৯টি টাকা জমানোর উপায় যেগুলি সত্যি কার্যকর – টিপস এবং কৌশল

আজকের আর্টিকেলের মধ্যে যেই দ্রুত টাকা জমানোর উপায় এবং টিপস গুলি নিয়ে আমরা আলোচনা করতে চলেছি, সেগুলি আপনাকে অনেক সহজে এবং তাড়াতাড়ি নিজের সঞ্চয়ের টার্গেটে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে।

সঞ্চয় করা বা বাজেট তৈরি করে সেই হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টা প্রথম দিকে আপনার প্রচুর চাপপূর্ণ বলে অবশই মনে হতে পারে।

তবে, যদি আপনি একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য মাথায় রেখে নিয়মিত টাকা জমানোর কথা ভেবে থাকেন, তাহলে সঞ্চয় করা বা বাজেট তৈরি করা এতটা কঠিন বলে কখনোই মনে হবেনা।

নিয়মিত টাকা জমানোর বিষয়টা, আপনাকে একটি রোমাঞ্চকর ভবিষ্যতের কল্পনা করতে সাহায্য করতে পারে, যেখানে আপনি আপনার প্রথম গাড়ি, বাড়ি, বাইক, ইত্যাদি কিনেছেন। এছাড়া, বিয়ে করা বা নিজের জন্য নতুন কিছু কেনা বা করার মতো লক্ষ্য গুলির জন্যও আপনার জমানো টাকা আপনার প্রচুর কাজে আসবে।

তাই, আপনিও যদি ভাবছেন যে কিভাবে দ্রুত টাকা বাঁচানো যায় এবং তাড়াতাড়ি টাকা সঞ্চয় করার উপায় গুলি কি, তাহলে আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি আপনাদের সাহায্য অবশই করবে।

অবশই পড়ুন:

টাকা জমানোর উপায় এবং কৌশল গুলি কি? সেরা ৯ টি

টাকা জমানোর উপায়
How To Start Saving Money? Tips in Bengali

বর্তমান সময়ে, একটি বাজেট তৈরি করা এবং বাজেট মেনে খরচ করাটা অনেকেরই জন্য একটি অনেক কঠিন কাজ হতে পারে। তবে, অনেকসময়ই কম টাকাপয়সা ইনকাম করা ব্যক্তিদের জন্য এটা একটি অনেক প্রয়োজনীয় এবং কার্যকর বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এছাড়া, যদি আপনার মাইনে অনেক কম, হঠাৎ কোনো বড় খরচ হয়েছে, বা আপনি নিজের ভবিষ্যতের জন্য কিছু টাকা জমাতে চাইছেন, এই প্রত্যেক ক্ষেত্রেই কিন্তু একটি বাজেট তৈরি করা এবং সেই হিসেবে নিয়ন্ত্রণ রেখে খরচ করাটা একটি অনেক প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

আর তাই, আজকের এই আর্টিকেলের মধ্যে আমি আপনাদের এমন ১০টি ব্যবহারিক উপায় গুলির বিষয়ে বলবো, যেগুলি আপনাকে নিজের বাজেটের মধ্যে থেকে টাকা জমাতে সাহায্য করবে।

১. বাজেট তৈরি করুন:

সঞ্চয়ের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আগে সবচেয়ে আগেই আপনাকে এটা অবশই বুঝতে হবে যে এখন পর্যন্ত আপনার টাকা সবথেকে অধিক কোথায় খরচ হচ্ছে। আর এখানেই একটি বাজেট আপনার সাহায্য করে থাকে।

একটি সুপরিকল্পিত বাজেট আপনার সম্পূর্ণ আয় এবং ব্যয় গুলি অনেক পরিষ্কার ভাবে আপনাকে দেখিয়ে দিতে পারে। বাজেট আপনাকে আপনার এমন ব্যয়গুলি চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে যেগুলিকে আপনি চাইলে বন্ধ করতে পারবেন এবং সেই টাকা সঞ্চয় করতে পারেন।

বাজেট তৈরি করার প্রক্রিয়া অনেক সোজা। আপনাকে একটি কলম এবং খাতা নিয়ে সেখানে সম্পূর্ণ মাসে আপনার কি কি খরচ হয় এবং কোথায় আপনি টাকা খরচ করেন, সেগুলির একটি তালিকা তৈরি করুন।

মনে রাখবেন, কেবল বাজেট তৈরি করলেই কাজ হবেনা। আপনাকে নিজের ইচ্ছা গুলির উপর নিয়ন্ত্র রাখতে হবে এবং এমন প্রত্যেক খরচ বা ব্যয় থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে যেগুলি এতটা দরকারি না।

বাজেট তৈরি করার পর আপনাকে ভালো করে দেখতে হবে যে কোথায় এবং কোন কোন জায়গাতে আপনার অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় খরচ গুলি হচ্ছে। বাইরে খাবার খাওয়া, কারেন্টের খরচ, অনলাইন সাবস্ক্রিপশন, ইত্যাদির মতো নানান পরিষেবা গুলির ক্ষেত্রে কত খরচ হচ্ছে এবং এই কিভাবে খরচ কমানো যাবে, সেই বিষয়ে চিন্তা করাটা জরুরি।

মনে রাখবেন, এভাবে নিয়মিত ছোট ছোট খরচ গুলির উপরে নজর রেখে সেগুলিকে কমিয়ে সেই টাকা জমাতে পারলে, আপনি ধীরে ধীরে নিজের জন্য বড় সেভিংস তৈরি তৈরি করতে পারবেন।

২. ছোট থেকে ছোট খরচ ট্র্যাক করুন:

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, আমরা যেই খরচ বা ব্যয় গুলিকে অনেক ছোট ও সামান্য বলে মনে করি, সেগুলিকে একসাথে করে দেখলে এগুলো কিন্তু অনেক বড় খরচ বলে মনে হবে।

আমাদের প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই, ছোটখাটো খরচ গুলি অনেক দ্রুত পরিমানে হয়ে থাকে তবে এগুলি কিন্তু আমাদের চোখে পরেনা।

তাই, প্রতিবার যখনই আপনি মুদিখানা যাচ্ছেন, পেট্রল ভরছেন, বা বন্ধুদের সাথে এক কাপ কফি খাচ্ছেননা কেন, প্রত্যেক খরচের রেকর্ড রাখুন। এভাবে আপনি আপনার ব্যয়ের ধরন এবং পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় খরচ গুলি বুঝতে পারবেন।

আপনি যখন প্রতিদিন ১০ টাকা দিয়ে ২টি করে পান খাচ্ছেন, সেক্ষেত্রে আপনার ২০ টাকা দিতে কোনো ধরণের অসুবিধা হয়না। সত্যি বলতে ২০ টাকার মতো সামান্য টাকা চোখেও লাগেনা।

কিন্তু, যখন আপনি সম্পূর্ণ মাসের হিসেব দেখবেন, তখন, ২০*৩০ = ৬০০ টাকা আপনি পান খাওয়ার ক্ষেত্রে খরচ করছেন। এবার যদি সম্পূর্ণ বছরের হিসেবে করি তাহলে, ৬০০*১২ = ৭,২০০ টাকা পাওয়া যাচ্ছে।

তাহলে, যদি আপনি দিনে ২০ টাকার মতো সামান্য ও ছোট খরচটি বন্ধ করতে পারেন, তাহলে পুরো বছরে ৭,২০০ টাকা জমিয়ে নিতে পারতেন। ৭,২০০ টাকা কিন্তু আমার হিসেবে একটি ছোট বা সামান্য খরচ না।

এবার আপনি নিজের ভেবেব দেখুন, প্রতিদিন আপনি কত রকমের ছোট ছোট খরচ গুলি করছেন। সেগুলিকে বন্ধ করতে পারলে, বছরে কত টাকা জমানো যাবে? একবার হিসাব করেই দেখুন।

৩. একটি ভালো সেভিংস অ্যাকাউন্ট বেছে নিন:

কষ্ট করে ইনকাম করা নিজের টাকা গুলিকে রাখার জন্য ও জমা করার জন্য আপনাকে একটি ভালো ব্যাঙ্ক সিলেক্ট করা দরকার যেখানে savings account-এ টাকা রাখার জন্য ভালো মানের interest/return দেওয়া হয়।

বর্তমানে এমন নানান নতুন প্রাইভেট ব্যাঙ্ক গুলি পেয়ে যাবেন যেগুলির সেভিং একাউন্টে টাকা রাখার জন্য ৫% থেকে ৬.৫% পর্যন্ত ইন্টারেস্ট দেওয়া হয়। তাই, আমার হিসেবে যেখানে ইন্টারেস্ট এবং রিটার্ন বেশি, সেখানেই টাকা রাখা দরকার।

৪. বিদ্যুৎ এর খরচ কমান:

যদি ভালো করে চিন্তা ভাবনা করে দেখেন, তাহলে বুঝতে পারবেন যে বিদ্যুৎ সেভ করা টাকা সেভ করার মতো সমান। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন, যারা প্রয়োজন না থাকতেও ঘরের ফ্যান, লাইট, এসি, টিভি, হিটার, ইত্যাদি চালিয়ে রাখেন।

অনেকেই আছেন যারা ঘরে ঢোকার সাথে সাথেই AC চালু করে নেন। তবে যদি আপনার মধ্যেও এই বদভ্যাস গুলি আছে, তাহলে অর্থ সঞ্চয় করতে হলে আপনাকে এগুলি পরিবর্তন অবশই করতে হবে।

এক্ষেত্রে আপনাকে সব সময় ধ্যান রাখা দরকার যে অকারণে লাইট, ফ্যান, এসি ইত্যাদি যাতে চালানো হয়। এছাড়া, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার একটি অনেক কার্যকর উপায় হলো, সাধারণ লাইট এর বিপরীতে LED bulb-এর ব্যবহার করা।

কারণ, সাধারণ বাল্বের তুলনায় একটি এলইডি বাল্ব খুবই সাশ্রয়ী এবং আপনার প্রচুর টাকা সেভ করতে পারে।

৫. অনলাইনে কেনাকাটা করুন:

আপনি যদি নিজের প্রতিদিনের খরচ গুলি কমানোর মাধ্যমে কিছু অতিরিক্ত টাকা জমানোর উপায় গুলি খুঁজছেন, সেক্ষেত্রে অনলাইনে কেনাকাটা করার বিষয়টা সত্যি আপনার অনেক কাজে লাগতে পারে।

অনলাইনে কেনাকাটা করার মাধ্যমে কিভাবে টাকা সেভ করা যাবে চলুন নিচে বিস্তারিত জেনেনেই।

Amazon, Flipkart, Snapdeal, ইত্যাদির মতো জনপ্রিয় e-commerce website গুলি আমাদের নানান মাধ্যমে ক্যাশব্যাক অফার গুলি দিয়ে থাকে।

এছাড়া, কিছু নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক এর ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে পেমেন্ট করলে, উচ্চ পরিমানে ক্যাশব্যাক ও ডিসকাউন্ট অফার গুলিও আপনি পেয়ে যেতে পারবেন।

অনলাইনে জিনিস কেনার আরেকটি সুবিধা রয়েছে। অনলাইনে আপনারা একাধিক e-commerce website গুলি পাবেন যেগুলিতে একই ধরণের পণ্য গুলি বিক্রি করা হয়।

এক্ষেত্রে, আপনি আপনার পছন্দের পণ্যটি কেনার আগে একাধিক ওয়েবসাইটে গিয়ে দামের মধ্যে থাকা পার্থক্য দেখে নিতে পারবেন। এবার, যেই সাইটে পণ্যটি কম দামে পাবেন সেখান থেকে কিনুন এবং টাকা সেভ করুন।

বেশিরভাগ অনলাইন ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলিতে Interest-Free EMI বা Zero Interest EMI-এর সুবিধা আপনারা পাবেন, যেখানে কোনো অতিরিক্ত টাকা না দিয়েই জিনিস গুলি মাসে মাসের EMI দিয়ে কিনে নিতে পারবেন।

৬. অফার ও ডিলের প্রতি আকৃষ্ট হবেন না:

কোম্পানি গুলির দ্বারা দিয়ে দেওয়া নানান ডিল এবং অফার গুলি মূলত এক ধরণের মার্কেটিং কৌশল, যার দ্বারা কোম্পানি তার বিক্রয় বাড়িয়ে নিতে পারে। তাই, প্রয়োজনের থেকে অধিক কেনাকাটা করার থেকে নিজেকে আটকে রাখতে পারলে, আপনি অনেক টাকা সেভ করতে ও জমাতে পারবেন।

উদাহরণ সরুন, ধরুন আপনি নিজের জন্য একটি শার্ট কিনতে গেছেন, কিন্তু হঠাৎ দেখলেন দুটি শার্ট কিনলে আপনাকে আরেকটি শার্ট ফ্রীতে দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ লোকেরাই নিজের বাজেটের বাইরে গিয়ে দুটি শার্ট কেনার কথা ভাববেন।

মূলত এভাবেই, নানান ডিল এবং অফারের লোভে আমরা অপ্রয়োজনীয় খরচ গুলি করে থাকি। আর যদি আপনি প্রতি মাসে কিছু টাকা সেভ করে সেগুলিকে নিজের ভবিষ্যতের জন্য জমিয়ে রাখতে চাইছেন, সেক্ষেত্রে নিজের খরচের উপর নিয়ন্ত্র রাখতে শিখতে হবে।

৭. আলাদা আলাদা জায়গায় ইনভেস্ট করুন:

অনেক সময়, কিভাবে টাকা জমাবো বা টাকা জমানোর নানান উপায় গুলির থেকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি প্রশ্ন আমাদের সামনে চলে আসে, এবং সেটি হলো, কোথায় টাকা জমালে তাড়াতাড়ি টাকা বাড়ানো যাবে। তাই তো?

নিয়মিত কিছু ফিক্সড এমাউন্টের টাকা দীর্ঘ সময়ের জন্য জমানোর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বড় অংকের টাকা আয় করার জন্য আপনাকে আলাদা আলাদা বিনিয়োগের মাধ্যম গুলি ব্যবহার করা উচিত।

যেমন ধরুন, Fixed Deposits, Post Office schemes, Mutual Funds, Share Market, ইত্যাদি।

মনে রাখবেন, Mutual Fund Scheme গুলিতে নিয়মিত ইনভেস্ট করার মাধ্যমে আমরা bank savings account, FD, RD, ইত্যাদির তুলনায় অনেক বেশি পরিমানে ইন্টারেস্ট ও রিটার্ন আয় করতে পারি।

একটি ভালো ইকুইটি মিউচুয়াল ফান্ড স্কিম, আমাদেরকে প্রায় ৯% থেকে ১৩% বা তার থেকেও অধিক ইন্টারেস্ট জমানো টাকার উপর প্রতি বছর দিতে পারে।

তাই, খালি টাকা জমলেই কাজ হবেনা, নিয়মিত সামান্য টাকা বিনিয়োগ করার মাধ্যমে অনেক তাড়াতাড়ি বড় অংকের টাকা জমানোর জন্য, কোথায় টাকা জমালে ভালো হবে, সেই বিষয়েও আপনাকে জ্ঞান রাখতে হবে।

৮. ঋণ এড়িয়ে চলুন:

মনে রাখবেন, ধার বা ঋণ এড়িয়ে চলতে পারলেই আপনি কিছু অতিরিক্ত টাকা জমিয়ে রাখার সুযোগ পাবেন। এমন অনেক ব্যক্তি আছে যারা প্রয়োজন না থাকতেও Tv, AC, Fridge, ইত্যাদির মতো নানান ইলেকট্রনিক জিনিস গুলি লোন নিয়ে কিনে থাকেন।

এবার, বছর কে বছর লোন এর EMI দিতে দিতেই সব টাকা শেষ হয়ে যায় এবং টাকা জমানোর বিষয়টা এতটা প্রয়োজন বলে মনে হয়না।

তাই আমি বরামর্শ দিবো, নিজের প্রয়োজন বুঝে জিনিস কিনুন এবং যতটা সম্ভব, লোন নিয়ে জিনিস কখনোই কিনবেননা। এতে ভারী ইন্টারেস্ট পরিশোধ করার পাশাপাশি আপনাকে নিজের পকেট থেকে প্রতি মাসে অতিরিক্ত টাকা গুলি EMI-তেই দিয়ে দিতে হবে।

এছাড়া, transaction charge, bounce charge, late payment charge, ইত্যাদি এই ধরণের নানান কারণে এক্সট্রা খরচ আপনার করতে লাগতে যদি আপনি লোন নিয়ে জিনিস কিনে থাকেন।

এর বাইরেও, মনে রাখবেন যাতে সব সময় credit card এর জায়গায় debit card দিয়েই যাতে শপিং করে থাকেন। কেননা, ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করার সময় বেশিরভাগ লোকেরাই নিজের সীমা ছাড়িয়ে নানান অপ্রয়োজনীয় জিনিস গুলি কিনে থাকেন।

কিন্তু মনে রাখবেন, credit card-ও কিন্তু এক ধরণের ঋণ যেটা আপনাকে ইন্টারেস্ট এবং নানান চার্জ সহ পরিশোধ করতেই হবে।

এভাবে, নিজের খরচের উপর নিয়ন্ত্রণ রেখে টাকা গুলি বাঁচিয়ে অতিরিক্ত টাকা গুলি আপনি নিয়মিত জমাতে পারবেন।

৯. ডিজিটাল গোল্ড কিনে রাখুন:

শোনা (Gold) হলো এমন একটি জিনিস যার দাম আসছে সময়ে বাড়বেই, কমবেনা।

এক্ষেত্রে আপনি যদি নিয়মিত অল্প অল্প করে শোনা কিনে রাখতে পারেন, তাহলে নিজের ইনভেস্টমেন্ট এর উপরে ভবিষ্যতে ভালো মানের রিটার্ন লাভ করতে পারবেন।

কিন্তু, শোনার দোকানে গিয়ে কি ৫০০ টাকার শোনা কিনে রাখা যাবে?

দোকানে গিয়ে এতটা কম পরিমানে শোনা কেনা যাবে কি না, সেটা তো আমি জানিনা। তবে, একটি ভালো ডিজিটাল গোল্ড ইনভেস্টমেন্ট প্লাটফর্ম থেকে আপনি চাইলে ১০০ টাকা দিয়েও শোনা কিনে রাখতে পারবেন।

ডিজিটাল গোল্ড হিসেবে করা আপনার ইনভেস্টমেন্ট গুলি আপনি অনেক সহজেই নগদে রূপান্তর করতে পারবেন। এছাড়া এই ডিজিটাল গোল্ড প্ল্যাটফর্মগুলি পিনাক সহজেই অনলাইনে গোল্ড বিনিয়োগ, ক্রয়, বিক্রয় এবং পরিচালনা করার সুবিধা প্রদান করে থাকে।

এক্ষেত্রে, ডিজিটাল ভাবে শোনা কিনে রাখতে চাইলে আপনারা, Google Pay, Paytm, PhonePe, Amazon Pay, Airtel Payments Bank, ইত্যাদির মতো প্লাটফর্ম গুলি ব্যবহার করতে পারবেন।

শেষ কথা,,

তাহলে আশা করছি, আমাদের আজকের আর্টিকেলের মধ্যে দিয়ে দেওয়া নানান টাকা জমানোর উপায় গুলি আপনাদের কাজে অবশই লাগবে। আমাদের আজকের আর্টিকেলের সাথে রিলেটেড কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে, নিচে কমেন্ট করে অবশই জানিয়ে দিবেন।

অবশই পড়ুন: কিভাবে কম সময়ে বেশি টাকা ইনকাম করা যায়?

 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top