ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার ও কি কি – (Types of digital marketing)

ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার ও কি কি (Types of digital marketing in Bengali), আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছি। 

ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার
Types of digital marketing in Bengali.

আজকাল একটা কথা সব ব্যবসায়ীদের মুখে খুব শোনা যায় এবং সেটা হলো ডিজিটাল মার্কেটিং

তবে কি এই ডিজিটাল মার্কেটিং ?

জেনেরাখুন, বর্তমানে ব্যবসার উন্নতির জন্যে সবচেয়ে কার্যকরী কৌশল হলো এই ডিজিটাল মার্কেটিং।

এখনকার ক্রেতারা আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। তারা কেনাকাটা করার আগে সবকিছু ভালো করে যাচাই করে নিতে পছন্দ করেন।

আর তারা এর জন্যে ব্যবহার করেন ইন্টারনেট।

আপনার ব্যবসা অর্থাৎ যা আপনি বিক্রি করছেন সেই পণ্যগুলোকে ডিজিটালভাবে ইন্টারনেটে প্রচার করার জন্য বিভিন্ন ডিজিটাল বিপণন কৌশল ব্যবহার করা হয়।

আপনি এই চ্যানেলগুলির মাধ্যমে আপনার দর্শকদের কাছে পৌঁছে যেতে পারেন আর এর মাধ্যমে আপনার ব্যবসার যে উন্নতি আপনি চাইছেন তা সহজেই নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসতে পারেন।

তাই সোজা ভাবে বললে, ডিজিটাল মার্কেটিং এর কৌশল জানা থাকলে আপনি আপনার products, business, service বা brand এর প্রচার / মার্কেটিং ডিজিটাল ভাবে করতে পারবেন।

এতে, রাতারাতি বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ লোকদের কাছে পৌঁছে যাওয়ার সুযোগ আপনার কাছে থাকছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি ভাবে করা হয় ?

ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে বোঝায় এমন একটা বিপণন কৌশল যা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে কার্যকরী হয়।

এই ইলেকট্রনিক যন্ত্রটি ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থাকতেও পারে বা আবার নাও থাকতে পারে।

এমনকি রেডিও বিজ্ঞাপন এবং টেলিভিশন বিজ্ঞাপনগুলিও ডিজিটাল বিপণন কৌশলের মধ্যেই পড়ে।

যদিও ডিজিটাল বিপণন এখন অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রেই বিকশিত হয়েছে,

দেখা গেছে যে নিত্যনতুন কৌশলও বাজারে রোজই আসছে যেগুলোর কার্যকারিতা আগের সব মধ্যমগুলোর চেয়ে অনেক বেশি প্রত্যাশা পূরণ করছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার ও কি কি ?

ডিজিটাল মার্কেটিংকে আমরা সাধারণতঃ ৮টি প্রধান বিভাগে ভাগ করি যেমন :

  • সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান (SEO).
  • প্রতি-ক্লিক-পে (PPC).
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM).
  • কন্টেন্ট মার্কেটিং। 
  • ইমেল মার্কেটিং। 
  • মোবাইল মার্কেটি। 
  • মার্কেটিং অ্যানালিটিক্স। 
  • অ্যাফিলিয়েট এবং ইনফ্লুয়েনসার মার্কেটিং। 
  • ভিডিও মার্কেটিং।

এবার আমরা সবিস্তারে আলোচনা করব প্রত্যেকটি ভাগ :

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান (SEO)

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান, বা এস ই ওপ্রযুক্তিগতভাবে একটি বিপণন সরঞ্জাম নয় বরং নিজেই বিপণনের একটি ফর্ম।

ব্যালেন্সএর সংজ্ঞা অনুযায়ী এটিকে “ওয়েব পৃষ্ঠাগুলিকে সার্চ ইঞ্জিনগুলির কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার শিল্প এবং বিজ্ঞান” বলা যায়।

সোজা ভাবে বললে, এটা হলো এমন একটি কৌশল যেখানে web page বা blog article গুলোকে এমন ভাবে optimize করা হয়,

যাতে সেগুলো সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট (SERP) এর সেরা বা প্রথম পেজে রেংক করানো যেতে পারে।

এভাবে SEO কৌশলের মাধ্যমে বিভিন্ন company গুলি তাদের product, brand বা service এর সাথে জড়িত আর্টিকেল বা ওয়েবসাইট গুলোকে search engine গুলোতে rank করিয়ে সেগুলোর ফ্রি প্রচার চালান।

এই অনুসন্ধান ইঞ্জিনগুলির জন্য ওয়েব পেজ অপ্টিমাইজ করার সময় যা যা মনে রাখতে হবে :

  • কন্টেন্টের গুণগত মান। 
  • ব্যবহারকারী কতটা ও কেমন ভাবে ব্যস্ত।
  • ওয়েব পেজ গুলো মোবাইল-ফ্রেন্ডলী অর্থাৎ মোবাইল ব্যবহার করে সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে কি না। 
  • ইনবাউন্ড লিঙ্কগুলির সংখ্যা এবং গুণমান।

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং / পে-পার-ক্লিক

এই প্রক্রিয়াতে, অনলাইনে পেইড বিজ্ঞাপন চালিয়ে ব্যবসার প্রচার করা হয়।

পে-পার-ক্লিক, বা পি পি সি, ডিজিটাল বিপণনের একটি ফর্ম।

এক্ষেত্রে, প্রতিবার আপনার ডিজিটাল বিজ্ঞাপন গুলিতে ক্লিক করার সময় আপনি একটি ফি দেন।

সুতরাং, অনলাইন চ্যানেলগুলিতে ক্রমাগত টার্গেটেড বিজ্ঞাপন গুলি চালানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের পরিবর্তে,

আপনি কেবলমাত্র সেই বিজ্ঞাপনগুলির জন্য অর্থ প্রদান করেন যার সাথে ব্যক্তিরা ইন্টারঅ্যাক্ট করে।

পি পি সির সবচেয়ে সাধারণ প্রকারগুলির মধ্যে একটি হল সার্চ ইঞ্জিন বিজ্ঞাপন।

এবং যেহেতু Google সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন, তাই অনেক ব্যবসা এই উদ্দেশ্যে Google Ads ব্যবহার করে থাকেন। 

একটি অ্যালগরিদম, বেশ কয়েকটি কারণের উপর ভিত্তি করে প্রতিটি উপলব্ধ বিজ্ঞাপনকে উপরদিকে জায়গা করে দেয়, যার মধ্যে রয়েছে:

  • বিজ্ঞাপনের গুণমান। 
  • কীওয়ার্ড প্রাসঙ্গিকতা। 
  • ল্যান্ডিং পৃষ্ঠার গুণমান। 
  • মূলত বিডের পরিমাণ। 

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মানে হল বিভিন্ন অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলোর মাধ্যমে ব্যবসার বা পণ্যের মার্কেটিং বা প্রচার করা। 

অনেক ক্ষেত্রেই, আলোচনার মাধ্যমেও সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করা হয়।

এইভাবে ট্র্যাফিক এবং ব্র্যান্ড সচেতনতা চালিয়ে মার্কেটিং করা হয়।

আপনি আপনার ব্র্যান্ড, পণ্য, পরিষেবা, সংস্কৃতি এবং আরও অনেক কিছু হাইলাইট করতে সোশ্যাল মিডিয়া বিপণন বা মার্কেটিং ব্যবহার করতে পারেন।

কোটি কোটি মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে জড়িত। এই ব্যাপারটিকে কাজে লাগিয়ে, সোশ্যাল মিডিয়া বিপণন হয়ে উঠতে পারে এক শক্তিশালী ও সর্বাপেক্ষা কার্যকরী মার্কেটিং হাতিয়ার। 

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলি হল – ফেসবুক, টুইটার এবং ইনস্টাগ্রাম।  

এছাড়াও আছে  লিঙ্কডইন এবং ইউটিউব

আপনি আপনার ব্যবসার জন্য কোন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহার করবেন তা নির্ভর করবে আপনার লক্ষ্য এবং দর্শকদের উপর।

আপনি যদি কম বয়সীদের আপনার পণ্যের দিকে বা ব্র্যান্ডের দিকে আকৃষ্ট করতে চান তবে ইনস্টাগ্রাম এ বিজ্ঞাপন দিন।

কারণ B2C এর জন্যে এটি সর্বাধিক জনপ্রিয় মাধ্যম কম বয়সী ক্রেতাদের ক্ষেত্রে। 

একটি কার্যকর সোশ্যাল মিডিয়া বিপণন কৌশল বা স্ট্র্যাটেজি তৈরি করতে, সর্বোত্তম পন্থা যা যা আছে তা অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে সোশ্যাল মিডিয়া বিপণনের সেরা উপায়গুলো দেওয়া হল :

  • উচ্চ মানের এবং আকর্ষণীয় কন্টেন্ট তৈরি করুন। 
  • পেশাদারী পদ্ধতিতে মন্তব্য করুন এবং প্রশ্নের উত্তর দিন। 
  • সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টিং সময়সূচী তৈরি করুন। 
  • সঠিক সময়ে পোস্ট করুন। 
  • বিপণন বা মার্কেটিং করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া পরিচালকদের ভাড়া(hire )করুন। 
  • আপনার শ্রোতাদের জানুন এবং তারা কোন সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলিতে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় তা খুঁজে বের করুন। 

বিষয়বস্তু বিপণন বা কন্টেন্ট মার্কেটিং

আপনার সামগ্রীর গুণমান অপ্টিমাইজ করা এর প্রধান উপাদান।

ফলস্বরূপ, SEO বিষয়বস্তু বিপণনের বা মার্কেটিংয়ের একটি প্রধান কারণ।

একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর দর্শক যারা আপনার সম্ভাব্য ক্রেতা তাদের কাছে প্রাসঙ্গিক এবং মূল্যবান কন্টেন্ট পৌছে দেওয়াই হল এর মুখ্য স্ট্র্যাটেজি বা কৌশল। 

যে কোনও বিপণন কৌশলের মতো, সামগ্রী বা কন্টেন্ট বিপণনের লক্ষ্য হল এমন লিডগুলিকে আকৃষ্ট করা যারা শেষ পর্যন্ত গ্রাহকে রূপান্তরিত হবে।

তবে এটি ট্রাডিসানাল বা চিরাচরিত বিজ্ঞাপনের চেয়ে খানিকটা আলাদা ভাবে কাজ করে।

কোনও পণ্য বা পরিষেবা সরাসরি বিক্রি না করে, যথোপযুক্ত কন্টেন্ট এর মাধ্যমে ব্র্যান্ডের প্রতি প্রলুব্ধ করার এক কৌশলকে কাজে লাগায় এই মার্কেটিং প্রক্রিয়া।

যেমন:

  • ব্লগ পোস্ট। 
  • ই-বই। 
  • নিউজলেটার। 
  • ভিডিও বা অডিও ট্রান্সক্রিপ্ট। 
  • হোয়াইটপেপার। 
  • ইনফোগ্রাফিক্স। 

ইমেইল মার্কেটিং

ইমেল বিপণনের বা মার্কেটিংয়ের ধারণাটি অপেক্ষাকৃত সহজ।

এতে আপনি ইমেইল এর মাধ্যমে একটি প্রচারমূলক বার্তা পাঠান আপনার সম্ভাব্য কাস্টমার দের। 

যখন কেউ আপনার ওয়েবসাইট বা ব্যবসা পরিদর্শন করে, তখন তাদের একটি ইমেল গ্রাহক তালিকায় যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।

তাদের অনুমতি নিয়ে, আপনি বিক্রয়, বিশেষ ইভেন্ট, বা পণ্য রিলিজ সম্পর্কে তাদের ইমেল পাঠাতে পারেন।

প্রত্যাশা অনুযায়ী যদি আপনার পাঠানো ই-মেল টি, কাস্টমার হতে পারেন এমন কেউ, ক্লিক করেন তো আপনার উদ্দ্যেশ্য সফল।

কিন্তু ইমেইল মার্কেটিং এতটাও সহজ নয়। 

সর্বোপরি, আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার কাছ থেকে এই ধরনের ইমেল পেতে কেউ চাইছেন কিনা। 

এর মানে হল একটি অপ্ট-ইন তালিকা থাকা জরুরী যা :

  • গ্রাহকের নাম ও ই-মেলে কি লেখা থাকছে তা প্রত্যেকের জন্যে আলাদা। 
  • গ্রাহক কী ধরনের ইমেল পাবেন তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে। 
  • আনসাবস্ক্রাইব করা সহজ হয় এমন একটি উপায় বা অপশন উল্লেখ করে। 
  • লেনদেনমূলক এবং প্রচারমূলক দুই ধরনের ইমেলকে একসঙ্গে যুক্ত করা। 

মোবাইল মার্কেটিং

নাম দেখেই বুঝতে পারছেন যে মোবাইল বিপণন একটি ডিজিটাল বিপণন কৌশল যা স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট গুলির মতো ডিভাইসগুলিকে ব্যবহার করে আপনার সম্ভাব্য গ্রাহকের কাছে আপনাকে পৌঁছে দেয়। 

এটি SMS এবং MMS বার্তা, সোশ্যাল মিডিয়া বিজ্ঞপ্তি, মোবাইল অ্যাপ অ্যালার্ট এবং আরও অনেক কিছুর মাধ্যমে হতে পারে।

এক্ষেত্রে মোবাইল ডিভাইসগুলির জন্য সমস্ত সামগ্রী অপ্টিমাইজ করা হয়েছে তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপনি যখন কম্পিউটার এবং মোবাইল স্ক্রিনের জন্য সামগ্রী তৈরি করেন তখন আপনার বিপণনের প্রচেষ্টাগুলি অনেকগুণ বেশি কার্যকর হয়|

মোবাইলের জন্য আপনার ওয়েবসাইট এবং সামগ্রী অপ্টিমাইজ করা হল প্রাথমিক প্রয়োজন।

আপনি একটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন, তাৎক্ষণিক মেসেঞ্জার বিপণন গ্রহণ করতে পারেন এবং জিওলোকালাইজেশন দ্বারা পরিষেবাগুলি সরবরাহ করতে পারেন।

সোজা ভাবে বলতে গেলে, মোবাইল মার্কেটিং হলো একটি ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল যেখানে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং অন্যান্য মোবাইল ডিভাইস গুলোর ব্যবহার করে টার্গেটেড গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব।

এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন মাধ্যম গুলো যেমন, websites, email, SMS এবং MMS, social media এবং apps.

এফিলিয়েট মার্কেটিং

কোনও অ্যাফিলিয়েট বা প্রভাবশালীর সাথে কাজ করা মানে তাদের বিদ্যমান শ্রোতাদের সাথে জড়িত হয়ে আপনার শ্রোতাদের নাগাল বাড়িয়ে তোলা। 

এফিলিয়েট মার্কেটিং একটি ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল যার মাধ্যমে কোনো ব্যাক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ব্যবসার প্রচার করে উপার্জন করেন। 

আপনি নিজে প্রোমোটার হিসেবে বা প্রোমোটারের সাথে কাজ করেন এমন ব্যবসাদার হিসেবে এই মার্কেটিং করতে পারেন, তবে প্রক্রিয়াটি উভয় ক্ষেত্রেই একই।

আপনি যদি একজন খুচরা বিক্রেতা হন এবং আপনি সরাসরি অ্যাফিলিয়েটদের সাথে কাজ করতে পছন্দ করেন তবে আপনার প্রোগ্রামটিকে আকর্ষণীয় করে তুলতে আপনি অনেক কিছু করতে পারেন।

আপনাকে সেই অ্যাফিলিয়েট গুলিকে সেই সরঞ্জামগুলি সরবরাহ করতে হবে যা তাদের সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয়।

এর মধ্যে রয়েছে দুর্দান্ত ফলাফলের জন্যে ইনসেনটিভ এবং পাশাপাশি বিপণনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং আগে থেকে তৈরি উপকরণগুলি যা এই মার্কেটিং টুল হিসেবে ব্যবহার হবে। 

বিপণন অটোমেশন

বিপণন বা মার্কেটিং স্বয়ংক্রিয়তা ডিজিটাল বিপণন প্রচারাভিযান গুলিকে সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে আরও কার্যকরী করে তোলে।

বিজ্ঞাপনের দক্ষতা এবং প্রাসঙ্গিকতাকেও অনেকটাই উন্নত করে।

ফলস্বরূপ, আপনি জটিল এবং সময় সাপেক্ষ প্রক্রিয়াগুলির পরিবর্তে আপনার ডিজিটাল বিপণন প্রচেষ্টার কৌশল তৈরির দিকে মনোনিবেশ করে আরও সফল হয়ে উঠতে পারেন। 

ভিডিও মার্কেটিং

এই প্রক্রিয়াতে ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে business, brand, service এর প্রচার করা হয়।

যেমন, বর্তমান সময়ে company গুলো তাদের পণ্য এবং সেবা গুলোর সাথে জড়িত video content তৈরি করে।

এবং তৈরি করা video গুলোকে YouTube, organic, paid ads, social media ইত্যাদির মাধ্যমে প্রচার করে থাকেন।

এভাবে, ভিডিও দেখার মাধ্যমে ব্যবসার প্রচার করা সম্ভব, আর এই প্রক্রিয়াকেই আমরা video marketing বলে থাকি।

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সুফল

অনেক ধরণের ডিজিটাল বিপণন রয়েছে যা আপনি আপনার শ্রোতাদের নাগাল পাওয়ার জন্য ব্যবহার  করতে পারেন।

একাধিক ডিজিটাল বিপণন চ্যানেল ব্যবহার করা আপনাকে একটি সামগ্রিক কৌশল বা স্ট্র্যাটেজি তৈরি করতে সহায়তা করতে পারে যা সবচেয়ে ভাল ফলাফল দেবে।

ডিজিটাল বিপণন আপনাকে রিয়েল-টাইমে আপনার গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ করে দেয়।

আরো গুরুত্বপূর্ণভাবে, এটি তাদের সুযোগ করে দেয় আপনার সাথে যোগাযোগ করতে।

আজকের দ্রুত গতির যুগে, গ্রাহকদের আকৃষ্ট করার জন্য সংক্ষিপ্ত এবং দ্রুত ভিডিও গুলি লিখিত কন্টেন্ট গুলোর চেয়ে দ্রুততর।

লাইভ বা আগে থেকে রেকর্ড করা ভিডিও বা অডিও সামগ্রী তা শিক্ষামূলক বা বিনোদনমূলক যাই হোক না কেন ডিজিটাল বিপণনের ভাল বিকল্প। 

আমাদের শেষ কথা,,

তাহলে বন্ধুরা, আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা জানলাম ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার (types of digital marketing in Bangla) এবং সেগুলো কি কি।

এমনিতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর আরো বিভিন্ন প্রকার এবং কৌশল অবশই রয়েছে।

আশা করছি, আমাদের আজকের আর্টিকেল আপনাদের অবশই পছন্দ হয়েছে।

আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে নিচে কমেন্ট করে অবশই জানাবেন।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top