0

জানেন সিভি লেখার নিয়ম এবং CV কিকরে তৈরী করবেন (Best Answer)

Biodata বা CV তখন অনেকটা প্রয়োজন হয় যখন নাকি আমরা কলেজ শেষ করে কোনো জব বা চাকরির খোঁজে বেরহই। চাকরি যেটাই হোক, আপনার ওই চাকরি পাওয়ার জন্য নিজের একটা সিভি বানিয়ে প্রথমে সেটা কোম্পানিতে জমা দিতে হয়। আর, এই একমাত্র সিভি দেখেই কোম্পানির লোকেরা আপনার বিষয়ে জানেন আর এটাও নির্ধারিত করেন যে আপনাকে ইন্টারভিউ দেয়ার জন্য ডাকা হবে কি না। তাই একটা আকর্ষিত এবং সোজা সিভি বানানোর অনেকটাই প্রয়োজন। এতে, সেটা পড়ে আপনার personal, qualificational, experience আদি details এর বিষয়ে অনেক ভালোকরে যেকেউ বুঝেযেতে পারে। আর, তারজন্যই আপনার “সিভি লেখার নিয়ম” এবং “সিভি কিভাবে তৈরি করবেন” সেটা অনেক ভালোকরে জেনেনিতে হবে।

How to write or create a CV ..?

এই পোস্টটিতে আমি আপনাদের, CV লেখার নিয়ম, একটি CV বা biodata তে কি কি লিখতে হবে এবং একটি আকর্ষিত সিভি কিকরে নিজেই বানিয়ে নিতে পারবেন এগুলির বিষয়ে বলবো। আর আপনি এটাও জেনে রাখুন, সিভি বা বায়োডাটা বানানোর জন্য আপনার কোনোখানে যাওয়ার কোনো দরকার নেই। আপনি অতি সহজে নিজের মোবাইলে বা কম্পিউটারে একটি CV বানিয়ে তাকে ব্যবহার করতে পারেন। এইবেপারে আমি আপনাকে নিচে বুঝিয়ে বলবো। কিন্তু চলেন, এখন আমরা “সিবি কিকরে তৈরী করতে হয় তার নিয়ম এবং সিভিতে কি কি লিখবেন সেগুলি জেনেনি।

সিভি লেখার নিয়ম গুলো কি এবং CV তে কি কি লিখতে হয় ?

একটা সিভি বা বায়োডাটা তৈরী করার সেরকম কোনো বাঁধা ধরা নিয়ম নেই। কিন্তু হে, একটি সিভিতে কি কি লিখবেন সেটা অনকেকটাই দরকারি জিনিস। কারণ, আপনার বানানো বায়োডাটা দেখেই আপনার বেপারে বোঝাযাবে। আর, যদি আপ্নে কোনো job interview র জন্য নিজের cv তৈরী করছেন, তাহলে তাতে যদি আপনার বিষয়ে দরকারি জিনিসগুলো লেখাই না থাকে তাহোলে কোম্পানির লোকেরা আপনার ওপরে ইন্টারেস্টেড থাকবেনা। তাতে হবে এইটা যে, যারা নিজের সিভি ভালোকরে নিজের সব দরকারি details সহ বানিয়েছেন, তাদের ওপর কোম্পানির লোকেরা ইন্টারেস্টেড থাকবেন এবং তাদেরকেই interview দেয়ার জন্য ডাকবেন।

তাহলে, এখন প্রশ্ন হলো – একটা আকর্ষিত আর জরুরি details সহ সিভি কিভাবে তৈরী করবেন ? নিজের সিভিতে এমন কি কি লিখবেন যে কোম্পানির লোকেরা আপনার প্রতি ইন্টারেস্টেড হন এবং আপনাকে personal interview তে ডাকবে।

নিজের সিভিতে কি কি লিখবেন ?

