করা কিছু মূল বা মুখ্য আউটপুট ডিভাইস গুলির ব্যাপারে আমি নিচে আপনাদের বলে দিচ্ছি।

১. Monitor 

মনিটর (monitor) দেখতে সম্পূর্ণ একটি টিভি (T.V) মতোই, তবে এর কাজ আলাদা।

আসলে, মনিটর ব্যবহার করে কম্পিউটার যেকোনো রকমের display output প্রদান করে।

এর ফলে, কম্পিউটারে প্রসেস হওয়া ডাটা (data) মনিটরের মাধ্যমে আমরা আমাদের চোখ দিয়ে দেখে নিতে পারি।

মনিটরকে কিছু অন্য নাম দিয়েও জানা যেতে পারে।

যেমন, display screen, video display terminal, display unit বা video screen.

Monitor সম্পূর্ণ কম্পিউটার ডিভাইস এর একটি অনেক জরুরি এবং প্রয়োজনীয় আউটপুট ডিভাইস, যেটা ছাড়া কম্পিউটার ব্যবহার করাটা আমাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পরে।

কারণ, একটি মনিটর ছাড়া visual display পাওয়া অসম্ভব এবং visual display ছাড়া আমরা কম্পিউটারে কোনো রকমের নির্দেশ বা ডাটা ইনপুট করতে পারবোনা।

HDMI cable, VGA cable বা DVI cable এবং port এর মাধ্যমে, একটি monitor কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা হয়, যার ফলে একটি কম্পিউটার আউটপুট হিসেবে visual display প্রদান করে।

মনিটর সাধারণ ভাবে ৩ প্রকারের হতে পারে।

  1. CTR monitor.
  2. LCD monitor.
  3. LED monitor.

২. Printer 

প্রিন্টার অনেক বেশি পরিমানে ব্যবহার করা একটি output device.

এর দ্বারা, কম্পিউটারে থাকা বিভিন্ন ডকুমেন্ট, টেক্সট ডাটা, ফাইল, ছবি বা picture কাগজের ওপরে প্রতিচ্ছাপ দিয়ে বা ছাপা (print) দিয়ে আমরা আউটপুট নিতে পারি।

কম্পিউটার থেকে যেকোনো ডাটা এভাবে কাগজের মাধ্যমে প্রিন্ট করার পর সেই কাগজের ফাইলটিকে “hard copy” বলা হয়।

Printers অনেক রকমের হতে পারে।

ক্ষমতা, প্রযুক্তি (technology), printing quality বা দাম হিসেবে, প্রিন্টার অনেক রকমের বাজারে আপনারা পেয়ে যাবেন।

যেমন,

  • Dot matrix printer
  • Laser printer
  • Thermal printer
  • Daisy wheel printer

৩. Screen projector 

Screen projector হলো একটি আউটপুট ডিভাইস।

এর মাধ্যমে, কম্পিউটারের ছোট স্ক্রিনে (screen) চলতে থাকা প্রত্যেক কার্যকলাপ (activity) বড় পর্দাতে বা বড় স্ক্রিনে দেখানো হয়।

স্ক্রিন প্রজেক্টরের মধ্যে কম্পিউটার স্ক্রিনের activity দেখানোর জন্য আলাদা রকমের কাপড়ের স্ক্রিন থাকে।

এই ধরণের projector screen সাধারণ মনিটর স্ক্রিনের তুলনায় আকারে অনেক বেশি বড় থাকে।

সাধারনে, যেকোনো presentation বা business meeting এ, কম্পিউটারের মাধ্যমে অনেক বড়ো সংখ্যায় লোকেদের PowerPoint বা slide show presentations দেখানোর জন্য, এই ধরণের screen projector ব্যবহার করা হয়।

৪. Speaker / Sound system

Speaker হলো এমন একটি জরুরি output device, যেটা ছাড়া আমরা কম্পিউটার থেকে কোনো রকমের শব্দের আউটপুট পাবনা।

মানে, কম্পিউটার থেকে শব্দ (sound) এর আউটপুট পাওয়ার জন্য আমাদের একটি speaker বা sound system এর প্রয়োজন।

যখন আমরা mouse বা keyboard ব্যবহার করে, কম্পিউটারকে গান চালানোর নির্দেশ দেই, তখন কম্পিউটার সেই input data বা নির্দেশ প্রসেস করে, speaker এর মাধ্যমে আমাদের গানের / শব্দের output দিয়ে দেয়।

তবে, ল্যাপটপের ক্ষেত্রেও কিন্তু speaker বা sound system থাকে।

সেটা আলাদা ভাবে বাইরের দিকে থাকেনা যদিও, আপনার ল্যাপটপের ভেতরের দিকে লাগানো থাকে।

 

আমাদের শেষ কথা,

আমি সব সময় আপনাদের সম্পূর্ণ সঠিক এবং কাজের তথ্য দেয়ার চেষ্টা করি।

এবং, কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইসআউটপুট ডিভাইস কাকে বলে (what is input device) & (What is output device in bangla), কম্পিউটারে কত প্রকারের ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস রয়েছে, এই বিষয় নিয়েও যতটা সম্ভব তথ্য আমি আপনাদের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে দিলাম।

তবে, মনে রাখবেন যে এমনিতে, আউটপুট ও ইনপুটডিভাইসের প্রকার অনেক।

মানে, অনেক প্রকারের input এবং output device রয়েছে।

তাছাড়া, প্রযুক্তি (technology) যতটা এগিয়ে যেতে থাকবে ততটাই নতুন নতুন device ও hardware আসতেই থাকবে।

কিন্তু, একটি কম্পিউটারে জরুরি ও প্রচলিত যতগুলি আউটপুট ও ইনপুট ডিভাইস রয়েছে, সেগুলির ব্যাপারে আমি অবশই বলেছি।

Related Contents:

3 thoughts on “ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে ? প্রকার এবং উদাহরণ”

  1. আমি ৪ মাস ধরে ব্লগ সাইট ব্যবহার করছি ৬০+ পোষ্ট আছে। প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ ভিজির্টস আসে ফেসবুক থেকে। info ডোমেন কিনছি। তার পর এডসেন্স এর জন্য আবেদন করার সাইন আপ অপশন আসতেছে না। আমার সাইট লিংক abcmediabd.info দয়াকরে দেখে জানাবেন?

  2. আমার একটি ব্লগার ওয়েবসাইট আছে। সেখানে ৬০+ পোষ্ট আছে। আমি চাচ্ছি আমার এই ব্লগ ওয়েবসাইটটা বাদ দিয়ে নতুন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে এই ব্লগসাইটের পোষ্ট গুলো নতুন ওয়েবসাইটে পাবলিশ করবো। এবং পুরোনো ব্লগ সাইটটি ডিলেট করে দদিবো।এতে করে কি কোনো সমস্য হবে? আর এতে আমি কি গুগল এডসেন্স পাবো? দয়াকরে জানাবেন?

    1. কখনো এই ভুল করবেননা। আপনার পুরোনো ব্লগটি ভালো করে তৈরি করুন। পুরোনো ব্লগের কনটেন্ট নতুন ব্লগে পাবলিশ করলে, সেটা গুগল এবং গুগল এডসেন্সের নজরে COPIED CONTENT হিসেবে ধরা হবে। ফলে, এডসেন্স এপ্রভাল পাওয়া দূরের কথা, আপনি গুগল থেকেও ট্রাফিক পাবেননা।
      যদি, নতুন ব্লগ তৈরি করার কথা ভাবছেন, তাহলে পুরোনো ব্লগের কনটেন্ট বা আর্টিকেল সেখানে আনবেননা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *