লাভজনক ছোট ব্যবসার আইডিয়া – (কম টাকায় ব্যবসা)

ছোট ব্যবসার আইডিয়া (small business ideas in Bangla): আপনিও কি অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসা করতে চাচ্ছেন ? যদি হে, তাহলে এইটা মনে রাখুন যে কম টাকায় ব্যবসা করার অনেক উপায় বা আইডিয়া আমাদের কাছে রয়েছে। আজ অনেকেই এই ক্ষুদ্র ব্যবসার ধারণা নিয়ে বা করে নিজের জীবন চলাচ্ছেন।

ছোট ব্যবসার ধারনা
ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা

ছোট ব্যবসা বা ক্ষুদ্র বিজনেস আমরা সেই ব্যবসা গুলিকে বলি যেগুলিতে অনেক কম টাকা বা পুঁজির প্রয়োজন হয়।

কিন্তু, এইটা অবশই মনে রাখবেন যে, কম টাকায় আরম্ভ করা ছোট ব্যবসা সবসমই ছোট বা ক্ষুদ্র নাও থাকতে পারে।

ছোট হিসেবে শুরু করা আপনার ব্যবসা একদিন বড় ব্যবসা হয়ে উঠতেই পারে।

কিন্তু তার জন্য আপনার নিজের কাজের ওপর মন, কাজ করার ইচ্চা এবং ধর্য্য শক্তির প্রয়োজন হবে।

তাহলেই, আপনি নিজের ক্ষুদ্র বিজনেস কে অধিক লাভজনক ও বড় বানাতে পারবেন।

Also read –

এখন বেশি সময় নষ্ট না করে আমরা নিচে কম টাকায় ব্যবসা করার কিছু ছোট ব্যবসার আইডিয়া বা ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকার বিষয়ে জেনেনেই।

আর, যা আমি আগেই বলেছি এই business গুলি আপনি অনেক কম টাকা দিয়ে স্টার্ট করতে পারবেন।

লাভজনক ১০ টি ছোট ব্যবসার আইডিয়া – Small business ideas in Bangla

নিজের একটি ব্যবসা আরম্ভ করাটা সবাইর একটা স্বপ্ন বা ইচ্ছে অবশই থাকে।

কিন্তু, বেশিরভাগ লোকেরা ব্যবসার স্বপ্নটি পুরো করতে পারেনা টাকার অভাব বা সমস্যার জন্য।

আর তাই, আমি আপনাদের ১০ টি এমন ক্ষুদ্র ব্যবসার বিষয়ে বলবো যেগুলি আপনি অনেক কম পুঁজিতে আরম্ভ করতে পারবেন। আপনার নিজের একটি business এর স্বপ্ন এখন আর স্বপ্ন হয়ে থাকবেনা।

আপনার হাথে যতটাই টাকা আছে তা দিয়েই আপনি একটি ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

কারণ, কম টাকায় কি ব্যবসা করা যায়, কোনটি বেশি লাভের ব্যবসা বা কোনটা ভালো ব্যবসা তার ১০ টি ধারণা বা আইডিয়া আমি নিচে বলবো।

যদি আপনি ৯ থেকে ৬ office job করছেন তাহলে নিচে দেয়া business idea গুলির দ্বারা part-time business বা আয় করতে অবশই পারবেন।

এবং, যদি আপনি একটি student বা job করছেন এবং এখন নিজের একটি ব্যবসা কম পুঁজিতে start করতে চাচ্ছেন,

তাহলে নিচে দেওয়া বিজনেস গুলি থেকে যেকোনো একটি করতে পারেন।

নিচে আমি ১০ টি ক্ষুদ্র ব্যবসার ব্যাপারে বলছি যেগুলি আপনি অনেক কম টাকা দিয়ে যেকোনো সময় আরম্ভ করতে পারবেন।

১. মোবাইল রিপেয়ারিং (mobile repairing) ব্যবসা:

কম পুঁজিতে ব্যবসা
Mobile repairing business.

আজ মানুষের হাথে হাথে এবং ঘরে ঘরে smartphone আছে। আর, এই স্মার্টফোন  ফোন গুলি খারাপ নিশ্চই হয়।

তাই, আপনি যদি মোবাইল রিপেয়ারিং এর কাজটি শিখে একটি ছোট্ট দোকান দিয়ে বসতে পারেন তাহলে আপনি অনেকটাই মুনাফা আয় করতে পারবেন।

কারণ, মানুষ মোবাইল কিনবেই আর মোবাইল যিহেতু একটা electronic তাই ও খারাপ হবেই এবং মানুষ আপনার কাছে আসবেই।

মোবাইল রিপেয়ারিং এর কাজ শুরু করতে আপনার বেশি পুঁজির প্রয়োজন হবেনা। আপনার প্রথোম একটি মোবাইল রিপেয়ারিং এর course করতে হবে যেটা ৩ থেকে ৪ মাসেই হয়ে যাবে।

এবং, এই কাজ বা কোর্স করতে আপনার বেশি পয়সার প্রয়োজন নেই। কেবল ৩ থেকে ৫ হাজারে এই course করা যায়। আপনি যদি চান তাহলে YouTube এ ভিডিও দেখে ফ্রি তে mobile repairing এর কাজ শিখতে পারবেন।

এখন রইলো দোকান।

নিজের মোবাইল রিপেয়ারিং ব্যাবসা জন্য আপনার একটি দোকানের প্রয়োজন হবে।

মোনে রাখবেন, ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনার বেশি বড় দোকানের প্রয়োজন হবেনা।

কেবল নিজের কাজ টুকু করার মতো একটি ছোট্ট দোকান নিলেই হবে।

তাই, এখানেও আপনার বেশি টাকার প্রয়োজন নেই।

এখন, course করার এবং নিজের দোকান নেয়ার পর আপনার টাকার প্রয়োজন হবে যন্ত্র পাতি কেনার জন্য।

Mobile repairing এর কাজ করার জন্য আপনার কিছু যন্ত্র পাটির প্রয়োজন অবশই হবে, যেগুলি ২ থেকে ৩ হাজার টাকার ভেতরে এসেযাবে।

তাই, এই মোবাইল রিপেয়ারিং এর ব্যাবসা আপনি ১০ হাজার টাকার ভেতরে আরম্ভ করে মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।

মোবাইল রিপেয়ারিং এর এই ছোট ব্যবসার ধারনা আপনাকে প্রচুর ইনকামের সুযোগ করে দিতে পারে।

২. ফুলের দোকানের business (flower shop)

আজকাল সেই business তাড়াতাড়ি চোখে পড়ে বা তাড়াতাড়ি success হয় যেগুলি অনন্য (unique) এবং মার্কেটে খুব কম পরিমানে রয়েছে সাথে যেগুলির চাহিদা (demand) অনেক বেশি।

সেরকমই, ফুলের দোকানের ব্যবসা খুব কম লোকেরা করছেন, এবং এই ব্যবসার চাহিদাও অনেক রয়েছে।

তাই, আপনি অনেক রকমের ফুল গাছ এবং ফুল নিজের দোকানে রেখে সেগুলি বিক্রি করতে পারেন।

মানুষে বিয়ে, জন্মদিন বা যেকোনো উপলক্ষতে ফুল বা ফুল দিয়ে সাজানো ফুলের তোড়া দিয়ে অনেক ভালো বসেন।

আর তাই, এই রকমের উপহার আজকাল অনেক জনপ্রিয়।

আপনি, অনেক কম টাকা লাগিয়ে একটি flower shop খুলে তাতে অনেক রকমের ফুলের তোড়া বানিয়ে সেগুলি বিক্রি করতে পারেন।

এই ব্যবসাটি অনেক কম লোকেরা করে আর তাই এর চাহিদা বেশি এবং এতে আপনি কম সময়ে সফল হতে পারবেন।

ফুলের দোকান এর business করতে আপনার বেশি টাকার প্রয়োজন হবেনা।

আপনার, কেবল একটি ছোট্ট দোকান নিতে হবে এবং অনেক রকমের ফুল নিয়ে বসতে হবে।

বাকিটা আপনার হাতের কাজ এবং বুদ্ধির ওপরে নির্ভর করবে।

এক একটি ফুলের তোড়া আপনি বানিয়ে নিজের মন মতো দাম দিয়ে বিক্রি করতে পারবেন।

এই ফুলের দোকানের ব্যবসা কম টাকাতে অনেক লাভের ব্যবসা হয়ে দাঁড়াবে।

৩. অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট বানিয়ে ব্যবসা

ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকা

এইটা তো জানেন যে আজকাল বেশিরভাগ লোকেরা অনলাইন ওয়েবসাইটে গিয়ে জিনিস কেনা কাটা করতে ভালো বাসে।

কারণ, online shopping ওয়েবসাইটে কম খরচে ভালো জিনিস পাওয়া যায় এবং জিনিস লোকেরা করে বসেই পেয়ে যায়।

এই ব্যবসা যদি আপনি ভালোকরে করতে পারেন তাহলে আপনি খুব কম সময়ে অনেক ইনকাম করতে পারবেন।

তাই, আপি যদি কম খরচে লাভের ব্যবসা করতে চান, তাহলে অনলাইন shopping store বা shopping website বানাতে পারেন।

শপিং ওয়েবসাইট বানাতে আপনার বেশি খরচ হবেনা।

আপনি কোনো website developer কে দিয়ে ১০ হাজারে একটি শপিং স্টোর বানিয়ে নিতে পারবেন।

তা ছাড়া, আপনি নিজেই WordPress এর মাধ্যমে একটি ফ্রি শপিং ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারবেন।

WordPress এর দ্বারা একটি ফ্রি online shopping website কিভাবে বানাবেন তা জানার জন্য আপনি YouTube এ গিয়ে ভিডিও দেখে শিখতে পারবেন।

নিজের অনলাইন shopping ওয়েবসাইট বানানোর আগে আপনার product এর বেপারে ভাবতে হবে।

মানে, আপনি অনলাইন কি বিক্রি করতে চান, তা আগেই ভেবে নিতে হবে।

আপনি একটি বা অনেক সামগ্রী (product) নিজের স্টোরে বিক্রি করতে পারবেন।

খালি এতটুকু মনে রাখবেন,

আপনি যা সামগ্রী নিয়ে ব্যবসা করবেন তার চাহিদা থাকতে হবে এবং সেই সামগ্রীতে লাভ থাকতে হবে।

এর বাইরে, অল্প marketing এবং বুদ্ধি লাগিয়ে আপনি নিজের অনলাইন শপিং ওয়েবসাইটটি মানুষের মধ্যে প্রচার করতে হবে।

এরকম অনলাইনে সামগ্রী বিক্রি করে আজ, flipkart, amazon এবং snapdeal এদের মতো shopping ওয়েবসাইট গুলি আজ কোটি কোটি টাকা কমিয়ে নিয়েছে।

তাই, আপনিও যদি কিছু লাভের এবং নতুন রকমের business আইডিয়া খুঁজছেন,

তাহলে অনলাইন শপিং ওয়েবসাইটের দ্বারা জিনিস বিক্রি করার ব্যবসা আপনার জন্য লাভদায়ক হতে পারে।

আপনি, YouTube এ গিয়ে ভিডিও দেখে এই business এর ব্যাপারে সবটাই জেনে নিতে পারবেন।

আজকের যুগে, এই online শপিং ওয়েবসাইট ব্যবসা আপনার সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হিসাবে দেখা দিতে পারে।

4. Blogging দ্বারা অনলাইন ব্যবসা

small business ideas in Bangla

আপনি যদি ঘরে বোসে অনলাইন business করতে চান তাহলে blogging বিজনেস আপনার জন্য অনেক ভালো একটি বিজনেস প্রমাণিত হবে।

আজ, লক্ষ লক্ষ লোকেরা কেবল একটি ব্লগ বানিয়ে নিজের ঘরে বোসে কাজ কোরে টাকা আয় করছেন।

কেবল টাকা আয় করাটাই বোরো কথা না, কিন্তু আপনি blogging এর মাধ্যমে ঘরে বোসে অনলাইন আয় করতে পারবেন।

আর, যদি আপনার ব্লগ লোকেদের ভালো লাগে এবং ব্লগ টি যদি success হয়ে যায়, তাহলে আপনি ভাবতেও পারবেননা যে কতটা ইনকাম আপনার হবে।

আসলে, ব্লগ থেকে আয় করাটা অনেক সোজা যদি আপনি তাকে ভালোকোরে করতে পারেন।

আপনার একটি ব্লগ বানাতে হয় যেটা আপনি blogger ওয়েবসাইট থেকে ফ্রি তে বানিয়ে নিতে পারবেন।

তারপর আপনার নিজের ব্লগে আর্টিকেল লিখতে হবে।

আপনি যেকোনো জিনিসের বিষয়ে লিখতে পারবেন আপনার যা ভালো লাগে এবং লোকেদের যা ভালো লাগে।

যখন আপনি ভালো ভালো আর্টিকেল নিজের ব্লগে লিখবেন তখন google এবং yahoo র মতো সার্চ engine থেকে আপনার ব্লগে ভিসিটর্স বা ট্রাফিক আসবে।

আর, যখন একটু ভালো সংখ্যাতে আপনার ব্লগে traffic বা visitors আসবে তখন আপনি Google AdSense এর দ্বারা নিজের ব্লগে বিজ্ঞাপন লাগিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

আজ বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার লোকেরা ব্লগ এবং Google AdSense এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা কমিয়ে নিচ্ছে।

Blogging business জেকেও করতে পারে।

আপনি যদি student, housewife, retired বা part-time টাকা আয় করতে চান আপনি ব্লগ বানিয়ে তাকে business হিসেবে part-time বা full-time করতে পারবেন।

এতে আপনার বেশি টাকার কোনো প্রয়োজন নেই। আপনি এই অনলাইন ব্যবসাটি এক টাকা খরচ না করেই আরম্ভ করতে পারবেন।

Blogging এর বেপারে অধিক জন্য আপনি আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়েন – ব্লগ মানে কি ? ব্লগ থেকে কিভাবে আয় করবেন 

৫. YouTube চ্যানেল দ্বারা ব্যবসা

যদি আপনি অনলাইন ব্যবসা করতে চাচ্ছেন তাহলে YouTube চ্যানেল বানিয়ে তাকে একটি ভালো business হিসেবে নিয়ে কাজ করতে পারবেন।

ব্লগের মতোই ইউটিউবে চ্যানেল বানিয়ে তাতে ভিডিও আপলোড করে আপনি ঘরে বোসে টাকা আয় করতে পারবেন।

এই business এ আপনি কোনো পুঁজি না লাগিয়েই নামতে পারবেন।

বাস, আপনার নিজের ট্যালেন্ট এবং ভালো ভালো ভিডিও বানানোর যোগ্যতা থাকতে হবে।

YouTube চ্যানেল বানিয়ে তাতে ভিডিও আপলোড করে লোকেরা লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে।

কিন্তু, মনে রাখবেন এই ব্যবসা থেকে টাকা আয় করার জন্য আপনার কিছু সময় দিতে লাগবে।

আপনি যদি অল্প সময় দিতে পারেন, ভালো ভালো ভিডিও বানিয়ে নিজের চ্যানেলে আপলোড করতে পারেন তাহলে আপনার ইনকাম করার chance হয়ে উঠবে।

আর, তার পর থেকে আপনি ভালো টাকা আয় করতে পারবেন।

কিভাবে ইউটিউবে থেকে টাকা আয় করা যায় ? জানুন এখানে।

৬. মোবাইল রিচার্জের (Recharge) দোকান

আপনি যদি অনেক কম টাকায় ব্যবসা করার কথা ভাবছেন, তাহলে একটি ছোট্ট মোবাইল রিচার্জ দোকান শুরু করতে পারেন।

আজকাল, মানুষের হাথে হাথে মোবাইল আছে এবং তারা দোকানে গিয়ে রিচার্জ অবশই করবে।

তাই, আপনি এই business টি অনেক কম পুঁজিতে এবং অনেক ছোট দোকান নিয়ে আরম্ভ করতে পারবেন।

আপনার মোবাইল রিচার্জের দোকান দিতে কেবল ১০ থেকে ১৫ হাজার খরচ হতে পারে।

আপনি সব network কোম্পানির রিচার্জ কার্ড রাখার সাথে সাথে prepaid এবং postpaid sim বের কোরানুর কাজ করতে পারেন।

এতে আপনার extra ইনকাম হবে।

তা ছাড়া, postpaid বিল জমা কোরানু, মোবাইলের cover, head phone এবং মোবাইলের কিছু মাল পত্র (accessories) নিজের দোকানে রাখতে পারেন।

যখন আপনার দোকান থেকে ইনকাম হওয়া শুরু হবে তখন ছোট খাটো মোবাইল এবং আরো অন্য মাল পত্র দোকানে রাখা শুরু করেদিবেন।

৭. Ice-cream parlor এর দোকান

Start ice-cream parlor business

আজকাল অল্প পুঁজিতে ব্যবসা করার আইডিয়া ভোরে রয়েছে।

সেরকম একটা ছোট ব্যবসা হলো ice-cream parlor এর দোকান দেওয়া।

হে আপ্নে ঠিক শুনেছেন।

আজকাল মানুষ নিজের কাজ কর্ম এবং পড়া-শোনা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে থাকে।

তাই, লোকেরা ice-cream parlor এর মতো খোলা মেলা জায়গা ভালো বাসেন যেখানে অল্প সময় বোসে তারা নিজের মাথা এবং মন তাজা (fresh) করতে পারে।

আপনি এমন একটা জায়গা খুঁজতে হবে যেখানে লোকের আশা যাওয়া বেশি।

বিশেষ করে, কোনো স্কুল-কলেজ, মার্কেট এরকম জায়গায় একটি ছোট্ট দোকান নিয়ে তাতে ice-cream parlor খুলতে হবে।

মনে রাখবেন তাতে এতটুকু জায়গা হতে হবে যে কয়েকজন লোক এসে বসতে পারেন কোনো restaurant এর মতো।

ব্যাস, তারপর নিজের দোকানে ভালো ভালো ice-cream এনে রাখুন এবং নিজের গ্রাহকদের খাওয়ান।

যখন লোকেদের আপনার parlor এ এসে বোসে এবং ice-cream খেয়ে ভালো লাগবে তখন তারা বার বার আপনার দোকানে আসবে।

Ice-cream parlor business করতে আপনা কেবল একটি ভালো জায়গায় একটি দোকান নিতে হবে এবং ice-cream রাখার জন্য একটি fridge নিতে হবে।

এর বাইরে লোকেদের বসহানুর জন্য table এবং chair ও রাখতে হবে।

এগুলো কিনতে আপনার বেশি টাকা খরচে হবেনা এবং কম টাকা দিয়ে আপনি এই বিজনেসটি start করতে পারবেন।

৮. Fast food truck / stall

আজকাল লোকেরা বাইরে tasty বা স্বাদের খাবার (fast food) খেয়ে অনেক ভালো বাসে।

তাই, এই fast food এর ব্যবসা আজকাল অনেকটাই লাভজনক এবং কম টাকা দিয়ে আপনি আরম্ভ করতে পারবেন।

নিজের stall বা দোকানে আপনি অনেক রকমের মোমো, চাওমিনে, চপ, পাও ভাজি, ধোসা, ঘুগনি, কফি আদি খাবার লোকেদের খায়িয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

এই ব্যবসা আপনি অনেক কম টাকা দিয়ে start করতে পারবেন।

আপনার খাবার বানানোর কিছু জিনিস লাগবে এবং একটি কারিগর যে খাবার বানাবে। তারপর একটি দোকান বা truck (খাবারের গাড়ি) যেটা দিয়ে আপনি জাগায় জাগায় গিয়ে লোকেদের খাবার খাওয়াতে পারবেন।

মনে রাখবেন, আপনি যদি এই fast food খাবার ব্যবসা একটি দোকান নিয়ে করেন তাহলে কেবল একটি জাগার থেকে লোকেরা (customer) আসবেন।

এবং, যদি আপনি এই ব্যবসা একটি ছোট্ট ট্রাক (truck) এ শুরু করেন তাহলে আপনি অনেক জায়গায় গিয়ে গিয়ে নিজের খাবার বিক্রি করতে পারবেন।

এতে লোকেরা আপনাকে চিনবে জানবে এবং আপনার বেশি বিক্রি হবে।

৯. Xerox এবং printing store

আপ্নে যদি ভাবছেন যে অনেক কম পুঁজিতে কি ব্যবসা করা যেতে পারে, তাহলে Xerox এবং printing এর দোকান দেয়ার কথা আপনি ভাবতে পারেন।

আজকাল লোকেরা ছোট খাটো থেকে বড়ো বড়ো কাজে Xerox এবং প্রিন্টিং এর দোকান খোঁজে।

স্কুলের বাচ্চাদের এবং অফিসে কাজ করা লোকেদের অনেক রকমের project থাকে এবং তারা দোকানে গিয়ে নিজেদের বানানো project print করেন।

তাই, এই ব্যবসার আইডিয়া গুলো দিয়ে আপনি ভালো টাকা আয় করতে পারবেন।

এর বাইরেও, আপনি নিজের দোকানে লোকেদের জন্য bio-data (resume) বানিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

এই business এ আপনার অল্প টাকার প্রয়োজন হবে।

আপনার একটি ছোট্ট দোকান, একটি computer, printer এবং Xerox মেশিনের প্রয়োজন হবে।

বাস, তারপর আপনার দোকানে customer আসতে থাকবে আর আপনি নিজের হাতের কাজ দিয়ে টাকা আয় করতে থাকতে পারবেন। তারপর আপনার আর কোনো বিশেষ খরচ থাকবেনা।

১০. Tuition class

Tuition class বিজনেস

আপনি যদি tuition করিয়ে ভালো পান তাহলে এটাকে আপনি নিজের একটি professional career বানিয়ে নিতে পারবেন।

Tuition বলতে খালি পড়াশোনা নয়, আপনি যদি গান শিখাতে চান, drawing শিখাতে চান, guitar শিখাতে চান বা যেকোনো বাজনা (instrument) শিখাতে, চান আপনি তা tuition এর মাধ্যমে শিখাতে পারবেন।

এই tuition profession টি আপনি তখন একটি career হিসাবে নিতে পারবেন যখন এইটা বড়োভাবে করা যাবে।

মানে, একটি বোরো ঘর (room) নিয়ে তাকে tuition centre বানিয়ে তাতে class করানো।

এইভাবে tuition টাকে আপনি একটি career বানিয়ে তাকে ভালো ইনকামের মাধ্যম আপনি বানিয়ে নিতে পারবেন।

এখানে আপনার বেশি টাকার প্রয়োজন ও নেই। আপনি খালি একটি ঘর (room) নিবেন বাকিটাতো আপনি যা নিজে জানেন তা students দের শিখবেন।

১১. ইলেকট্রনিক্স repairing

আমাদের ঘরে বা দপ্তরে আমরা একাধিক ইলেকট্রনিক ডিভাইস গুলো ব্যবহার করে থাকি।

Mobile, computer, laptop, printer, AC ইত্যাদি নানান রকমের electronics গুলো ব্যবহার হয়।

আর যখন এই উপকরণ গুলো খারাপ হয়, তখন সেগুলোকে নিজে গিয়ে ভালো করানোটা সময় নষ্ট হওয়ার ব্যাপার।

এক্ষেত্রে, যদি আপনার কাছে কাজের বিশেষ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা রয়েছে,

তাহলে ঘরে ঘরে বা দপ্তরে গিয়ে door-to-door-service দিতে পারেন।

এতে, আপনার গ্রাহকের সময় বাঁচবে এবং আপনি অধিক টাকা ইনকাম করার সুযোগ পাবেন।

১২. Cake-এর দোকান / সেবা

Bakery products গুলোর বর্তমানে প্রচুর চাহিদা।

মূলত, হাতে তৈরি সুন্দর সুন্দর কেক (cake) এর চাহিদা দিনের পর দিন বেরেই চলেছে।

আর তাই, আমাদের আজকের এই ক্ষুদ্র ব্যবসার তালিকাতে কেক তৈরির ব্যবসাটি অবশই রয়েছে।

আপনি একটি ভালো জায়গার থেকে কেক বানানো শিখে নিতে হবে।

এর পর কিছু দিন নিজের ঘরেই কেক তৈরি করুন এবং নিজের ক্রিয়েটিভিটি নিয়ে খেলুন।

যখন দেখছেন আপনি দারুন ভাবে কেক তৈরি করতে পারছেন, আপনি কেক এর অর্ডার নিয়ে সেগুলোকে নিজের ঘরেই বানিয়ে ডেলিভারি দিতে পারবেন।

আপনার বানানো কেক যতবেশি সুস্বাদু হবে, ভবিষ্যতে ততই অধিক অর্ডার পাবেন।

নিজের ব্যবসার প্রচার এবং কেক এর অর্ডার পাওয়ার জন্যে আপনারা Instagram এবং Facebook এর ব্যবহার করুন।

১৩. ফার্নিচার তৈরির ব্যবসা

বর্তমান সময়ে নিজের হিসেবে customized furniture তৈরি করানোর চাহিদা প্রচুর বৃদ্ধি পেয়েছে।

ঘরে ঘরে এবং দপ্তর গুলোতে দেখবেন, নতুন ফার্নিচার কিনে আনার বিপরীতে ঘরেই ফার্নিচার তৈরি করানো হচ্ছে ,

টেবিল, চেয়ার, টিভি স্ট্যান্ড, শোকেস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের ফার্নিচার তৈরি করানো হয়।

আপনি ভালো ভালো কিছু কারিগর দের সাথে যোগাযোগ করে তাদের দিয়ে কাজ করাতে পারবেন।

আপনাকে কেবল কাজ খুঁজতে হবে এবং সব খরচ সেরে কত টাকা লাভ করা যাবে সেটা হিসেব করতে হবে।

কিছুদিন এই লাইনে কাজ করার পর আপনার ব্যবসার প্রচার এবং ব্র্যান্ডিং নিজে নিজেই হয়ে যাবে।

আর তাই, ভালো করে কাজ করে দিতে পারলে নিয়মিত কাজ পাওয়াটা কোনো বড় ব্যাপার না।

১৪. পুরাতন ল্যাপটপ ও কম্পিউটার বিক্রি

এখন অনেকেই হয়তো এই ব্যবসার বিষয়ে এখনো জানেননা।

এটা দেখতে একটি সাধারণ ও ক্ষুদ্র ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে লাগলেও, এর থেকে অনেকেই প্রচুর ইনকাম করছেন।

আপনার কেবল computer / laptop-এর বিষয়ে সাধারণ জ্ঞান থাকতে হবে।

অনলাইনে এবং অফলাইনে আপনারা প্রচুর used computer / laptop পেয়ে যাবেন।

পুরাতন কম্পিউটার / ল্যাপটপ গুলো ভালো করে যাচাই করে দেখতে হবে এবং সেগুলোর বর্তমান অবস্থা দেখে কম থেকে কম দাম দিয়ে কিনে নিতে হবে।

এবার আপনি সেই ল্যাপটপ বা কম্পিউটার গুলোকে সাধারণ ভাবে মেরামত করিয়ে নিন।

শেষে, এমন গ্রাহক খুজুন যে আপনাকে আপনার খরচের ওপর অধিক টাকা দিয়ে আপনার থেকে ল্যাপটপটি কিনবেন।

ব্যাস, এভাবেই পুরাতন ল্যাপটপ এবং কম্পিউটার কিনে সেগুলোকে রিসেল করে ইনকাম করুন।

FAQ,

ছোট ব্যবসা করতে কমেও কত টাকার প্রয়োজন ?

বেশিরভাগ ছোট ব্যবসা গুলোর ক্ষেত্রে কমেও ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকার প্রয়োজন হবে।

কোনো টাকা ছাড়া কি small business শুরু করা যাবে ?

অবশই, ওপরে আমি এরকম অনেক অনলাইন ব্যবসা গুলোর বিষয়ে বলেছি, যেগুলো জিরো ইনভেস্টমেন্ট এর সাথে শুরু করা যাবে।

ক্ষুদ্র বা ছোট ব্যবসা গুলো ভবিষ্যতে বড় হতে পারে ?

অবশই, শুরুতে ছোট হিসেবে করা অনেক ব্যবসা ভবিষ্যতে অনেক বড় ব্যবসাতে পরিণত হয়েছে।

আমাদের শেষ কথা,

তো, আপনিও যদি কম টাকায় ব্যবসা করতে চান এবং অল্প পুঁজিতে লাভজনক ছোট ব্যবসার আইডিয়া খুঁজছেন,

তাহলে ওপরে দেওয়া business idea গুলি থেকে যেকোনো একটি শুরু করতে পারেন।

আপনি business যাই করেন এইটা অবশই মনে রাখবেন যে, ব্যবসা করলে তাকে অল্প সময় দিতে হবে।

মানে, যেকোনো business এক দিনেই সফল হয়না।

আপনার খাটতে হবে, সময় দিতে হবে এবং নতুন নতুন idea নিয়ে আগে বাড়তে হবে।

ব্যবসা ছোট হোক বা বড়, তাকে সফল করার জন্যে সঠিক ব্যবসার নিয়ম গুলো অনুসরণ করতেই হবে।

About The Author

53 thoughts on “লাভজনক ছোট ব্যবসার আইডিয়া – (কম টাকায় ব্যবসা)”

  1. অনুপ সরকার

    ধন্যবাদ দাদা, এত চমৎকার একটা লেখা লেখার জন্য

  2. ভাইয়া আপনার পোস্ট পরে খুব উপকৃত হইলাম। আর আপনার পোস্ট পরে আমার মনে হইলো অনলাইন সোপিং টা করলে ভাল হবে। তাই আপনার কাছে জানতে চাই কিভাবে এটা শুরু করব। আপনি বলছেন amazon.com এদের মত সোপ এর সাথে যোগাযোগ করে এদের মাল বিক্রি করতে। তাহলে ভাল হবে। কিন্তু এদের সাথে কিভাবে ৮যোগাযোগ করব। এটা যদি একটু বলতেন।

    1. তাদের যোগাযোগ করার প্রয়োজন নেই। সোজা একটি amazon seller account তৈরি করে কাজ শুরু করতে পারবেন। এই লিংক ব্যবহার করে সেলার একাউন্ট তৈরি করুন – https://sell.amazon.com/

  3. আমিনুল

    ভাই আপনি অনেক গুলা ভালো কিছু বিজনেস বাপারে বললেন ভালো লাগছে
    আমিও ইউটিউব ভিডিও বানাছি

  4. সংক্ষেপে দারুণ সব আইডিয়া তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ, নতুন আইডিয়ার অপেক্ষায় থাকলাম। ধন্যবাদ

  5. ধন্যবাদ ভাই। আপনার লেখা থেকে কিছু আইডিয়া পাওয়া গেল। আমার একটা বিষয়ে একটু জানার ছিলো।
    ই-কমার্স সাইট গুলো কি নিজেরা পণ্য উৎপাদন করে নাকি অন্য কোনো মাধ্যমে? যেমনঃ আড়ং, বাগডোম, দারাজ, চালডাল – এরকম দেশের আরো বড় বড় ই-কমার্স সাইট গুলো কিভাবে, কোথাথেকে পণ্য যোগাড় করে গ্রাহকদের সরবরাহ করে? আরেক ধরনের ওয়েবসাইট দেখেছি “সাজগোজ”। তারা প্রতিনিয়ত আর্টিকেল পাবলিশ করে সাথে অনলাইনে পণ্য বিক্রিও করে। তারাও কি ই-কমার্স বিজনেস করছে? আর তাহলে পণ্য কিভাবে সংগ্রহ করে?

    1. বেশিভাগ ক্ষেত্রে e-commerce website গুলো local kichu দোকান এর সাথে একটি চুক্তি করে কাজ করে। হে আপনি চাইলে নিজেও পণ্য স্টক করে সেগুলো ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারবেন। কিন্তু এতে প্রচুর টাকার প্রয়োন হবে। বিশ্বের কিছু নামকরা ও বিখ্যাত e-commerce website গুলো local দোকান গুলোর সাথে চুক্তি করেন। যেরকম “amazon.com” বা “ebay.com”, “flipkart.com” ইত্যাদি। এতে, পণ্যের জন্য টাকা invest করতে হয়না। তাছাড়া, পণ্য রাখার ঝামেলাও আপনার নেই।

  6. বিগেনিং হাব

    ধন্যবাদ ভাই, আপনার ব্লগ পড়ে আমি অনুপ্রেরিত হই। সেইসাথে আপনার মাধ্যমে আমিও আইডিয়া পেতে থাকি 🙂

  7. আপনাদের লেখা ব্যবসাভিত্তিক আইডিয়া গুলো অনেক ভালো লেগেছে। শেখার মতো অনেক কিছুই আছে। এইসব পোস্ট আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

  8. Md Thouhidul Islam

    আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। অনেক গুলো বিজনেস আইডিয়া নিয়ে জানতে পারলাম।

    1. অবশই পারবেন , আমি এই ব্লগে ব্লগিং এর সাথে জড়িত অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলি। তাই, আমাদে ইউটিউবের চ্যানেল ও ব্লগের newsletter সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

      1. MD Masum raihan ripon

        আমি অনলাইন শপিং এর জন্য একটি ওয়েব সাইড বানাতে চাই।।এতে কেমন খরচা হবে।।

        1. আপনি যদি নিজে তৈরি করেন, তাহলে প্রায় ৫ হাজার টাকা। যদি web developer দিয়ে তৈরি করেন, তাহলে ১৫ থেকে ২০ হাজার এর খরচ পরতে পারে।

  9. আমি আমার নিজের এলাকায় ছোট দোকান দিয়ে খুবই লাভজনক একটি ব্যবসার ধারনা চাই,, কম্পিউটার রিলোটিভ বিজনেস হলেও হবে

    1. দিতে পারবেন, তবে সেই দোকানের চাহিদা আপনার এলাকাতে রয়েছে কি না সেটা অবশই দেখবেন।

  10. খাগড়াছড়ি জেলার ছোট একটি উপজেলাতে কি ব্যবসা করা যায়, বলতে পারবেন??

    1. ক্ষমা করবেন, আমি এই জায়গা ঠিক চিনলামনা। কিন্তু, হে যেসব জায়গায় লোকের চাহিদা রয়েছে এবং চাহিদা হিসেবে তারা জিনিস পাচ্ছেননা সেই জিনিষগুলি নিয়ে ব্যবসা করাটা কিন্তু লাভ জনক। সেই জায়গাতে কোন জিনিসের চাহিদা বেশি সেটা দেখুন।

    1. অবশই স্টার্ট করুন। কোনো হেল্প লাগলে আমাদের বলুন।

  11. সোহেল

    খুব সুন্দর লিখেছেন । অনেক কিছু জানতে পারলাম ।

  12. md omer arafat

    খুব ই ভাল লাগল আর্টিকেল তি ! ধন্যবাদ । আমিও ৪ বসর আগে bdstall এ photocopier er বেবশা সুরু করি , তখন বাসাই বসে করতাম । আখন আমার নিজের অফিস আসে , নিজের company আসে . সবাএকে বলব , অল্প থেকে সুরু করুন , success আসবাই !

    1. ধন্যবাদ আপনি আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন এখানে। হে, ব্যবসা অল্প থেকেই শুরু করে তারপর সময়ে সময়ে তাকে বাড়িয়ে নিতে হয়।

  13. মোঃ বশির আহমেদ হেলাল

    খুব ভাল কিছু ব্যবসায়ের আইডিয়া দিয়েছেন। এবং বিস্তারিত লেখাতে অনেক কিছু জানা গেছে। এমন সব চমৎকার লেখা চলিয়ে যান।

  14. শিশির

    খুব ভালো আইডিয়া।
    প্রকাশিকার জন্য রইল আন্তরিক ভালবাসা।

  15. Md Shiful Islam (Rony)

    অল্প টাকায় ব্যাবসা করা যাই তার একটা ধারণা পাইলাম আজ, ধন্যবাদ আপনাকে ভাই

    1. আপনাকেও ধন্যবাদ আমার আর্টিকেল পরে সময় দেয়ার জন্য।

    2. আঃ লতিফ মিয়া

      অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে খুব ভালো একটি আইডি হয়েছে ভাই,

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top