লাভজনক কিছু নতুন ব্যবসার আইডিয়া ও ধারণা গুলোর তালিকা

আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা কিছু নতুন ব্যবসার আইডিয়া গুলো জানবো যেগুলো সত্যি লাভজনক।

নতুন ব্যবসার আইডিয়া
New business ideas in Bangla

এই নতুন ব্যবসার ধারণা গুলো নিয়ে আপনারা চাইলে চাকরির পাশাপাশি পার্ট-টাইম ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। 

কোনো ব্যবসা ছোট বা বড় হয়না তবে ব্যবসা করার কিছু জরুরি নিয়ম এবং উপায় গুলো রয়েছে যেগুলো আপনাকে ফলো করতেই হবে।

আগেকার সময়ে লোকেরা বিজনেস করার ক্ষেত্রে প্রচুর টাকা ইনভেস্ট করতে হতো।

তবে, আজকের আধুনিক সময়ে এমন প্রচুর নতুন বিজনেস আইডিয়া গুলো রয়েছে যেগুলোর ক্ষেত্রে আপনাকে টাকা খরচ করতে হয়না। 

এমনিতে, যেকোনো অন্যান্য ব্যবসার মতোই এক্ষেত্রেও আপনাকে মন দিয়ে প্রচুর সময় লাগিয়ে কষ্ট করতেই হবে।

বর্তমান সময়ে লোকেরা ব্যবসার (business) গুরুত্ব অনেকটাই বুঝতে পেরেছেন এবং অনেকেই আজ নিজের একটি বিজনেস শুরু করতে চান।

আর তাই, নিচে আমি আপনাদের বর্তমানে অনেক চর্চায় থাকা লাভজনক নতুন কিছু ব্যবসার আইডিয়া গুলো বলতে চলেছি। 

যেকোনো ব্যক্তির জন্য একটি সেরা ব্যবসার পরিকল্পনা (business idea) খুঁজে সেটাকে নিয়ে কাজ শুরু করাটা সহজ ব্যাপার না। 

একটি ভুল সিদ্ধান্ত আর আপনার সম্পূর্ণ টাকা, সময় এবং কষ্ট জলে ভেসে যাওয়ার মতোই হয়ে যাবে।

আর তাই, ব্যবসা শুরু করার আগেই আপনাকে যতটা অধিক সম্ভব ততটাই অধিক ব্যবসার আইডিয়া গুলোর অনুসন্ধান করাটা জরুরি। 

শেষে নিজের আর্থিক অবস্থা, জনসংখ্যা, চাহিদা, ব্যবসার অভিজ্ঞতা, প্রতিজোগিতা ইত্যাদির ওপরে ধ্যান রেখে কোন ব্যবসার আইডিয়া আপনার হিসেবে অধিক লাভজনক এবং সেরা সেটা দেখে সেই হিসেবে ব্যবসা আরম্ভ করা দরকার। 

চলুন, এখন নিচে আমরা সরাসরি কিছু নতুন ব্যবসার ধারণা (new business ideas in Bangla) গুলো জেনেনেই। 

কিছু নতুন ব্যবসার আইডিয়া, পরিকল্পনা বা ধারণা গুলোর তালিকা

নিচে যেগুলো নতুন বিজনেস আইডিয়া গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করতে চলেছি সেগুলো বর্তমানে অনেকেই করছেন।

আজ প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেটের প্রচলন, ব্যবহার এবং জনপ্রিয়তা দ্রুত ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে আমাদের সামনে নানান ধরণের ব্যবসার সুযোগ রয়েছে। 

তবে, এটা আপনার ওপরে থাকছে যে আপনি কতটা পরিশ্রম করছেন এবং নিজের ব্যবসার সফলতার জন্য আপনার পরিকল্পনাটি কি। 

নিচে দেওয়া প্রত্যেকটি ব্যবসা আজ নতুন করে অনেকেই শুরু করছেন এবং আপনি চাইলে ব্যবসা গুলোকে পার্ট-টাইম ব্যবসা হিসেবেও শুরু করতে পারবেন।  

আপনি নিজের ব্যবসাতে কত টাকা বিনোয়োগ করতে চাইছেন, আপনার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং প্রয়োজনীয়তার ওপরে নির্ভর করে নিচে দেওয়া ব্যবসা গুলোর মধ্যে বাছাই করতে পারবেন।

 ১. কনটেন্ট রাইটিং

বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট এর জনপ্রিয়তা অধিক বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারণ হলো বিভিন্ন blogs, websites এবং social media page গুলো।

আজ ইন্টারনেটে প্রত্যেক আলাদা আলাদা বিষয়ে হাজার হাজার blogs এবং websites গুলো রয়েছে।

আর তাই, আপনি চাইলে এই website বা blogs গুলোর মালিকের সাথে যোগাযোগ করে তাদের সাইটের জন্য কনটেন্ট লিখতে পারবেন।

এরকম করে অনেকেই প্রচুর টাকা ঘরে বসে বা পার্ট-টাইমে আয় করে নিচ্ছেন।

আমার ব্লগ সাইটের জন্যেও দুজন কনটেন্ট রাইটার রয়েছেন যার কিছু টাকার বিপরীতে আমাকে ভালো ভালো কনটেন্ট লিখে দিচ্ছেন।

তাই, যদি আপনার মধ্যেও কনটেন্ট রাইটিং এর কৌশল রয়েছে, তাহলে আপনিও একাধিক blog, website বা social media পেজ গুলোর জন্য কনটেন্ট লিখে প্রচুর ইনকাম করতে পারবেন।

এটা সম্পূর্ণ ভাবে একটি নতুন ধরণের বিজনেস আইডিয়া যেটা করে আজ অনেকেই ভালো টাকা আয় করতে পারছেন। 

২. নিজের একটি ব্লগ

বর্তমান সময়ে ব্লগিং ব্যবসা (blogging business) একটি অনেক জনপ্রিয় এবং প্রচুর লাভজনক অনলাইন ব্যবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কারণ, সঠিক ভাবে ব্লগিং করতে পারলে কেবল কিছু মাসের মধ্যে আপনি ভালো টাকা অনলাইনে রোজগার করতে পারবেন।

একটি ব্লগ ওয়েবসাইট থেকে টাকা আয় করার উপায় প্রচুর রয়েছে।

যদি আপনি লেখালেখি করতে ভালো পেয়ে থাকেন এবং আপনার মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে ভালো জ্ঞান রয়েছে,

তাহলে ব্লগিং করে ভালো টাকা আয় করতে পারবেন।

আমি নিজেই চাকরি ছেড়ে বিগত ২ বছর থেকে ফুল-টাইম ব্লগিং করে ভালো টাকা অনলাইনে আয় করছি।

আজকাল তো blogging ছোট বড় প্রত্যেকেই করছেন এবং একটি ক্যারিয়ার (career) হিসেবে নিয়ে এই ব্যবসা করা হচ্ছে।

আপনাকে কেবল hosting এবং domain কিনতে হবে এবং এসইও (SEO) এর বিষয়ে কিছুটা শিখতে হবে।

ব্লগিং করে প্রত্যেক মাসে লোকেরা লাখ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন।

৩. ডিজিটাল মার্কেটিং

বর্তমান সময় হলো ডিজিটাল প্রযুক্তির এবং ডিজিটাল মাধ্যম গুলোর প্রচুর ব্যবহার বর্তমানে হয়ে থাকে।

আর তাই, এই ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে যেকোনো ব্যবসা বা পণ্যের মার্কেটিং বা প্রচার করার টেকনিকটি এখনের সময়ে অধিক ব্যবহার করা হচ্ছে।

আজ যেকোনো ছোট-বড় কোম্পানি এমনকি সাধারণ ব্লগ সাইট বা ওয়েবসাইট গুলো নিজের অনলাইন মার্কেটিং বা ডিজিটাল মার্কেটিং করে থাকে।

এক্ষেত্রে, যদি আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং এর কৌশলটি শিখে নিতে পারেন, তাহলে অবশই এর মাধ্যমে প্রচুর ইনকাম সম্ভব।

আপনি চাইলে ডিজিটাল মার্কেটিং সেবা নিজের ক্লায়েন্ট দের দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

এছাড়া, চাইলে ভিডিও কোর্স বানিয়ে অনলাইনে বিক্রি করতে পারবেন।

তবে এগুলোর জন্য আপনাকে প্রথমে একটি ভালো digital marketing training center থেকে এই কৌশলটি শিখে নিতে হবে।

৪. মোবাইল এপস তৈরি

বর্তমান সময়ে প্রত্যেকের কাছেই একটি স্মার্টফোন (smartphone) অবশই রয়েছে।

আর তাই, আজ বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা ধরণের বিভিন্ন apps গুলো launch করা হচ্ছে।

একটি অ্যাপ তৈরি করে টাকা আয় করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে।

এবং এদের মধ্যে সব থেকে জনপ্রিয় এবং লাভজনক উপায়টি হলো “Google Admob“.

Google Admob থেকে টাকা আয় করার জন্য আপনার নিজের একটি এপস (apps) থাকলেই কাজ হয়ে যাবে।

এর দ্বারা আপনি নিজের বানানো application এর মধ্যে বিজ্ঞাপন লাগিয়ে সেখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

এছাড়া, আপনি চাইলে অন্যান্য ব্যক্তি, কোম্পানি বা ক্লায়েন্টস দের জন্য এপস তৈরি করে প্রচুর ইনকাম করতে পারবেন।

ইটা সম্পূর্ণ নতুন এবং দারুন একটি ব্যবসার ধারণা যেটাকে সঠিক ভাবে করতে পারলে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করা যাবে। 

৫. মাস্ক তৈরির ব্যবসা

আগের সময়ে যখন করোনা মহামারী ছিলোনা তখন মাস্ক কি সেটা কেও চিনতেননা।

তবে এখন প্রত্যেকেই নিজেকে করোনা ভাইরাস থেকে নিরাপদ রাখার ক্ষেত্রে ফেস মাস্ট (face mask) ব্যবহার করে থাকেন।

তাই, আপনিও চাইলে এই সুযোগের লাভ উঠিয়ে মাস্ক তৈরি করার ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

মাস্ক বানাতে তেমন বিশেষ কিছুর প্রয়োজন হয়না এবং চাইলে হাতে সেলাই করেও মাস্ট তৈরি করা সম্ভব।

তাই, এই ব্যবসাটি ভালো করে করতে পারলে অসহায় ভালো লাভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে।

৬. নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা

যখন কথা হচ্ছে আধুনিক এবং নতুন কিছু ব্যবসার আইডিয়া গুলো নিয়ে, তখন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর বিষয়ে বলাটা জরুরি। 

এটা একেবারে আলাদা রকমের business model যেটা আপনি যেকোনো জায়গার থেকে করতে পারবেন।

আপনি চাইলে ঘরে বসে বসে এই কাজ করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে একটি ভালো এবং বিস্বাসী নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কোম্পানির সাথে সংযুক্ত হতে হবে।

এবার, আপনাকে নিজের বন্ধু বান্ধব, চেনা পরিচিত ব্যক্তি ইত্যাদি দের নিজের নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কোম্পানির সাথে সংযুক্ত করাতে হয়।

আপনি যত বেশি লোকেদের নিজের নিচে কোম্পানিতে জয়েন (join) করাতে থাকবেন ততটাই অধিক কমিশন আপনি পাবেন।

এই ব্যবসাতে আপনাকে তেমন কোনো অধিক টাকা ইনভেস্ট করতে হয়না।

আপনার নিচে কত অধিক ব্যক্তি কাজ করবে সেটার ওপরেই আপনার মূল ইনকাম নির্ভর করবে।

৭. ওয়েব ডিজাইনিং

বর্তমান সময়ে যেকোনো ছোট বড় কোম্পানি গুলো নিজের একটি ওয়েবসাইট তৈরি করিয়ে থাকেন।

কেননা, আজ যেকোনো ব্যবসার প্রচার offline এর তুলনায় online মাধ্যমে অধিক সহজে করা সম্ভব।

এছাড়া, গ্রাহকেরা যেকোনো জিনিস ঘরে বসেই অনলাইনে কিনে নিতে পছন্দ করেন।

তাই, আপনি যদি নিজের একটি ওয়েব ডিজাইনিং এবং ডেভেলপমেন্ট এর এজেন্সী বা কোম্পানি খুলতে পারেন তাহলে প্রচুর লাভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে।

আজকাল ওয়ার্ডপ্রেস এর মতো CMS software ব্যবহার করে কোনো coding এর জ্ঞান ছাড়া প্রচুর আলাদা আলাদা রকমের ওয়েবসাইট বানানো সম্ভব।

Client এর প্রয়োজন হিসেবে website বানাতে থাকুন এবং আরামে টাকা আয় করতে থাকুন।

৮. জিম (Gym & fitness centre)

বর্তমান সময়ে আমরা প্রত্যেকেই নিজেকে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে সুস্থ এবং ভালো রাখতে চাই।

এক্ষেত্রে, প্রায় অনেকেই আজকাল জিম (gym), যোগ (Yoga) ইত্যাদিতে গিয়ে ব্যায়াম করে থাকেন।

এক্ষেত্রে, এমন একটি ভালো জায়গা আপনার খুঁজে বেড় করতে হবে যেখানে এই ধরণের জিম এবং ফিটনেস সেন্টার গুলোর চাহিদা প্রচুর রয়েছে।

এমন একটি চাহিদা থাকা লাভজনক জায়গাতে Gym বা Yoga centre শুরু করতে পারলে প্রচুর লাভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে।

অবশই এই ব্যবসাতে শুরুতে আপনার ভালো পরিমানে টাকা ইনভেস্ট করতে হবে।

একটি বড় জায়গা নেওয়ার ক্ষেত্রে মাসে মাসে ভাড়া দিতে হবে, ব্যায়াম করার জন্য বিভিন্ন ধরণের ওয়ার্কআউট মেশিন ইত্যাদি কিনতে টাকা ভালোই লাগবে।

তবে ধীরে ধীরে জিম করতে আসা ব্যক্তিদের সংখ্যা বাড়তে থাকলে আপনি admission fees এবং monthly fees এর মাধ্যমে শুধে মুলে টাকা উঠিয়ে নিতে পারবেন।

৯. Tea cafe

আপনি হয়তো ভাবছেন চায়ের দোকান তো হাজার হাজার রয়েছে এবং প্রত্যেক জায়গাতেই এটাকে নতুন বিজনেস আইডিয়া হিসেবে কিভাবে বলা যেতে পারে। 

দেখুন, চা (tea) আমরা প্রত্যেকেই পছন্দ করে থাকি এবং বেশিরভাগ জায়গাতে রাস্তায় ছোট দোকান একটি নিয়ে চায়ের দোকান দেওয়া হয়।

আপনি যদি এই সাধারণ ব্যবসাটিকে আলাদা এবং আধুনিক ভাবে শুরু করতে পারেন, তাহলে অবশই এটা একটি দারুন এবং লাভজনক ব্যবসা হয়ে দারিতে পারবে।

আপনাকে আলাদা আলাদা রকমের চা বানাতে জানতে হবে।

যেমন, cold tea, masala tea, green tea ইত্যাদি।

এবার লোকেরা যাতে আপনার এখানে চা খেতে এসে ভালো করে বসতে পারে গল্প করতে পারে তার জন্যে কিছুটা বসার জায়গা করে দিতে হবে।

এছাড়া, চায়ের সাথে ভাজা বড়া ইত্যাদি খাবারের জিনিস গুলো রাখতে পারবেন।

নিজের বুদ্ধি ব্যবহার করতে জানলে একটি সাধারণ এবং ছোট ব্যবসাকেও প্রচুর বড় এবং আকর্ষণীয় ভাবে শুরু করা সম্ভব।

১০. CCTV installation business

বর্তমান সময়ে যেকোনো ছোট দোকান থেকে শুরু করে দপ্তর, স্কুল, কলেজ ইত্যাদি প্রায় বেশিরভাগ জায়গাতে CCTV camera লাগানোর ব্যবস্থা করা হয়।

CCTV camera লাগানোর কাজ সবাই করতে জানেননা আর তাই এই কাজ ভালো করে শিখে নিতে পারলে আপনার জন্য একটি দারুন আয়ের উপায় হয়ে দাঁড়াবে।

আপনি শুরুতে ঘর থেকেই ব্যবসা শুরু করতে পারবেন এবং ফোন এর মাধ্যমে বা অনলাইনে অর্ডার নিতে পারবেন।

নিজের ব্যবসার ভালো করে প্রচার করতে পারলে ধীরে ধীরে সিসিটিভি লাগানোর প্রচুর অর্ডার পেতে শুরু হয়ে যাবে।

১১. অনলাইন বেকারি

আজকাল প্রত্যেকেই ঘরে বসে বসে যেকোনো জিনিস কিনে নিতে চান।

সবজি থেকে শুরু করে ওষুধ ইত্যাদি সবটাই অনলাইনে অর্ডার দিয়ে কেনা সম্ভব।

এক্ষেত্রে, আপনি চাইলে একটি অনলাইন বেকারি ওয়েবসাইট বা এপস (apps) তৈরি করে অনলাইনে বেকারির আইটেম গুলো অর্ডার নেওয়া শুরু করতে পারবেন।

এতে, লোকেরা ঘরে বসে বসে আপনার থেকে বেকারির আইটেম / খাওয়ার গুলো কিনে নিতে পারবেন।

১২. ইউটিউব চ্যানেল

আজকাল online business এর ক্ষেত্রে YouTube channel তৈরি করে টাকা আয় করাটা একটি প্রফেশনাল এবং প্রচুর লাভজনক ব্যবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

লোকেরা ঘরে বসে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করছেন নিজের YouTube channel এর মাধ্যমে।

এই অনলাইন ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনার কাছে একটি স্মার্টফোন থাকলেই হয়ে যাবে।

আপনাকে মোবাইলের বা ক্যামেরার মাধ্যমে নিয়মিত ভিডিও বানিয়ে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করতে থাকতে হবে।

ধীরে ধীরে আপনার চ্যানেলের subscriber এবং views বাড়তে শুরু হবে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে আপনি নিজের YouTube channel থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

১৩. অনলাইনে কোর্স বিক্রি

ইন্টারনেট এর ব্যবহার এবং জনপ্রিয়তা প্রচুর বেড়ে গেছে এবং যেকোনো তথ্য, প্রশ্ন বা সমস্যার সমাধান পাওয়ার ক্ষেত্রে আমরা আজ ইন্টারনেটের সাহায্য নিয়ে থাকি।

এছাড়া, আজ প্রায় প্রত্যেকেই বিভিন্ন ধরণের নতুন নতুন কৌশল (skills) গুলো শেখার ক্ষেত্রেও ইন্টারনেটের সাহায্য নিয়ে থাকেন।

ইন্টারনেটের মাধ্যমে কেবল কিছু সামান্য টাকা দিয়ে লোকেরা বিভিন্ন প্রফেশনাল কোর্স গুলো ঘরে বসেই করতে পারছেন।

তাই, আপনার মধ্যে যদি কোনো বিশেষ দখ্যতা, কৌশল বা জ্ঞান রয়েছে তাহলে সেগুলোকে ভিডিওর মাধ্যমে রেকর্ড করে একটি কোর্স বানাতে পারবেন।

এবং, YouTube, social media, blog বা paid advertisements এর মাধ্যমে নিজের বানানো video course গুলোকে অনলাইন বিক্রি করতে পারবেন।

আজকাল দেখাবে অনলাইনে বিভিন্ন ধরণের ভিডিও কোর্স গুলো বিক্রি করে লোকেরা প্রচুর ইনকাম করছেন।

১৪. খাবারের গাড়ি

বিভিন্ন ধরণের ফাস্ট ফুড (fast food) বানানোর মতো জায়গা থাকা একটি গাড়ি নিয়ে জায়গায় জায়গায় গিয়ে নিজের বানানো খাওয়ার বিক্রি করতে পারবেন।

এই ধরণের গাড়ি গুলোকে ফুড ট্রাক (food truck) বলেও বলা হয়।

তাই, অনেক সামান্য টাকা বিনিয়োগ করে কেবল বিকেলের সময়ে এই ব্যবসা করতে পারবেন।

এই ধরণের খাবারের গাড়ির ব্যবসা থেকে ভালো পরিমানে লাভ আয় করা সম্ভব।

পার্ট-টাইম করার মতো যদি সেরা ব্যবসা পরিকল্পনা খুঁজছেন, তাহলে এই ব্যবসার কথা একবার ভেবে দেখুন। 

 

আমাদের শেষ কথা,,

তাহলে বন্ধুরা, আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা নতুন ব্যবসার ধারণা এবং আইডিয়া (new business ideas in Bengali) কিছুর বিষয়ে জানতে পারলাম। 

আশা করছি আজকের আর্টিকেল আপনাদের কাজে অবশই আসবে।

নতুন নতুন ব্যবসার পরিকল্পনা গুলো যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে, তাহলে আর্টিকেলটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার অবশই করবেন।

এছাড়া, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে নিচে কমেন্ট করে অবশই জানিয়ে দিবেন।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error:
Scroll to Top
Copy link
Powered by Social Snap