(সেরা ১৭) বর্তমান সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনগুলো ?

“বর্তমানে কোন ব্যবসায় লাভ বেশি ?”,সেরা কিছু লাভজনক ব্যবসা কোনগুলো ?”, আজকে আমরা এই বিষয়গুলো নিয়েই কথা বলবো।

Best business ideas in Bangla.

আমার আপনার এবং প্রত্যেকের মনেই ব্যবসা নিয়ে অনেক প্রশ্ন অবশই থাকে। 

তবে, যখন একটি নতুন business করার চিন্তা করা হয়, তখন আমাদের মাথায় ব্যবসা নিয়ে একটি সাধারণ প্রশ্ন অবশই আসে।

সেটা হলো,

বর্তমান সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনগুলো” ?

কি আসে তো ?

এমনিতে বর্তমানে,

নানান ধরণের ব্যবসার ওপরে “কোরোনা ভাইরাস (corona virus)” এর খুব খারাপ প্রভাব অবশই পড়েছে।

আর যার ফলে, বিভিন্ন businesses বা organization এর ভারী ক্ষতি হয়েছে।

যেমন, 

  • Restaurant business
  • Food delivery business
  • Fast food stall business
  • Import export
  • Investment / consultancy
  • Shopping mall, cinema hall
  • Electronics business 
  • Small scale organization

এবং, আরো অনেক ধরণের ব্যবসা রয়েছে যেগুলো এই corona virus এর খারাপ প্রভাবের ফলে বর্তমানে প্রচুর খারাপ পরিস্থিতিতে রয়েছে।

যার ফলে, কর্মচারীদের ভালো করে মাইনে দেওয়া হচ্ছেনা আবার অনেক ক্ষেত্রে কর্মচারীদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করে দেওয়া হচ্ছে।

ফলে, products এবং services গুলোর কেনাকাটা প্রচুর পরিমানে  কমে এসেছে।

সোজা কথায়, লোকেদের কাছে যখন চাকরি নেই, মাইনে পাচ্ছেননা বা ব্যবসা চলছেনা, তখন তারা কেনাকাটা করবেন কিভাবে।

তাই তো ?

আর জেনেরাখুন,

এখনো corona virus এর ভয় সম্পূর্ণ শেষ হয়নি এবং নানান বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে, “এখন আরো কিছু সময় আমাদের এভাবেই থাকতে হবে”.

এই ক্ষেত্রে, 

যারা বর্তমান সময়ে একটি নতুন ব্যবসা শুরু করতে চাচ্ছেন, তাদের কিন্তু প্রচুর সতর্ক হয়ে কাজ শুরু করতে হবে।

বর্তমানে আপনার জন্যে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটা হতে পারে, সেটা নিয়ে কিন্তু আপনার বিচার বিবেচনা অবশই করাটা জরুরি।

কারণ, এখন আর আগের মতো সাধারণ জীবন আমাদের নেই।

এখন আমাদের কোরোনার (corona) সাথে লড়াই করে এগিয়ে চলতে হবে।

তাই, আজকের এক ছোট্ট আর্টিকেলে আমি এমন কিছু লাভজনক ব্যবসার বিষয়ে বলবো, যেগুলো বর্তমান সময়েও শুরু করা যেতে পারে।

নিচে বলা প্রত্যেকটি, “লাভজনক ব্যবসার ধারণা (profitable business ideas) গুলো” আপনার কাজে অবশই আসবে।

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার ধারণা গুলো – (সেরা ১৭)

এমনিতে, যখন প্রশ্ন করা হতো যে “কোন ব্যবসায় লাভ বেশি ?”, তখন খাবারের সাথে জড়িত ব্যবসার পরামর্শ আমি অবশই দিতে ভালো পেতাম।

