বন্ধুরা, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি (what is social media marketing), কেন করা হয় এবং এই মার্কেটিং প্রক্রিয়ার লাভ কি, এসব ব্যাপারে হয়তো আপনাদের মনে একবার হলেও প্রশ্ন এসেছে। এমনিতে, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং হলো ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital marketing) এর একটি ভাগ বা প্রকার। এবেপারে আমি আপনাদের আগেই বলেছি।

আপনারা সোশ্যাল মিডিয়া (social media) বললে কি বোঝায়, সেটা অবশই জানেন। হে, প্রত্যেক দিন মোবাইলে বা কম্পিউটারে ব্যবহার করা “Facebook“, “Twitter“, “Instagram“, “YouTube” এগুলি হলো কিছু বিখ্যাত সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি
What is social media marketing in Bangla ?

এই বিখ্যাত এবং এদের মতোই আরো অনেক সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম (social media platform) ব্যবহার কোরে, আমরা বিভিন্ন চেনা অচেনা লোকেদের সাথে কথা বলি, ছবি, ভিডিও এবং স্ট্যাটাসের মাধ্যমে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করি।

কিন্তু, আজ অনেক ক্ষেত্রে, এই সোশ্যাল মিডিয়া গুলি, “অনলাইন মার্কেটিং” (online marketing) এর এক অনেক শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবং, products, brands, services এগুলির প্রোমোশনের জন্য এদের ব্যবহার হচ্ছে।

অনলাইন মার্কেটিং, এমন এক মার্কেটিং এর মাধ্যম যেখানে আমরা অনলাইন ইন্টারনেটে সক্রিয় থাকা লোকেদের কাছে নিজের পণ্য (product), সার্ভিস, বিসনেস (business) বা যেকোনো জিনিস প্রচার বা promotion করে সেবিষয়ে তাদের জানাতে পারি বা পণ্যের জন্য ক্রেতা (customer) পেয়ে যেতে পারি।

এখন, ইন্টারনেটে অনলাইন সক্রিয় থাকা লোকেদের মধ্যে অনেক বড়ো সংখ্যায় লোকেরা social media platform গুলি ব্যবহার করেন। তাই, এই Facebook, Twitter, Instagram, YouTube আর এরকম বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলিতে পণ্য বা ব্যবসা প্রচার করাটা অনেক লাভজনক প্রমাণিত হচ্ছে।

এতে, ঘরে বসে থাকা লোকেরাও আপনার প্রচার বা মার্কেটিং করা business, product বা service অনেক সহজেই দেখেনিতে পারবেন। আর, পুরোটাই হবে ইন্টারনেট এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে।

আজ, প্রত্যেকটি কোম্পানি বা ব্র্যান্ড (brand) এর social media profiles রয়েছে। তারা, Facebook page, twitter page বা YouTube channel এর মাধ্যমে তাদের পণ্য (product), service, business বা brand এর promotion করছেন ইন্টারনেটে সক্রিয় থাকা সেই অসংখক লোকেদের কাছে।

এই মাধ্যমে পণ্যের প্রচার অনেক সহজ এবং অনেক কম সময়ে যেকোনো জিনিসের প্রচার বা মার্কেটিং করা যেতে পারে।

তাহলে, আপনার যদি একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট রয়েছে বা আপনি একটি ব্যবসার মালিক যে নিজের পণ্যের promotion বা marketing করতে চান, তাহলে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলিতে প্রোফাইল বা পেজ তৈরি করে “সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং” এর মাধ্যমে প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের মার্কেটিং করতে পারবেন এবং ক্রেতা (customer) ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন।

অবশই পড়ুন :


সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি ? (What Is Social Media Marketing)

সোজা ভাবে বললে, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM) হলো এমন এক টেকনিক বা প্রক্রিয়া, যেখানে বিভিন্ন আলাদা আলাদা Social Media Platform যেমন, Facebook, YouTube, Instagram, LinkedIn এবং আরো অন্যান্য প্লাটফর্ম গুলিতে সক্রিয় থাকা লোকেদের লক্ষ্য (target) করে, পণ্যের গুণমান সচেতনতা (product brand awareness) ছড়ানো হয় বা বিভিন্ন product, service এবং business এর প্রচার (marketing) করা হয়।

এই মার্কেটিং এর প্রক্রিয়াতে অনলাইন বা ইন্টারনেটে সক্রিয় থাকা অসংখক লোকেদের টার্গেট (target) করা হয়। এবং তাই, একে ডিজিটাল মার্কেটিং এর সব থেকে সেরা মাধ্যম হিসেবে ধরা হয়। ডিজিটাল মার্কেটিং কি, এবেপারে আমি আগেই আপনাদের বলেছি।

Social media advertisement এর মাধ্যমে, আপনি যেকোনো ব্র্যান্ড, জিনিস বা সার্ভিস, বিশ্বের যেকোনো জায়গায় অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রমোশন বা প্রচার করতে পারবেন।

কেননা, ইন্টারনেট ব্যবহার করা লোকেদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে, লোকেরা এই সোশ্যাল মিডিয়া সাইট বা এপস গুলিও অধিক পরিমানে ব্যবহার করছেন।

Social media advertisement হলো এমন এক প্রক্রিয়া, যেখানে আমরা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলিতে আমাদের পণ্যের সাথে জড়িত বিজ্ঞাপন চালিয়ে এক ধরণের পেইড মার্কেটিং (paid marketing) এর প্রক্রিয়া চালাই।

আপনি যদি একজন businessman, তাহলে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মাধ্যম ব্যবহার করে নিজের product বা service বা যেকোনো ব্যবসার প্রমোশন (promotion) অনেক সহজে ঘরে বসেই যেকোনো জায়গা, শহর, দেশ বা আপনার আসে পাশের জায়গাতে করতে পারবেন। সবটাই আপনার স্মার্টফোনের দাড়াই সম্ভব।

তাছাড়া, আপনার পণ্যের (product) জন্য ঘরে বসে বসে গ্রাহক (consumer) পেয়েযাওয়ার সুযোগ অনেক বেশি বেড়ে যায়।

কিভাবে করব সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ?

Social media marketing এর নিয়ম বা প্রক্রিয়া অনেক সহজ। এখানে আপনার কেবল এমন কিছু platforms বেঁচে নিতে হবে, যেগুলিতে অনেক পরিমানে লোকেরা সক্রিয় (active) থাকে। উদাহর স্বরূপে, Facebook এবং Twitter .

এখন, মার্কেটিং বা প্রচার করার আগেই, আপনার ব্র্যান্ড (brand) বা পণ্যের নামের একটি profile, পেজ (page), গ্রুপ (group) বা কমিউনিটি (community) তৈরি করতে হবে। আপনি সবটাই ফ্রীতেই করতে পারবেন।

এখন, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইট বা এপস গুলিতে profile, group বা page বানানোর পর আপনার উদ্দেশ্য হবে সেগুলিতে “ফলোয়ার্স (followers)” বা “লাইক করা লোকেদের সংখ্যা” বৃদ্ধি করানোর।

মনে রাখবেন, যত বেশি followers বা like করা লোকেদের সংখ্যা বেশি থাকবে, ততটাই পপুলার (popular) আপনার বানানো পেজ বা প্রোফাইল হয়ে উঠবে।

এখন, সময়ে সময়ে নিজের ব্যবসা, পণ্য বা সার্ভিস এর সাথে জড়িত খবর, update, offer বা new products & services নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজ বা প্রোফাইল গুলিতে পোস্ট বা প্রচার করতে থাকুন।

এতে, ইন্টারনেট এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয় থাকা আপনার ফলোয়ার্স (followers) রা সময়ে সময়ে আপনার প্রচার (promotion) গুলি দেখতে পারবেন এবং ফ্রীতেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই আপনার ব্যবসা বা ব্র্যান্ড এর মার্কেটিং হতে থাকবে।

এভাবে, ইন্টারনেটে আপনি আপনার ব্যবসার বা ব্রান্ডের একটি অনলাইন গুরুত্ব তৈরি করতে পারবেন। এবং, এতে আস্তে আস্তে লোকেরা আপনার ব্যবসার বিষয়ে জানবেন আর লোকেদের মধ্যে ব্র্যান্ড (brand) এর একটি ভালো ছবি তৈরি হবে।

আপনি যদি একজন ব্লগার (blogger), তাহলে এই মাধ্যমে নিজের ব্লগে লেখা আর্টিকেল গুলি প্রচার করতে পারবেন। তাছাড়া, এই মাধ্যমে নিজের ব্লগে অনেক পরিমানে সোশ্যাল ট্রাফিক (social traffic) পেয়ে যাবেন।

YouTube এর দ্বারা করুন মার্কেটিং 

ইউটিউব, আজ এমন এক মার্কেটিং এর মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে যেটা অনেক সহজেই আপনার কাজ করে দিতে পারে। ইন্টারনেটে, দ্বিতীয় সব থেকে বেশি ব্যবহার হওয়া ওয়েবসাইট হলো ইউটিউব।

আজ লক্ষ লক্ষ লোকেরা ইউটিউবে নিজের সমস্যার সমাধান ভিডিওর মাধ্যমে খুঁজতে আসেন। এবং, সত্যি বললে, ভিডিওর মাধ্যমে যেকোনো জিনিসের ব্যাপারে জানাটা কিন্তু অনেক সহজ এবং সোজা।

তাই, আপনি ফ্রীতেই নিজের একটি ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে, তারপর তাতে নিজের business, brand, product বা service এর সাথে জড়িত বিষয় গুলি নিয়ে ভিডিও বানাতে পারবেন। এতে, অনেক সহজে ভিডিওর মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যবসা বা পণ্যের advertisement, promotion বা marketing করে নিতে পারবেন।

YouTube channel এ যদি subscribers দেড় সংখ্যা অধিক করতে পারেন, তাহলে আপনার ব্র্যান্ড, ব্লগ বা ব্যবসার একটি অনেক ভালো অনলাইন ছবি তৈরি হয়ে যাবে।

তাছাড়া, অনেক কোম্পানি বা বিসনেস তাদের product বা brand, ভিডিওর মাধ্যমে অন্যের ইউটিউব চ্যানেলে যাদের হাজার হাজার subscriber রয়েছে, advertisement বা promotion করছেন। কিন্তু, এই মাধ্যমে promotion বা advertisement করার জন্য চ্যানেলের মালিককে টাকা দিতে হবে।

টাকা দিতে হলেও, কেবল একটি ভিডিওর মাধ্যমে আপনি নিজের ব্র্যান্ড, ব্যবসা বা পণ্যের ব্যাপারে লক্ষ লক্ষ লোকেদের একসাথেই জানিয়ে দিতে পারছেন। এবং, যতদিন সেই ভিডিও ইউটিউবে থাকবে আপনার promotion ও হতেই থাকবে।

তাহলে, বুঝতেই পারছেন, YouTube এ ভিডিওর মাধ্যমে যেকোনো ব্যবসা বা প্রোডাক্ট মার্কেটিং বা এডভার্টাইসিং করাটা কতটা লাভজনক হতে পারে।

আপনার সফল সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কৌশলের (strategy) জন্য “YouTube ভিডিও মার্কেটিং” অনেক অনেক জরুরি।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর ৫ টি লাভ ও সুবিধা 

Social media আজকাল students থেকে শুরু করে business man, private চাকরি করা লোকেরা  government চাকরি করা লোক কিংবা বয়স্ক লোকেরাও ব্যবহার করছেন। তাই, সোশ্যাল মিডিয়া গুলি ব্যবহার করে marketing বা advertisement করলে আমরা অনেক সহজে হাজার লক্ষ লোকেদের কাছে পৌঁছাতে পারি।

এছাড়া, অনেক আরো লাভ বা সুবিধা রয়েছে, যেগুলি কেবল সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং দ্বারা আমাদের হতে পারে।

Benefits of social media advertisements or marketing 

নিচে ৫ টি সেরা এবং গুরুত্বপূর্ণ লাভ বা সুবিধার ব্যাপারে আমি আপনাদের এক এক করে বলে দিচ্ছি।

১. যেকোনো জিনিসের promotion সম্ভব :

ছোট বড়ো যেকোনো ব্যবসার বা প্রোডাক্ট এর promotion করতে পারবেন। আজ বিভিন্ন লোকেরা, নিজের ঘরেই বিভিন্ন প্রোডাক্ট এনে সেগুলি social media তে মার্কেটিং বা promotion করে বিক্রি করছেন।

তাই, আপনার ব্যবসা বা পণ্য (product) জেরকমেই কেননা হোক, আপনি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর দ্বারা সেটা সহজে প্রচার করতে পারবেন।