যেমন আমি ওপরে বোল্লাম, job apply করার সময় আপনার biodata বা cv অনেকটা দরকারি ভূমিকা পালন করেন। আর তাই, এইটা অবশই মনে রাখবেন যাতে আপনার সিভিতে সেই সব দরকারি ভাগগুলো থাকে যেগুলি কেবল একটা বা দুটো page এই আপনার বেপারে বেশি চে বেশি তথ্য দিতে পারে। এতে, আপনার পটভূমির বেপারে কোম্পানির লোকেরা অনেক সহজে জেনেনিতে পারবেন আর আপনাকে interview দেয়ার জন্য ডাকতে তাদের কোনোৰক অসুবিধা হবেনা।

চলেন এখন আমরা সরাসরি এইটা জেনেনেই, সিভিতে কোনগুলি ভাগ থাকতে হয় বা কি কি লেখার প্রয়োজন।

১. Make simple resume / cv : আমি প্রথমেই আপনাকে বলেদেয়, কোনোদিন জটিল ভাবে সিভি বানাবেননা। যতটা হয়, সহজ, সরল এবং সাধারণভাবে সিভি বানাবেন। এর কারণ, আপনার বানানো resume যদি জটিল হয়, তাহলে সেটা পোড়ে কোম্পানির লোকেরা বা যে তাকে পড়ছে সে আপনার বিষয়ে ভালোকরে জানতে পারবেনা। এতে, যারা নিজেদের সিভি অতি সহজ এবং সরলভাবে বানিয়েছেন তাদেরকেই interview দেয়ার জন্য ডাকা হবে।  কারণ, সহজ এবং সরল সিভির দ্বারা জেকেও আপনার job profile, skills, education এবং qualification, interest আদি জিনিসের বেপারে জেনেনিতে পারে।

২. Objective: objective মানে উদ্দেশ্য, এই ভাগটি আপ্নে নিজের সিভির শুরুতেই রাখুন এবং নিজের উদ্দেশ্যর বিষয়ে লিখুন। আপ্নে, এখানে এইটা লিখুন যে যদি আপনাকে job টি দেয়া হয় তাহলে আপ্নে কিভাবে নিজের কাজ এবং দায়িত্ব পুরা করবেন। এখানে কেবল ৩ থেকে ৪ লাইনেই নিজের কোম্পানির, কাজের এবং কর্তবর জন্য আপ্নে কি করবেন তা লিখুন।

৩. Personal strength: এখানে আপ্নে নিজের personal strength এর বেপারে লিখুন। মানে, কাজের দিকদিয়ে নিজের সামর্থ এবং ক্ষমতার বিষয়ে লিখুন। উদাহরণ স্বরূপে: আপনার communication skills (যোগাযোগ দক্ষতা) ভালো কি না, কাজের সংশ্লিষ্ট চাপ আপ্নে নিতে পারবেন কি না এবং আপ্নে কতটুকু সময়নিষ্ঠ তা লিখুন। এতে আপনার একটা positive প্রভাব এবং কাজে সক্রিয়তার ভাব নিয়োগকর্তার (employer) চোখে পর্বে।

৪. Work experience: work experience বা কর্মদক্ষতা একটি চাকরি পাওয়ার জন্য অনেকটাই প্রয়োজনীয় ভাগ। আপনার work experience দেখেই বেশিভাগ employer (নিয়োগকর্তারা) আপনাকে অন্যদের থেকে ওপরে রাখেন এবং তাই আপনার সেই চাকরিটি পাওয়ার সুযোগ বেড়েযায়। যদি আপ্নে fresher বা আগে কখনো কোনো চাকরি করেননি, তাহলে কথা আলাদা। কিন্তু, যদি আপ্নে আগে কোনোখানে job করেছেন, তাহলে সেটা “work experience” এর ভাগে নিশ্চই লিখুন। এ আপনার অনেক সহায় করবে।

৫. Education & qualification: নিজের personal strength এবং work experience এর বিষয়ে লেখার পর, সবেরথেকে জরুরি ভাগ “আপনার শিখ্যাবিষয়ক এবং যোগ্যতা” বিষয়ে লিখুন। যেকোনো কোম্পানিতে চাকরি পাওয়ার জন্য, আপনার education এবং qualification কতটা সেটা অনেকটাই নির্ভর করে। তাই নিজের স্কুল থেকে শুরুকরে আপ্নে যা যা ডিগ্রী নিয়েছেন বা পড়েছেন, তার বিষয়ে সহজভাবে লিখুন। উদাহরণ স্বরূপে, কোন স্কুল বা কলেজ থেকে পড়েছেন, কি কি ডিগ্রী আপনার কাছে আছে এবং final exam গুলিতে কত কত marks পেয়েছে সেটা ভালো করে লিখেদেন।

৬. Personal information: এই ভাগটিতে আপ্নে নিজের বিষয়ে ৩ থেকে ৪ লাইন লিখুন। এখানে আপ্নে নিজের বেপারে যেমন, আপনার ঘর কোথায়, আপ্নে কি করে ভালো পান, আপনার hobby, interest কিসে এবং আপনার passion কি এরকম কয়েকটি কথা নিজের বেপারে লিখুন। এতে, ব্যক্তিগত ভাবে আপ্নে কিরকম সেটা নিয়োগকর্তারা বুঝতে পারবেন।

৭. Final declaration: “ফাইনাল ডিক্লারেশন (শেষ ঘোষণা)” এই ভাগটি সিভির একদম শেষ অংশতে লিখতে হয়। এখানে আপনার এইটা ঘোষণা কোরে লিখতে হবে যে, ওপরে আপ্নে নিজের যা যা personal, qualificational & educational, work experience আদিৰ বিষয়ে লিখেছেন সেগুলি সব আপনার মতে ঠিক এবং details গুলো যে সঠিক তার দায়ী আপ্নে নিয়েছেন।

৮. Name & date: এখন আপনার সিভি লেখা পুরোপুরি হয়েগেছে। কিন্তু, নিজের সিভিটি আকর্ষণীয় এবং সঠিকভাবে বানানোরজন্য সিভির শেষে “Date “, “place” এবং “নিজের নামটি” এক এক করে লিখুন। তারপর, নিজের নামের ওপরে একটা signature (স্বাক্ষর) করুন। বাস, এখন আপনার চাকরির জন্য নিজে বানানো সিভি রেডি।

তো বনধুরা, আমি আপনাদের ওপরে সিভি লেখার নিয়ম কি বা সিভি তৈরি করার সময় কি কি লিখতে হয় তার বেপারে বললাম। ওপরে দেয়া ভাগগুলো দিয়ে যদি আপ্নে নিজের সিভি তৈরী করেন তাহলে সেটা অবশই আপনার চাকরির জন্য অনেক লাভদায়ক হবে।ওপরে দেবা ভাগগুলির দ্বারা নিয়োগকর্তারা আপনার ব্যক্তিগত, শিক্ষা, দক্ষতা, কাজের অভিজ্ঞতা আদি জরুরি জিনিষগুলি সহজে জেনেনিতে পারবেন। আর তাই, ইন্টারভিউতে ডাকার জন্য বা চাকরি দেয়ার জন্য তাদের অন্য কিছু জানার দরকার পড়বেনা।

এখন, সিভি লিখার নিয়ম জানার পর চলেন সিভি কিকোরে বানানো যায় তা নিচে জেনে নেই।

একটি সিভি কিকরে তৈরী করবেন বা বানাবেন ?

আমি আপনাদের আগেই বলেছি, cv বা biodata বানানোর জন্য আপনার কোনোখানে যাওয়ার দরকার নেই। হে, আপ্নে নিজের ল্যাপটপ, কম্পিউটার বা মোবাইল থেকেই একটি সিভি বানিয়ে নিতে পারবেন। আজ টেকনোলজি এতো ফাস্ট এবং অ্যাডভান্সড হয়ে গেছে যে, সবকিছু ইন্টারনেট, মোবাইল এবং কম্পিউটার দ্বারা আমরা করেনিতে পারি। আর তাই, আমি আপনাদের নিচে সিভি বানানোর ৩ টি সহজ এবং মজার idea দিবো।

১. Microsoft word এ সিভি বানান:

আপনার বা আপনার কোনো friend এর ঘরে যদি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থাকে, তাহলে তাতে আপনি অনেক সোজা ভাবে একটি resume বা cv বানিয়ে নিতে পারবেন। Computer বা ল্যাপটপটিতে microsoft word বা যেকোনো text editor software থাকলেই তাতে resume বানিয়ে নেয়া যাবে।

সিভিটিতে আপনি সাধারণভাবে আমি ওপরে যা যা ভাগ লিখতে বলেছি সেগুলি লিখুন। বাস, সেগুলি লিখলেই আপনার সিভি তীরে হয়ে যাবে। তো, বুঝলেনতো নিজের কম্পিউটার বা ল্যাপটপে যদি কোনো টেস্ট এডিটর বা microsoft word থাকে তাহলে নিজেই একটি সিভি বানিয়ে নেবা কতোটা সোজা।

নিচে আমি আপনাকে microsoft word বা যেকোনো টেক্সট এডিটরে সিভি কিভাবে লেখবেন তার নমুনা দিয়ে দিচ্ছি। আপ্নে এইটা দেখেও idea নিতে পারেন।

Cv লেখার নমুনা: 

 RESUME 

(নিজের  ফটো লাগান।)

 

Name – Rahul Das                                                                                                 

Address – নিজের এড্রেস লিখুন 

Contact No.-  ৪০২৪৫৪৩**

Email ID – নিজের মেইল id দেন।

 

(এবার নিচে, আমি ওপরে যেগুলি ভাগ লিখতে বলেছি সেগুলির বিষয়ে এক এক করে নিচে লিখুন।)

objectijective:

কোম্পানির জন্য আপ্নে কি করতে পারবেন বা নিজের কাজ আপ্নে কিভাবে করবেন তার বিষয়ে লিখুন।

Personal Strength:

নিজের কাজের প্রতি আপ্নে কতোটা সক্রিয় এবং positive (ধনাত্মক) এবং আপনার কি কি গুন্ আছে তা লিখুন। এমন গুনের বিষয়ে লিখুন যেগুলি আপনার চাকরিতে বা কাজে আসে।

Work experience:

নিজের পুরোনো কাজের বেপারে লিখুন যদি ছিল তাহলে।

Educational Qualification:

নিজের পড়াশুনা এবং degree র বিষিয়ে লিখুন। আপ্নে কি কি ডিগ্রী নিয়েছেন বা কি কি পড়েছেন।

Personal information:

নিজের personal (ব্যক্তিগত) জীবনের কিছু জরুরি কথা লিখুন। এবেপারে আমি ওপরে বলেছি যে কি লেখা দরকার।

Final declaration:

এখানে final declaration অংশ লিখুন যেভাবে আমি ওপরে বলেছি।

 

Date: এখানে আজকের date লিখুন।

Place: জায়গার নাম লিখুন।

এখানে স্বাক্ষর করুন 

(আপনার নাম লিখুন)

 

ব্যাস, উপরে দেবা সিভির নমুনা টি দেখে নিজের cv বানানোরপর আপ্নে সেটা প্রিন্ট বেরকরে hard copy জমা দিতে পড়ুন বা বানানো সিভির ফাইলটি direct email ও করতে পারেন। আপনার ঘরে যদি computer বা laptop নেই, তাহলে যেকোনো computer cafe তে গিয়েও এরকম একটি CV বানাতে পারবেন।

২. Online ওয়েবসাইটে সিভি বানান

যদি আপ্নে নিজে সিভি লেখার ঝামেলা নিতে চাননা, তাহলে কোনো কথা নেই। কোনো কিছু না লেখে একদম সহজে একটি সিভি বানিয়ে নেওয়ার আরেকটি উপায় হলো “Online cv maker website“. হে, আপ্নে ঠিক শুনেছেন। Online ইন্টারনেটে এমন কিছু ওয়েবসাইট আছে যেগুলিতে গিয়ে আপ্নে নিজের বায়োডাটা বানাতে পারবেন। সেখানে আপ্নে simple (সোজা) এবং stylish আর আকর্ষণীয় সিভি বানাতে পারবেন। ওপরে আমি সিভিতে লেখা জরুরি যা যা ভাগগুলোর কথা বলেছি সে সবই আপ্নে পেয়েযাবেন।

আপনার খালি এটাই করতে হবে যে, cv maker website গুলিতে গিয়ে যা যা ভাগ থাকবে তাতে নিজের সঠিক details দিতে হবে। আপ্নে নিজের ছবি আপলোড কোরে সিভিতে সেই ছবি লাগাতে পারবেন। এবার details এবং ছবি দেবারপর আপনার তৈরী হওয়া সিভিটি আপ্নে নিজের computer বা laptop এ ডাউনলোড করেনিতে পারেন। আর তারপর, সেই সিভির ফাইল থেকে প্রিন্ট বের করেন বা তাকে directly e -mail এ পাঠিয়ে দেন।