কারণ, খাবার খেতে লোকেরা অনেক পছন্দ করেন এবং এই ব্যবসাতে লাভ প্রচুর।

কিন্তু, এই খাবারের ব্যবসা যারা করছিলেন তাদের অবস্থা কিন্তু বর্তমানে শোচনীয়।

কারণ, corona virus এর ভয়ে বাইরের খাবার লোকেরা গ্রহণ করছেননা।

তাই, বর্তমানের পরিস্তিতি দেখে খাবারের সাথে জড়িত ব্যবসা করার পরামর্শ আমি দিবোনা।

তবে হতাশ হবেননা।

আমাদের কাছে এখনো অনেক ধরণের লাভজনক ব্যবসার ধারণা রয়েছে, যেগুলো করে প্রচুর সফলতা পাওয়া যেতেই পারে।

তাহলে চলুন জেনেনেই বর্তমানে কোন ১৭ টি ব্যবসা সবচেয়ে লাভজনক।

17 Profitable business ideas (2020-2022)

বন্ধুরা, নিচে আমি কেবল আপনাদের ব্যবসা গুলোর বিষয়ে সাধারণ ভাবে জানিয়ে দিবো।

অধিক তথ্যের জন্য, ব্যবসা গুলোর বিষয়ে গুগলে সার্চ করতে পারবেন।

১. E-commerce / online selling business

বর্তমান সময়ে সব থেকে লাভজনক ব্যবসা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে online selling business বা e-commerce business.

তবে, এর কারণ রয়েছে।

আজ লোকেরা ঘরে বসেই মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে অনলাইনে শপিং করতে অধিক রুচি রাখেন।

তাছাড়া, গ্রাহকেরা যেকোনো সময় যেকোনো product অনলাইনেই order করতে পারেন।

Online e-commerce ব্যবসা মানে হলো, নিজের product এবং services গুলোকে অনলাইনে বিক্রি করা।

এখন এই ক্ষেত্রে, আপনার একটি দোকানের প্রয়োজন হয়না।

প্রথম অবস্থায় নিজের ঘরেই বসে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

আপনি যেকোনো একটি বিশেষ পণ্য বা এক থেকে অধিক পণ্য নিয়ে অনলাইনে কাজ শুরু করতে পারবেন।

একটি e-commerce ওয়েবসাইটের মাধ্যমে, আপনি বিশ্বের যেকোনো জায়গার থেকে order তুলতে পারবেন ও products sell করতে পারবেন।

এই ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন হবে,

  • নিজের একটি online e-commerce website এর।
  • কি কি পণ্য অনলাইন বিক্রি করবেন সেটা ঠিক করতে হবে।
  • Products গুলো নিজের ওয়েবসাইটে লিস্ট করতে হবে।
  • প্রথম অবস্থায় অল্প পরিমানে products তুলে রাখলেই হবে।
  • নিজের ওয়েবসাইটের মার্কেটিং করে লোকেদের জানাতে হবে।
  • গ্রাহকেরা order করলে, তাদের কাছে পণ্য পাঠাতে হবে।

মনে রাখবেন, এই ব্যবসাতে সফল হতে পারলে কিন্তু প্রচুর টাকা।

তাছাড়া, বিভিন্ন দেশে বর্তমানে বিশেষ ভালো কোনো online e-commerce store এখনো নেই।

তাই, দেরি করবেননা। সুযোগের লাভ তাড়াতাড়ি নিয়ে নিন।

২. Mobile repairing services

বর্তমান হোক কি ভবিষ্যৎ, লোকেরা smartphone ব্যবহার করাটা কখনোই ছাড়বেনা।

যখন লোকেরা মোবাইল ব্যবহার করছেন, তখন সেগুলোতে সমস্যা অবশই দেখা দিয়ে থাকবে।

আর তাই, যদি আপনারা mobile repairing এর সেবা দেওয়ার ব্যবসা শুরু করতে পারেন, তাহলে সেটা অবশই লাভজনক হবে।

বর্তমানে, mobile repairing এর courses আপনারা অনলাইনে করে নিতে পারবেন।

এবং, ২ মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণটা আপনারা শিখে নিতে পারবেন।

আর তারপর, একটি ছোট দোকান নিয়ে বা নিজের ঘরে বসে বা ঘরে ঘরে গিয়েও মোবাইল রিপেয়ারিং এর সেবা দিতে পারবেন।

বর্তমানে, যেকোনো গ্রাহকের থেকে মোবাইল রিপেয়ারিং এর বদলে কমেও ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা নেওয়া হয়।

তাহলে ভাবুন, মাসে কতটা টাকা আয় করার সুযোগ আপনার কাছে থাকছে।

৩. Computer / laptop repairing business

মোবাইল রিপেয়ারিং এর মতোই, কম্পিউটার রিপেয়ারিং এর ব্যবসাতেও প্রচুর টাকা।

তবে, এই ক্ষেত্রে আপনার ৩ মাস ভালো করে computer repairing এর কাজ শিখে নেওয়াটা ভালো হবে।

কাজ শিখে, আপনি অনেক সহজেই নিজের একটি কম্পিউটার রিপেয়ারিং এর দোকান দিতে পারবেন।

বর্তমান সময়ে, computer এবং laptop এর ব্যবহার প্রায় প্রত্যেক ঘরে ঘরেই করা হয়।

তাই, বর্তমানে এই ব্যবসার থেকে প্রচুর লাভ আয় করার সুযোগ রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

৪. Mask manufacturing & selling

করোনা ভাইরাস (corona virus) থেকে নিজেকে এবং নিজের প্রিয়জনদের বাঁচিয়ে রাখার ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রত্যেকেই মাস্ক (mask) ব্যবহার করছেন।

এবং, এর সাথে সাথেই মাস্ক এর একটি অনেক বড় ব্যবসার সুযোগ আমাদের জন্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আমি এবং আপনি প্রত্যেকেই জানি যে, কোরোনার বিপদ এতটা সহজে আমাদের কাছ থেকে চলে যাবেনা।

আর তাই, যদি আপনি মাস্ক (mask) তৈরি করে সেগুলো বাজারে বিক্রি করতে পারেন, তাহলে কিন্তু লাভ অবশই রয়েছে।

বর্তমানে, প্রচুর লোকেরা এই সুযোগের লাভ অবশই নিয়ে নিচ্ছেন।

আর আপনি চাইলে আপনিও এই ব্যবসা অনেক তাড়াতাড়ি শুরু করে লাভ নিতে পারবেন।

৫. Job consultancy business

এই ব্যবসা ভারতে (India) প্রচুর লাভজনক।

কারণ, এখানে লোকেরা চাকরি পাওয়ার জন্য প্রচুর ইচ্ছুক।

আর তাই,

কিছু job consultancy organization গুলোর মাধ্যমে অনেক তাড়াতাড়ি বিভিন্ন রকমের চাকরি আমরা এখানে খুঁজে পাই।

যেকোনো দেশেই লোকেরা তাড়াতাড়ি চাকরি পাওয়ার জন্য প্রচুর ইচ্ছুক থাকেন।

আর তাদের এই ইচ্ছা তৈরি করে একটি লাভজনক ব্যবসার সুযোগের।

আপনি একটি job consultancy service শুরু করে, লোকেদের চাকরি দেওয়ার কাজ করতে পারবেন।

বিভিন্ন company বা organization এর সাথে আপনার পরিচয় রাখতে হবে।

এবং, যখনি সেগুলোতে চাকরির ক্ষেত্রে জায়গা খালি থাকবে, তখন আপনি নিজের clients দের সেখানে পাঠাতে পারবেন।

আপনার clients তারা, যারা চাকরি পাওয়ার উদ্দেশ্যে আপনার কাছে এসেছে।

শেষে চাকরি দেওয়ার পর আপনি, “company” এবং আপনার “client” দুজন থেকেই একটি commission আয় করে নিতে পারবেন।

মনে রাখবেন,

বর্তমানে ভালো একটি চাকরি পাওয়ার জন্য, লোকেরা সাধারণ পরিমানের একটি কমিশন দিতে অবশই রাজি থাকবেন।

তাই, নিজের একটি job consultancy ব্যবসার লাভ কিন্তু প্রচুর।

৬. Web designing company

এখনের এই আধুনিক সময়ে, প্রত্যেকেই নিজের একটি personal, professional বা corporate website তৈরি করার ইচ্ছা রাখেন।

এবং তাই, বর্তমানে website design করার business এবং industry প্রচুর পরিমানে লাভজনক।

আজ প্রত্যেক ছোট বড় company বা firm নিজের ব্যবসার সাথে জড়িত website অবশই তৈরি করে রাখেন।

এতে, গ্রাহক বা উপভোক্তার সাথে সহজেই এবং সুবিধাজনক ভাবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ করাটা সম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

তাই, যদি আপনারা আমাকে জিগেশ করেন যে, বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটা ?

তাহলে, আমার উত্তর হবে “web designing agency বা company” ব্যবসা।

কম টাকায় এই ব্যবসা শুরু করতে হলে,

আপনি নিজেই web designing এর কাজ শিখে, নিজের clients দের জন্যে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন।

আর যদি, অনেক বেশি টাকা লাগিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে চাচ্ছেন, তাহলে কিছু web designer দের চাকরি দিয়ে তাদের মাধ্যমে কাজ করতে পারবেন।

৭. Cyber security company

বর্তমানে যেরকম অধিক পরিমানে website এবং application তৈরি করা হচ্ছে, ঠিক সেভাবে সেগুলোকে ক্ষতি করার চেষ্টাও অনেকে করেন।

যেমন, বিভিন্ন হ্যাকাররা নিজের লাভের উদ্দেশ্যে বড় বড় কোম্পানি গুলোর website বা computer হ্যাক করেন।

এই ক্ষেত্রে, company এবং organization গুলো নিজেদের computer এবং network গুলোকে হ্যাক হওয়ার থেকে বাঁচিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে “cyber security services” এর ব্যবহার করেন।

Cyber security agency গুলোর কাজ হলো, “hacker রা যাতে কোম্পানি গুলোর computer বা network গুলোকে hack করতে না পারে” সেই উদ্দেশ্যে কাজ করা।

এবং, বর্তমান সময়ে অনেক কম শংখন cyber security agency রয়েছে।

বিশ্বাস করুন, এই ব্যবসার চাহিদা বর্তমানে প্রচুর এবং আসছে সময়েও অধিক বেড়ে যাবে।

তবে, একটি cyber security agency বা company খুলতে কিছু টাকার প্রয়োজন অবশই থাকছে।

৮. Blogging business

ইন্টারনেট থেকে আয় করার সব থেকে লাভজনক মাধ্যম হিসেবে ব্লগিং (blogging) কে ধরা হয়।

আজ থেকে ১ বছর আগে আমিও চাকরি করতাম।

কিন্তু এখন, এই ব্লগিং ব্যবসার মাধ্যমে আমি ঘরে বসেই চাকরির থেকেও অধিক টাকা আয় করছি।

এমনিতে, বর্তমানে আমি ব্লগ থেকে কত টাকা আয় করছি, সেই বিষয়েতো আমি আগেই আপনাদের বলেছি।

বন্ধুরা, আপনারা যদি টাকা ছাড়া একটি লাভজনক ব্যবসা করতে চান, তাহলে blogging হলো সেরা মাধ্যম।

আজ, দেশ বিদেশে হাজার হাজার লোকেরা ব্লগিং করে অনলাইন ডলারে ($) টাকা আয় করছেন।

আর, ব্লগিং জেকেও শুরু করতে পারে।

তবে হে, প্রথমে আপনার অল্প ধার্য ধরে কাজ করতে হবে।

একবার সফল হতে পারলে, আপনার জীবন বদলে দিতে পারবে এই blogging এর ব্যবসা।

প্রত্যেক মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছেন বিভিন্ন blogger রা।

তবে, ভালো করে ব্লগিং করলে, Google adsense এর মাধ্যমে মাসে Rs.১০,০০০/- থেকে Rs.১৫,০০০/- মিনিমাম একটা ইনকাম আজকাল প্রত্যেকেই করছেন।

নিচে আমি ব্লগিং এর সাথে রিলেটেড কিছু আর্টিকেল দিয়ে দিচ্ছি,

৯. Digital marketing agency

বর্তমান সময়ে প্রত্যেকেই নিজেদের business, products বা services গুলোকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রচার ও মার্কেটিং করার ইচ্ছা রাখেন।

এই online marketing করার চাহিদার ক্ষেত্রে নানান company ও organization গুলোর প্রয়োজন হয় একটি digital marketing agency র।

আজ আমরা যেকোনো social media platform যেমন, Facebook, Instagram বা Twitter এ গেলে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখতে পাই।

এবং, সেই বিজ্ঞাপন গুলোতে কোনো না কোনো কোম্পানির পণ্য বা সেবার উল্লেখ করা হয়।

এই ধরণের online মার্কেটিং এর technical কাজ গুলো জেকেও করতে পারেনা।

তাই, একটি digital marketing agency হিসেবে আপনি নানান business এবং organization গুলোর ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা পূরণ করতে পারবেন।

তাদের products এবং services গুলোকে ইন্টারনেটে বিভিন্ন মাধ্যমে marketing করিয়ে তার বিনিময়ে টাকা নিতে পারবেন।

বর্তমান সময়ে, ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সী অনেক পরিমানে কম রয়েছে।

আর ভবিষ্যতে, এর চাহিদা আরো অনেক গুনে বেড়ে যাওয়ার প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে।

১০. YouTube as a business

বর্তমান সময়ে, YouTube কিন্তু একটি অনেক লাভজনক ক্যারিয়ার অপসন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আশা করছি, আপনারা সবাই হয়তো YouTube এর বিষয়ে অবশই জানেন।

Blogging এর মতোই YouTube, online content তৈরি করার সাথে জড়িত এক ধরণের ব্যবসা।

এখানেও আপনারা online advertisements এর মাধ্যমে প্রচুর ইনকাম করতে পারবেন।

এখানে নিজের তৈরি করা videos upload করে লোকেরা মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছেন।

আজ India, Bangladesh, Nepal, US ইত্যাদি যেকোনো দেশে লক্ষ লক্ষ ইউটিউবাররা প্রত্যেক মাসে ডলারে টাকা আয় করছেন।

এবং বর্তমানে কোনো টাকা ছাড়া ঘরে বসে অনলাইন টাকা আয় করার ব্যবসা গুলোর মধ্যে “YouTube এর business” সেরা।

আপনিও পারবেন।

নিচে YouTube থেকে আয় করার বিষয় গুলো নিয়ে আমি কিছু আর্টিকেল দিয়ে দিচ্ছি।

১১. Application development company

বর্তমান সময়ে যতটা চাহিদা একটি website এর রয়েছে, তার থেকে অনেক বেশি চাহিদা application (apps) এর।

কারণ, apps এর মাধ্যমে লোকেরা সহজেই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন।

আর, একজন সাধারণ ব্যক্তির থেকে শুরু করে কোম্পানি অবধি প্রত্যেকেই নিজের একটি app তৈরি করার ইচ্ছা রাখেন।

তাই, আপনি একটি mobile application development এবং designing company বা agency শুরু করতে পারবেন।

প্রচুর লোকেরা নিজের একটি app তৈরি করতে চান।

কিন্তু, mobile app তৈরি করার ক্ষেত্রে তারা একটি ভালো app developer খুঁজে পাননা।

তাই, এই app development business আমার হিসেবে একটি অনেক লাভজনক ব্যবসার ধারণা।

১২. Event management company

Event management ব্যবসাকে একটি অনেক profitable business idea হিসেবে সব সময় ধরা হয়।

বর্তমানে, একটি marriage function হোক, company product launch, personal বা corporate functions, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই একটি event management agency র প্রয়োজন হয়ে থাকে।

কেননা, বর্তমানে টাকা প্রত্যেকের কাছে আছে তবে সময় নেই।

আর তাই, যেকোনো ধরণের function, party বা event গুলোকে পরিচালনা (manage) এবং setup করার ক্ষেত্রে, এই event management company গুলোর সাহায্য নেওয়া হয়।

তাই, যদি আপনার দেশে বা শহরে একটি ভালো event management company নেই, তাহলে এই ব্যবসা আপনার জন্যে প্রচুর লাভজনক হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে।

১৩. T-shirt printing business

যেকোনো বয়েসের ছেলে মেয়েরা t-shirt পড়তে অনেক ভালো পান।

এবং, যেকোনো জায়গাতে আলাদা আলাদা রকমের t-shirt (গেঞ্জি) এর চাহিদা আগেও ছিল এবং এখনো রয়েছে।

তাই, আপনি একটি t-shirt printing এর ব্যবসা অবশই শুরু করে ভালো ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন।

সাদা বা এক রঙের গেঞ্জি গুলোতে সুন্দর সুন্দর ও আকর্ষণীয় ছবি বা লেখা প্রিন্টিং (printing) করে, সেগুলো বাজারে ভালো দামে বিক্রি করতে পারবেন।

একটি, t- shirt printing করার ক্ষেত্রে আপনার বেশি টাকার প্রয়োজন হয়না।

যদিও এই ব্যবসার থেকে লাভ প্রচুর হওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর।

৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকার ভেতরে একটি ভালো t-shirt printing machine কিনে নিতে পারবেন।

১৪. Dry fruits supply

আমাদের মধ্যে প্রায় প্রত্যেকেই কাঁচা ফল (fruits) খেয়ে অনেক ভালো পাই।

তাই তো ?

কিন্তু আবার, শুকনো ফলের যাকে ইংরেজিতে বলা হয় “dry fruits” এর চাহিদা কিন্তু প্রচুর।

আপেল, কমলা, কোলা, আঙ্গুর, লিচু ইত্যাদি বিভিন্ন ফল গুলোকে শুকিয়ে বাজারে বিক্রি করা হয়।

এখন, এরকম dry fruits এর চাহিদা প্রচুর থাকলেও বাজারে কিন্তু তেমন পরিমানে উপলব্ধ থাকেনা।

যার ফলে, একটি অনেক লাভজনক ব্যবসার সুযোগ আমাদের জন্য হয়ে দাঁড়ায়।

আপনি, বিভিন্ন ফল গুলোকে শুখিয়ে সেগুলোকে নিজের কোম্পানির ব্র্যান্ড এর সাথে প্যাকেটিং করে বাজারে বিক্রি করতে পারবেন।

এমনিতে, fruits গুলোকে dry করার এক বিশেষ ধরণের machine থাকে যেগুলো সহজেই কিনে নিতে পারবেন।

১৫. Fitness center (Gym)

এমনিতে বর্তমানে প্রত্যেকেই কম কাজ করার পর নিজেদের শরীরের প্রতি যত্ন অবশই নেওয়ার কথা চিন্তা করে থাকেন।

এবং, এই ক্ষেত্রে একটি ভালো fitness center বা Gym এর চাহিদা আগের থেকেই রয়েছে।

তাছাড়া, সরকারি ভাবেও অনেক বার বলা হয়েছে যে, করোনা ভাইরাস থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যে, আমাদের শরীরের immunity ভালো রাখতে হবে।

এবং, শরীরের immunity ভালো রাখার ক্ষেত্রে, “physical exercise” এর প্রয়োজন অবশই হয়।

তাই, আপনি যদি বর্তমানে একটি লাভজনক ব্যবসার ধারণা খুঁজছেন, তাহলে “fitness center” বা “Gym” এর বিষয়টি নিয়ে ভাবতে পারেন।

এই ধরণের ব্যবসাতে একবার টাকা লাগিয়ে চিরকাল লাভ আয় করা যেতে পারে।

১৬. Tissue paper manufacture business

আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ লোকেদের মাথায় এই ধরণের ব্যবসার ধারণা আসেনা।

আমরা ভাবি tissue paper এর মতো সাধারণ জিনিসের ব্যবসা করে কত টাকা লাভ আর হবে।

কিন্তু জেনে রাখুন, tissue paper manufacturing business এর মাধ্যমে প্রচুর টাকা আয় করা সম্ভব।

আজ আমরা যেকোনো restaurant, hotel, office ইত্যাদি জায়গা গুলোতে গেলে tissue paper এর ব্যবহার দেখতে পাই।

এবং প্রত্যেকদিন, হাজার হাজার বান্ডিল tissue paper এর বিক্রি ও ব্যবহার হচ্ছে।

তাই, আপনি যদি কম টাকা লাগিয়ে অধিক টাকা আয় করতে চাচ্ছেন, তাহলে এই ব্যবসার কথা একবার ভেবে দেখুন।

Tissue paper তৈরি করার মেশিন প্রায় ২ লক্ষ টাকার ভেতরেই আপনারা পেয়ে যাবেন।

তাছাড়া, আপনার ঘরে যদি ভালো জায়গা রয়েছে, তাহলে এই কাজ নিজের ঘর থেকেই করতে পারবেন।

১৭. Mutual fund agent / distributor

আগেকার সময়ে আমাদের বাবা কাকারা টাকা জমানোর ক্ষেত্রে bank recurring বা saving account এর ব্যবহার করতেন।

তবে, বর্তমান সময়ে বিনিয়োগের (investment) আধুনিক উপায় হলো “mutual funds”.

Mutual funds এর মাধ্যমে টাকা বিনিয়োগ করে অধিক profit আয় করার ইচ্ছা বর্তমানে প্রত্যেকের মধ্যে থাকে।

তাই, আপনি একজন mutual fund distributor হিসেবে নিজের business শুরু করতে পারবেন।

আপনি, বিভিন্ন কোম্পানির মিউচুয়াল ফান্ড গুলোতে লোকেদের টাকা ইনভেস্ট (invest) করিয়ে ভালো পরিমানের কমিশন আয় করতে পারবেন।

বর্তমান সময়ে, ভারতে প্রচুর মিউচুয়াল ফান্ড ডিস্ট্রিবিউটর রয়েছেন, যারা অনেক ছোট থেকে কাজ শুরু করে এখন কোটি কোটি টাকার মালিক।

তাই, যদি আপনার দেশে বা শহরে mutual fund investment এর চাহিদা রয়েছে, তাহলে এই ব্যবসা করতে পারবেন।

অন্যান্য কিছু লাভজনক বিজনেস আইডিয়া

  • Import export business
  • Car / bike ধোয়া ও পরিষ্কার করার সেবা। 
  • Printing press 
  • Paper manufacturing 
  • Envelop & file manufacturing 
  • Biscuit manufacturing
  • কলমের রিফিল তৈরি করার ব্যবসা।
  • প্লাষ্টিক বোতল তৈরি করার ব্যবসা।

এগুলো ছিল অন্যান্য কিছু ব্যবসা যেগুলো বর্তমানে করলে প্রচুর লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

আমাদের শেষ কথা,

তাহলে বন্ধুরা, আজকে আমরা জানলাম যে বর্তমানে কোন কোন ব্যবসায় লাভ বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তার কিছু ধারণার বিষয়ে।

এমনিতে, আরো অনেক ধরণের ম্যানুফ্যাকচারিং ব্যবসা রয়েছে, যেগুলো আপনারা করতে পারবেন।

তবে, আমি ওপরে আমার নিজের হিসেবে কিছু profitable business গুলোর বিষয়ে বললাম।

আশা করছি, ব্যবসার ধারণা গুলো আপনাদের অবশই পছন্দ হবে।

আমার সব সময় এটাই চেষ্টা থাকে যাতে আমি আপনাদের সম্পূর্ণ সঠিক ও কাজের তথ্য প্রদান করতে পারি।

তবে, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে, নিচে কমেন্টের মাধ্যমে অবশই জানিয়ে দিবেন।

অবশই পড়ুন –

 

0 Shares

A Blogger & Author ! Rahul Das is recognized as a technology Blogger who founded "BanglaTech" & "SidhaJawab". He is passionate about blogging. ❤️

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error:
Scroll to Top
Copy link
Powered by Social Snap