২. কম খরচে paid advertisement :

অনেক কম টাকায় এই প্রক্রিয়াতে মার্কেটিং বা প্রমোশন সম্ভব। হে, বেশিরভাগ প্রক্রিয়া আপনি নিজেই করতে পারবেন এবং ফ্রীতেই।

আপনার কেবল, social media platform গুলিতে প্রোফাইল (profile) বা পেজ বানাতে হবে। এবং, তারপর নিজের product বা business এর ব্যাপারে লোকেদের ফ্রীতেই জানাতে পারবেন ও সময়ে সময়ে আপডেট (update) দিতে পারবেন।

কিন্তু, যদি আপনি, অধিক বেশি পরিমানে বিজ্ঞাপন সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখাতে চান, তাহলে paid advertisement এর মাধ্যমে সেটা সম্ভব।

কিন্তু এতে, আপনার কিছু টাকা খরচ করতে হবে। টাকা খরচ করতে হলেও, physical marketing এর প্রক্রিয়া গুলির তুলনাতে এই মাধ্যমে অনেক অনেক কম খরচে মার্কেটিং বা প্রমোশন সম্ভব।

৩. Targeted promotion বা marketing :

Physical marketing এর মাধ্যমে আমরা কোনোদিন কোনো ব্যক্তি বিশেষকে লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারিনা। মানে, যদি আপনি রাস্তার পাশে বা রিস্কার পেছনে কোনো বিজ্ঞাপন লাগান, তাহলে সেই বিজ্ঞাপন কে দেখবে আর কে দেখবেনা, সেটা আপনার হাথে নেই।

কিন্তু, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে করা মার্কেটিং বা প্রমোশনে আপনার হাথে  ধরণের অপসন থাকবে। মানে, আপনি কোন জায়গার লোকেদের টার্গেট করে বিজ্ঞাপন দেখাতে চান, বিজ্ঞাপন কতদিন চলাতে চান, বিজ্ঞাপন যাদের দেখানো হবে তাদের বয়েস কত হতে হবে এবং লোকেদের ইন্টারেস্ট এবং চাহিদার হিসেবে বিজ্ঞাপন দেখানো যাবে।

তাই, আপনি নিজেই বুঝতে পারছেন, এই ধরণে প্রত্যেকটি জিনিসের ধ্যান রেখে যদি আপনি অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া গুলিতে বিজ্ঞাপন দেন বা মার্কেটিং করেন, তাহলে আপনি আপনার ব্যবসার সাথে জড়িত লক্ষবস্তু গ্রাহক দেড় টার্গেট করতে পারবেন।

এতে, আপনার বিজ্ঞাপন দেখানোর উদ্দেশ্য ১০০% সফল হবে এবং নিজের ব্যবসার জন্য targeted customers বা consumers পেয়ে যাবেন।

৪. সহজেই ভোক্তা (consumer) বা ক্রেতা  (Buyer) পাবেন :

যা আমি ওপরেই বললাম, অন্য physical advertisement এর তুলনায়, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে করা মার্কেটিং বা advertisement এ আমরা সহজেই যেকোনো জায়গা, বিশেষ পাঠকবর্গ (audience), বিশেষ ইন্টারেস্ট থাকা ব্যাক্তি বা অডিয়েন্স এর বয়েস হিসেবে টার্গেট করে বিজ্ঞাপন চলাতে পারি।

এই ক্ষেত্রে, এতো ভালো ভাবে লক্ষবস্তু (targeted) ব্যাক্তিদের বিজ্ঞাপন দেখানোর ফলে, অধিক পরিমানে conversion বা গ্রাহক পাওয়ার সুযোগ বেড়ে যায়। এবং, আজ হাজার হাজার লোকেরা এভাবেই নিজের ব্যবসার জন্য টার্গেটেড (targeted) কাস্টমার বা ক্রেতা পেয়ে যাচ্ছেন।

৫. Growing brand awareness

আজ আমরা যেকোনো জিনিস কেনার আগেই, জিনিসটির ব্র্যান্ড বা কোম্পানির নাম অবশই দেখি। একটি ভালো ব্র্যান্ড মানেই হলো অধিক বিশ্বাস বা ভরসা। তাই, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি আপনার ব্র্যান্ড এর একটি ভালো ছবি তৈরি করতে পারবেন।

দেশ বিদেশ এবং যেকোনো জায়গাতেই থাকা লোকেদের কাছে আপনি নিজের ব্র্যান্ড ও কোম্পানিকে নিয়ে যেতে পারবেন।  পুরোনো মার্কেটিং এর তুলনায়, সোশ্যাল মিডিয়াতে করা প্রমোশনের অনেক লাভ বা সুবিধা রয়েছে।

কেননা, আপনি একবার ভাবুন,

আপনার একটি চাদরের দোকান বা ব্যবসা রয়েছে। এবং, যখন আপনি সোশ্যাল মিডিয়া গুলিতে, “বয়েস”, “ইন্টারেস্ট” এবং “জায়গা” টার্গেট করে নিজের চাদরের ব্যবসার মার্কেটিং বা প্রমোশন করবেন, তখন ঘরে, অফিসে বা যেকোনো জায়গায় বসে থাকা লোকেরা ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব বা যেকোনো অন্য social media গুলির মাধ্যমে আপনার পণ্য (product) বা business এর বেপারে জানবেন।

লোকেরা না চাইলেও আপনার product বা business এর ব্যাপারে দেখবেন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে।এভাবেই আস্তে আস্তে আপনার ব্যবসা ও এর ব্রান্ডের ব্যাপারে লোকেরা জানবেন এবং লোকেদের মধ্যে আপনার ব্রান্ডের ভালো ছাপ তৈরি হতে থাকবে।

মনে রাখবেন, আজ যত বড়ো বড়ো ব্র্যান্ড রয়েছে, সবাই কিন্তু টিভি বা রেডিওতে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই আমাদের মনে ও মাথায় জায়গা করে নিয়েছে।

তাই, লোকেদের মধ্যে নিজের ব্যবসার ও ব্রান্ডের ভালো নাম তৈরি করার জন্য আজ টিভি ও রেডিওর কোনো কাজ নেই। আজ যুগ হলো, ‘Digital” এবং মার্কেটিং এর সেরা মাধ্যম হলো “Digital marketing” যেখানে “Social media marketing” এর গুরুত্ব অনেকটাই বেশি।

কেন জরুরি social media marketing ? 

আজ যেকোনো ব্যবসা বা পণ্যের অনেক প্রতিযোগিতা (competition) রয়েছে। মানে, আজ একটি ব্যবসা অসংখক লোকেরাই করছেন। এক্ষেত্রে, আপনি যদি নিজের ব্যবসা, ব্র্যান্ড বা পণ্যর জন্য অধিক customer বা consumer পেতে চান, তাহলে আপনার কিছু আলাদা করতে হবে।

এক্ষেত্রে, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং আপনার অনেক কাজে আসবে। আপনি এর দ্বারা অনেক সহজেই ইন্টারনেটে সক্রিয় থাকা লোকেদের কাছে নিজের ব্যবসার প্রমোশন করতে পারবেন। এবং, এই অনলাইন মার্কেটিং এর ফলে আপনার ব্র্যান্ড ও বিসনেস এর ব্যাপারে অনেকেই জেনেনিতে পারবেন।

এভাবে, আপনার competitors দেড় তুলনায়, সহজেই আপনার অধিক মার্কেটিং হবে এবং এতে আপনার ব্যবসা সফলতার দিকে এগিয়ে যাবে।

তাই, আপনার ব্যবসা বা পণ্য ছোট হোক কিংবা বড়ো, এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রক্রিয়া আপনার অনেক সাহায্য করতে পারবে।

তাহলে বন্ধুরা, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কি এবং কেন এই মাধ্যম ব্যবহার করে অনলাইন ব্যবসার প্রচার জরুরি, সেটা হয়তো আপনারা বুঝেই গেছেন।

 

আমাদের শেষ কথা,

তাহলে, বন্ধুরা আপনারা যদি ব্যবসার প্রমোশন করার এই অনলাইন মাধ্যমের ব্যাপারে ভালো ভাবে বুঝেছেন, তাহলে আমাকে নিচে কমেন্টের মাধ্যমে জানিয়ে দিন। তাছাড়া, আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে, তাহলে বন্ধুদেড় সাথে শেয়ার অবশই করবেন। আর, শেষে আমাদের ইউটিউবের চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে একদম ভুলবেননা।

Related Contents: