ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন ?

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন, কি কি জানা থাকতে হবে এবং কোন বিষয় গুলোর ওপরে নজর দিতে হবে ? আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা এই প্রত্যেকটি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছি।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন

ফ্রিল্যান্স মার্কেট সাম্প্রতিককালে যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে; তাতে বেশিরভাগ স্টার্টআপ, উদ্যোক্তা, ও কোম্পানিগুলো তাদের কাজের জন্য ফ্রিল্যান্সারদের সবার আগে বেছে নিচ্ছে। 

ফ্রিল্যান্সিং আপনার নিজের কাজ করার পদ্ধতিকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যাপকভাবে সাহায্য করে। 

তাই, একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে, আপনি আপনার পছন্দমতো জায়গা ও সময় বেছে নিয়ে কাজ করার স্বাধীনতা উপভোগ করে থাকেন। 

এই ধরনের ফ্লেক্সিবেল ও আকর্ষণীয় সুবিধা মানুষকে ফ্রিল্যান্সিং জীবিকার দিকে আকৃষ্ট করছে।

এটি এমন একটি সেক্টর যেখানে মানুষের স্বাধীনতার পাশাপাশি আকর্ষণীয় অর্থ উপার্জনের সুযোগ করে দেয়। 

বর্তমানে, ভারতে প্রায় ১৫০ লক্ষ মানুষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করছেন।

যদিও, অনেকেই ফ্রিল্যান্স জীবিকার থেকে নিয়মিত চাকরীকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন, তা সত্ত্বেও, একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে ওঠা কিন্তু অনেকটাই সহজ। 

আর আজকে আমরা আলোচনাও করবো, একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে ওঠার সহজ ও প্রাথমিক ধাপগুলো নিয়ে।

এছাড়া, এই আর্টিকেল থেকে আপনারা জানতে পারবেন, ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন, এইসব বিষয় সম্পর্কে। 

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন ?

ফ্রিল্যান্সাররা কোনো নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করার বদলে এসাইনমেন্ট, দিন বা ঘন্টার ভিত্তিতে কাজ করে থাকে। 

কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে বিভিন্ন ব্যক্তিদের (ক্লায়েন্ট) সাথে যুক্ত থেকে তাদের পরিষেবা প্রদান করতে পারে। 

যে ধরনের ক্লায়েন্টের সাথেই তারা কাজ করুক না কেন, তাদের কোনো নির্দিষ্ট নিয়োগকর্তার সাথেই দীর্ঘকালের প্রতিশ্রুতি না-ও থাকতে পারে।

আসুন এবার জানা যাক, একজন ফ্রীলান্সার হতে গেলে কি কি লাগে ?

১. ভালো রেজ্যুমে তৈরী করতে হবে:

নিজেকে একজন ফ্রীলান্সিং পেশাদার হিসেবে তৈরী করতে গেলে, আপনার প্রিভিয়াস কাজের অভিজ্ঞতা গুলোকে কাজে লাগিয়ে একটা ঝকঝকে ও স্পষ্ট ভার্চুয়াল রেজ্যুমে বা সিভি তৈরী করতে হবে। 

সেখানে আপনাকে উল্লেখ করতে হবে, আপনি কি ধরণের কাজের সাথে যুক্ত ও আপনার পরিষেবা থেকে কি কি ধরণের সুবিধা ক্লায়েন্টরা পেতে পারবে ও আরও নানান প্রয়োজনীয় কাজ-সংক্রান্ত তথ্যের ব্যাপারে। 

বর্তমানে, ডাইনামিক রেজ্যুমে মানুষকে চাকরি পেতে যথেষ্ট সাহায্য করে। 

আর, যেহেতু আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে চাইছেন, সেই কারণে আরও বিশেষ করে আপনার নিজেকে একটা ডিজিটাল রেজ্যুমের মাধ্যমে প্রোমোট বা তুলে ধরাটা জরুরি। 

যাতে, আপনার সম্ভাব্য ক্লায়েন্ট বা কোম্পানি আপনাকে সহজে খুঁজে পায়। 

নিজেকে ফ্রীলান্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে, আপনি আপনার একটা ভালো প্রোফাইলও খুলতে পারেন ইনডিড, লিংকডইন ও আরও অন্যান্য এমপ্লয়মেন্ট ওয়েবসাইট গুলোতে।

২. ভালো কাজের সেট-আপ তৈরী করতে হবে:

যেহেতু, আপনি কোনো কোম্পানীর অধীনে কাজ করছেন না, সেই কারণে আপনার নিজের একটা পেশাদারি কাজের সেট-আপ থাকাটা একান্তই জরুরি। 

কারণ, ক্লায়েন্টরা সব সময়েই চাইবে আপনার থেকে সেরা কাজটা পেতে, সেটা কাজের মানের দিক থেকেই হোক কিংবা সময়ের দিক থেকেই হোক। 

তাই, ক্লায়েন্টদের চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে, আপনার নিজস্ব একটা স্টেডি ওয়ার্ক স্পেস বা কাজের পরিবেশ থাকাটা জরুরি। 

যেমন – অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে একটা স্থায়ী ইন্টারনেট পরিষেবার ব্যবস্থা রাখা, স্পেয়ার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ব্যবস্থা রাখা, যাতে আপনার কাজের কোনোরকম কোনো সমস্যা না হয়।  

৩. স্ট্রং সোশ্যাল নেটওয়ার্ক তৈরী করতে হবে:

ফ্রীল্যান্সিং-এর ক্ষেত্রে আপনার ক্লায়েন্ট ধরার ক্ষমতা থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

অর্থাৎ, আপনাকে আপনার ক্লায়েন্টদেরকে নিজেই সন্তুষ্ট করতে হবে। 

এই কারণেই, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলোতে আপনার প্রোফাইল ও কাজের ব্যাপারে প্রচার করতে থাকুন। 

এছাড়াও, নানান ধরণের চাকরির অ্যাপগুলোতে নিজের প্রোফাইল তৈরী করে, নানান ধরণের ক্লায়েন্ট ও কোম্পানির সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলুন। 

যাতে, আপনার একটা পেশাদারি নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে। 

এমনকি, অনেক ফ্রীলান্সিং সাইটও রয়েছে, যেখান থেকে আপনি সরাসরি ক্লায়েন্ট পেতে পারেন, কিংবা প্রজেক্ট সিলেক্ট করে সেই অনুযায়ী বিডিং-ও করতে পারেন। 

তবে, একটা স্ট্রং প্রফেশনাল নেটওয়ার্ক তৈরী করতে পারলে, আপনি ভবিষ্যতেও আপনার পরিচিত ও প্রোফাইলের সুবাদে কোনো অসুবিধা ছাড়াই ক্লায়েন্ট পেতে পারবেন।

৪. নিজের একটা ভালো ওয়েবসাইট তৈরী করতে হবে:

এখন যেহেতু প্রায় সমস্ত কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইন মাধ্যমেই বেশি সক্রিয়। 

সেই কারণে, একজন ফ্রীলান্সার হিসেবে আপনার অনলাইন উপস্থিতিও, কিন্তু আপনাকে কাজ পেতে সহায়তা করবে। 

আর, আপনি যদি সম্পূর্ণ পেশাগত রূপে ফ্রীলান্সিং করতে চান, তাহলে অবশ্যই নিজের একটা ভালো ওয়েবসাইট তৈরী করান। 

কারণ, অনেক ক্ষেত্রেই ইন্টারন্যাশনাল বা ন্যাশনাল রেপুটেড ক্লায়েন্ট ও কোম্পানিরা অনলাইন মাধ্যমেই পেশাদার কর্মীদের খুঁজে থাকে। 

তাই, এই সময়ে যদি আপনার একটা ভালো দৃশ্যমান ওয়েবসাইট থাকে, তবে সেটা তাদের কাছে অনেক আকর্ষণীয় ও প্রফেশনাল এপ্রোচ বলে মনে হতে পারে। 

আর, আপনার পেশাদারীত্ব দেখলে, অনেক ক্লায়েন্টই আপনার সাথে কাজ করার ইচ্ছে প্রকাশ করতে পারে। 

এই জন্যেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিজের পরিচিতি তৈরী করা ফ্রীলান্সারদের কাছে অতিমাত্রায় জরুরি।  

৫. ভালো বিডিং করতে জানতে হবে:

প্রথম প্রথম একজন ফ্রীলান্সার হয়ে উঠতে গেলে, আপনাকে নানান ধরণের ফ্রীল্যান্সিং ওয়েবসাইট গুলো থেকে নিজেই নিজের প্রজেক্ট বা কাজগুলো ধরে, ক্লায়েন্টদের সাথে আলোচনা করে কাজ হাসিল করতে হবে। 

দেখবেন, আপনার মতো এমন অনেক মানুষই রয়েছে, যারা তাদের কাজের পরিমাণ, কাজের অভিজ্ঞতা ও আনুমানিক পারিশ্রমিকের দাবি জানিয়ে ক্লায়েন্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছে। 

আপনাকেও এই একই পন্থা অবলম্বন করে ক্লায়েন্টকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে কাজ শুরু করতে হবে। 

তবে, এই ধরণের বিডিং-এর ঝামেলা এড়াতে চাইলে, আপনি ইন্টার্নশালার মতো ইন্টার্নশীপ ও ট্রেনিং প্রোগ্রামের ওয়েবসাইট থেকে কাজ শুরু করে ধীরে ধীরে ফ্রীলান্সিং-এর কাজ ধরতে পারেন। 

৬. নিজের একটা পরিষ্কার প্রাইসিং স্ট্রাকচার তৈরী করতে হবে:

ফ্রীলান্সিং কাজের ক্ষেত্রে মূল লক্ষ্যই থাকে, কাজের বিনিময়ে যোগ্য অর্থলাভের পরিমাণকে বজায় রাখা। 

প্রথমদিকে, আপনার প্রতিযোগীদের দেখে প্রাইসিং স্ট্রাকচার নির্ধারণ করা শুরু করুন। 

দেখুন, তারা একই ধরণের ফ্রিল্যান্সিং পরিষেবার জন্য কিরকম পরিমাণ অর্থ দাবি করছে, কিংবা কিরকম মূল্যে ক্লায়েন্টের কাজ করলে আপনার লস হচ্ছে না ও আরও অন্যান্য বিষয়গুলো দেখে নিন।

বাস্তবে, আপনার ফ্রিল্যান্সার পরিষেবা অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণের কোনো সঠিক মাপকাঠি নেই। 

তবে, নিম্নে উল্লেখিত পয়েন্ট অনুযায়ী আপনি আপনার ক্লায়েন্টের থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দাবি করতে পারেন –

  • অভিজ্ঞতা
  • কাজের ধরণ
  • প্রকল্পের সময়সীমা
  • বিতরণযোগ্য
  • প্রকল্পের জটিলতা
  • ক্লায়েন্টের ভৌগোলিক অবস্থান
  • প্রয়োজনীতা

আপনার প্রাইসিং স্ট্রাকচারের অনিশ্চয়তার উপর নির্ভর করে নিজেকে ফ্রীলান্সিং থেকে বিরত করবেন না। 

সময় ও অভিজ্ঞতার সাথে সাথে আপনি আপনার প্রাইসিং স্ট্রাকচার বদলাতেও পারবেন। 

তবে, শুরুর সময় আপনি যে অর্থের পরিমাণ দাবি করে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন, তেমন মূল্য নিয়েই কাজ শুরু করতে পারেন। 

৭. ক্লায়েন্টের সাথে সমঝোতাপূর্ণ সম্পর্কে গড়ে তুলুন:

একজন ফ্রিল্যান্সারের কাছে ক্লায়েন্টরাই হল তার আসল ব্যবসা। 

তাই, ক্লায়েন্টদের সাথে ইতিবাচক কাজের সম্পর্ক গড়ে তোলাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

তবে, একজন সফল ফ্রিল্যান্সার, ক্লায়েন্টের কাজের পাশাপাশি তাদের সাথে সুসম্পর্কও বজায় রেখে চলে। 

একটা দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্ব বা সমঝোতা গড়ে তোলার ফলে, একই ক্লায়েন্টদের থেকে ব্যবসার পুনরাবৃত্তি ও নতুন ক্লায়েন্ট পাওয়াও কিন্তু সম্ভবপর। 

অবশ্যই, কাজের মান নিয়ে কখনোই আপোস করবেন না, সময়মতো কাজ জমা দেবেন আর অর্থের লেনদেন নিয়ে সর্বদাই স্পষ্ট থাকবেন।

৮. ডেডলাইনের মধ্যে কাজ জমা করুন:

ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ করার সময় ভদ্রতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখা কিন্তু যথেষ্ট প্রয়োজনীয়। 

সময়সীমা বা ডেডলাইন মেনে চলাও ফ্রিল্যান্সিংয়ের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। 

যদিও, পেশাদারিত্ব গড়ে উঠতে কিছুটা সময় লাগতে পারে, তবে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারে টিকে থাকতে গেলে, আত্মবিশ্বাস ধরে রাখা খুবই জরুরি হয়ে ওঠে।

৯. নিজেকে ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তুলুন:

একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজের ইমেজ তৈরী করতে সময় নিন। 

আর, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে আপনার ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন দিন। 

আপনার উদ্দেশ্য থাকা উচিত যে, আপনাকে যাতে ক্লায়েন্টরা একটা শক্তিশালী ডিজিটাল ব্র্যান্ড হিসেবে চট করে খুঁজে বের করতে পারে ও কাজ দেওয়ার সময় আপনার কথাই প্রথমে মনে করে। 

নিজেকে ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তুলতে সোশ্যাল মিডিয়াতে কাজ ভাগ করে নেওয়াও কিন্তু একটা ফলদায়ী উপায় হতে পারে। 

আসলেই লিঙ্কডইন কিন্তু ফ্রিল্যান্স (LinkedIn) কাজ খোঁজার একটা ব্যাপক ভালো জায়গা।

১০. নিজের দক্ষতা সময়ের সাথে-সাথে বাড়াতে থাকুন:

আপনার মনে হতেই পারে যে, আপনি ক্লায়েন্টকে সেরা কাজ দিচ্ছেন। 

কিন্তু, সবসময়ই সেখানে কিছু কিছু সংশোধন থাকার চান্স থেকেই যায়। 

তাই, ক্লায়েন্টের প্রতিবার্তার জন্যে সবসময় প্রস্তুত থাকবেন ও তার চাহিদা অনুযায়ী পরিবর্তনের জন্যেও সময় হাতে রাখবেন। 

খারাপ-ভালো সব ধরণের প্রতিবার্তাই কিন্তু আপনাকে মেনে নিয়ে নিজের ভুলগুলো শুধরে নিজের দক্ষতাকে আরও ভালোভাবে বৃদ্ধি করতে হবে। 

আর, ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে সাফল্যের রহস্য হল- ক্লায়েন্টের প্রয়োজন ও প্রত্যাশাগুলোকে দ্রুত বুঝে ফেলা। 

যাতে, আপনি নিজেকে আরও ভালোভাবে তৈরী করতে পারেন ভবিষ্যৎ কাজের জন্যে।

ফ্রীলান্সারদের অবশ্যই নিজেদের প্রকল্পগুলোকে পরিচালনা করতে হয়, কাজের সময় নির্ধারণ করতে হয়; এমনকি ক্লায়েন্টদেরকে বিলও তৈরী করে দিতে হয়। 

এছাড়াও, তারা স্ব-কর্মসংস্থান কর নিজেরাই দিয়ে থাকে। 

সাধারণত, একজন ফ্রিল্যান্সার কোনোদিনই স্থায়ী ক্লায়েন্ট পাওয়ার আশা রাখে না। 

তবে, অনেকক্ষেত্রেই তাদের সাথে কিছু ক্লায়েন্টের একটা দীর্ঘকালীন সমঝোতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠতেই পারে।

 

পরিশেষে:

তাই, উপরে উল্লিখিত উপায়গুলো অবলম্বন করে, আপনি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হয়ে উঠতে পারেন। 

তবে, আপনি কখনোই পরিকল্পনা পর্বে সীমিত থাকবেন না। 

কারণ, আপনার স্বপ্নের ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার আপনার জন্যে সারাজীবন ধরে মোটেই অপেক্ষা করবে না, তাই আপনাকেই উদ্যোগ নিয়ে আপনার স্বপ্নকে পূরণ করতে হবে। 

তাই, এখন থেকেই প্রস্তুতি নিন!

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top