কিছু online cv maker website এর নাম হলো –

  • Shreresume.com – এখানে আপ্নে অনেকরকমের style এবং format (বিন্যাস) এর resume বা cv বানাতে পারবেন একদম ফ্রি তে।
  • Resume.com – এটি আরেকটা অনলাইন ফ্রি সিভি মেকার ওয়েবসাইট যে আপনাকে advanced (অগ্রসর) রকমের বায়োডাটা বানাতে সহায় করে।
  • Canva cv maker – এখানেও আপ্নে ফ্রি এবং advanced রকমের সিভি বানাতে পারবেন। canva cv maker ওয়েবসাইট আপনাকে কনেকরকমের সিভির নমুনা (format) দেবা হয়। আপনার যেরকম style নমুনা পছন্দ হয় আপ্নে তাকে select কোরে নিজের সিভি বানিয়ে নিতে পারেন।
  •  Cvmaker – এখানেও আপনি অনেক রকমের stylish নমুনা সহ নিজের বায়োডাটা বানিয়ে নিতে পারেন।

তো বন্ধুরা, যদি আপনারা সিভি কিকরে বানাবো এবং বায়োডাটা কিভাবে বানানো যাই তা ভাবছেন, তাহলে ওপরে দেওয়া ওয়েবসাইট গুলিতে যান আর নিজের একটা ফ্রি এবং আকর্ষিত সিভি বানিয়েনিন।

৩. বায়োডাটা বা সিভি বানানোর apps

যদি আপনার কোনো computer বা laptop নেই তাহলে চিন্তা করনেননা। কারণ, Google playstore এ আপনার সব সমস্যার একটি সমাধান দেয়ার জন্য apps রয়েছে। তো, সহজ ভাষাতে বললে আপনি একদম সহজেই নিজের Android মোবাইল থেকে একটি আকর্ষিত সিভি বানাতে পারবেন apps ব্যবহার করে। হে, এরকম অনেক apps রয়েছে যেগুলি আপনাকে এরকম সিভি বানিয়ে দিবে জেনাকে কোনো কম্পিউটারের ক্যাফে বা এক্সপার্ট বানিয়ে দিতে পারবেনা।

ব্যাস, আপনার এতটুকুই  করতে হবে যে app গুলি Google play store থেকে ডাউনলোড করে নিজের মোবাইল ইনস্টল করুন। তারপর, cv maker app খুলে তারথেকে সিভির অনেকরকম design, style এবং নমুনা select করে সিভি বানিয়েনেন। নিচে আমি আপনাকে ৩ টি best সিভি বানানোর apps এর নাম এবং লিংক দিয়েদিচ্ছি। এগুলি আপ্নে নিজের মোবাইলে ইনস্টল করে সিভি বানিয়েনিন।

মোবাইলে সিভি বানানোর Android apps 

এই apps গুলি আপ্নে ফ্রীতেই ডাউনলোড এবং মোবাইল ইনস্টল করেনিতে পারবেন।

Final words on topic,

তো বন্ধুরা, আশাকরি আমি আপনাদের “সিভি কিকরে লেখে তার নিয়ম ও নমুনা” এবং “একটি ফ্রি সিভি কীকরে বানাবেন” এইবেপারে ভালোকরে বুঝাতে পারলাম। যদি আপনার আমার এই আর্টিকেলটি ভালো লেগেছে, তাহলে আর্টিকেলটি নিশ্চই শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ।

BanglaTech

BanglaTech

Hello , আমি RAHUL DAS India থেকে। আমি ব্লোগ্গিং করে অনেক ভালো বেশি আর তাই আমি এই ব্লগটা বানিয়েছি। আমি একটা গ্রাজুয়েট commerce background থেকে যে ৯ থেকে ৬ office এ job করি । এই ব্লগটিতে আমি আমার নলেজ আপনার সাথে শেয়ার করবো। এখানে , ব্লোগ্গিং,ইন্টারনেট ট্রিকস, অনলাইন আর্নিং এর মতো জিনিস আপনারা পরতে পাবেন। ধন্যবাদ। ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *