কম্পিউটার কি ? কম্পিউটারের ইতিহাস এবং প্রকারভেদ

কম্পিউটার কি ও কম্পিউটার কাকে বলে ? আজ যেকোনো ক্ষেত্রে, কম্পিউটারের ব্যবহার অনেক জরুরি এবং প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। ব্লগিং (blogging), official work, freelancing, অনলাইন ইনকাম এবং প্রায় অনেক ক্ষেত্রে একটি কম্পিউটারের ব্যবহার অবশই জরুরি।

কম্পিউটার মানে কি ?

আজ এরকম পরিস্থিতি হয়েছে যে, কম্পিউটারের জ্ঞান ছাড়া কোনো company বা organization এ চাকরি পাওয়াটাও অনেক সমস্যার বেপার।

এমনিতে, computer কি বা computer কাকে বলে, এই বিষয় নিয়ে আজ প্রত্যেকের কেবল কিছু সাধারণ জ্ঞান রয়েছে। (What Is Computer In Bangla).

তাই, আপনাকে কম্পিউটারের বিষয় নিয়ে সম্পূর্ণ তথ্য ও জ্ঞান দেয়ার জন্য আজ আমি এই আর্টিকেল লিখছি।

তবে, যারা নিজেরা প্রত্যেক দিন কম্পিউটার ব্যবহার করেন, তারা এই ব্যাপারে জানার তেমন কোনো রুচি রাখেননা।

কিন্তু, স্কুল এবং কলেজের ছাত্ররা এবং কম্পিউটার নিয়ে রুচি রাখা কিছু সংখক লোকেরা কম্পিউটারের বিষয়ে ভালো করে সম্পূর্ণ তথ্য জেনেনিতে চান।

তাই, এই আর্টিকেলে আমরা কেবল “কম্পিউটার কি” (What Is Computer In Bangla) এই বিষয় ছাড়াও, computer নিয়ে আরো অনেক বিষয় যেমন, “আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে“, “কম্পিউটার এর সম্পূর্ণ নাম”, “কম্পিউটারের ইতিহাস“, “কম্পিউটার কত প্রকার ও কি কি” এবং আরো অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলবো।

আশা করছি, কম্পিউটারের বিষয়ে বলা তথ্যগুলি আপনাদের অনেক কাজে আসবে।

তাহলে, চলুন এক এক করে সব বিষয় নিয়ে আমরা জেনেনেই।

কম্পিউটার কি ? কম্পিউটার কাকে বলে (What Is Computer)

সোজা ভাবে বললে, কম্পিউটার এক ধরণের মেশিন (machine) যে আগের থেকে তৈরি কিছু নির্দেশ হিসেবে কাজ করে।

তবে, আলাদা আলাদা কাজ করার জন্য বিভিন্ন রকমের আলাদা আলাদা নির্দেশ পরেও সময়ে সময়ে দেয়া যেতে পারে।

Computer এমন একটি electronic device, যেটা তৈরী করা হয়েছে তথ্যের (information) সাথে কাজ করার জন্য।

Computer শব্দটি নেয়া হয়েছিল, “compute” নামের একটি Latin শব্দের থেকে যার অর্থ হলো, “calculation” করা বা হিসাব করা।

বিশেষভাবে, কম্পিউটারের  ৩ টি মুখ্য কাজ রয়েছে।

প্রথম কাজ হলো, ডাটা (data) গ্রহণ করা, যাকে আমরা ইনপুট বলেও বলতে পারি।

দ্বিতীয় কাজ হলো, গ্রহণ করা ডাটা (data) প্রসেস (process) করাটা।

এবং, প্রসেস করা ডাটা আমাদের দেখানোটা হলো কম্পিউটারের শেষ কাজ যাকে আমরা “output” বলেও বলি।

Input of data >> processing of data >> data output.

কম্পিউটার কাকে বলে বা কম্পিউটার মানে কি, এই দুটো প্রশ্নের উত্তর আমরা সহজ ভাবে বললে, এভাবে বলতে পারি।

“কম্পিউটার হলো একটি মেশিন (machine), যাকে কিছু কম্পিউটার প্রোগ্রামিং (computer programming) এর মাধ্যমে নির্দেশনা (instructions) দিয়ে, বিভিন্ন ধরণের arithmetic বা logical operations সম্পন্ন করানো যেতে পারে।”

উদাহরণ স্বরূপে, বিভিন্ন অন্যান্য computer software programs ব্যবহার করে আমরা আমাদের কম্পিউটারকে  নির্দেশ দিয়ে, গান শুনতে পারি, গেমস খেলতে পারি, ছবি দেখা, হিসাব করা, ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং বিভিন্ন রকমের অন্যান্য কাজ করে নিতে পারি।

তাহলে, computer কি এবং computer কাকে বলে, বিষয়টা বুঝতে পারলেনতো ?

কম্পিউটারের জনক কে ?

যখন, কম্পিউটারের জনক কে, এই প্রশ্ন আমাদের সামনে আসে, তখন এই বিষয় নিয়ে আমরা এমনিতে তর্ক বিতর্ক করতেই পারি যে, প্রথম কম্পিউটার এর নাম ছিল “abacus“.

Abacus,  1622 সনে (year) উদ্ভাবিত (invent) বা আবিষ্কার হয়েছিল “William Oughtred” এর দ্বারা।

তবে, পরে গিয়ে আমাদের আধুনিক কম্পিউটারের আবিষ্কার হয়, British mathematician “Charles Babbage নামের একজন English mechanical engineer এর দ্বারা 1833 এবং 1871 সনের ভেতরে।

Charles Babbage, সব থেকে প্রথমে একটি programmable computer এর ধারণার সম্ভূত (originated) করেছিলেন।

তাই, Charles Babbage কে বলা হয় “father of the computer“.

মানে, ওনাকে কম্পিউটারের জনক বলে বলা হয়।

১৯ তম শতকের শুরুতে, Charles Babbage আধুনিক mechanical computer এর উদ্ভাবন (invent) করেছিলেন।

তাহলে, আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে, এই প্রশ্নের সোজা উত্তর হবে “Charles Babbage“.

তবে, আধুনিক কম্পিউটারের জনক কে ? এই প্রশ্নটি করলে আমি এটাও বলবো যে, কম্পিউটারের উন্নয়নের (development) ক্ষেত্রে অনেক অন্যান্য লোকেদের ও অনেক যোগদান রয়েছে।

কম্পিউটার এর সম্পূর্ণ নাম কি ?

এমনিতে, কম্পিউটারের যে একটি সম্পূর্ণ নাম (full form) রয়েছে, এই ব্যাপারে কিন্তু অনেকেই জানেননা।

তবে জেনেরাখুন, কম্পিউটারের সম্পূর্ণ নাম বা “full form computer” হলো,

Commonly Operated Machine Particularly Used in Technical and Educational Research“.

এটাই হলো কম্পিউটারের সম্পূর্ণ নাম বা ফুল ফর্ম।

তবে, আমি ওপরে আগেই বলেছি যে, Computer নামটি একটি Latin শব্দ “Compute” থেকে নেয়া হয়েছে যার মানে হলো “গণনা” বা “calculate“.

কম্পিউটারের ইতিহাস কি ? ( History Of Computer In Bangla)

কম্পিউটারের উন্নয়ন (development) সঠিক ভাবে কখন শুরু করা হয়েছিল, এই বিষয় নিয়ে সঠিক ভাবে প্রমান করা যাবেনা।

তবে, officially কম্পিউটারের উন্নয়ন (development), আলাদা আলাদা প্রজন্ম (generation) হিসেবে শ্রেণীভুক্ত (classify) করা হয়েছে।

৫ টি আলাদা আলাদা generation হিসেবে computer এর development কে classify করা হয়েছে।

পরের প্রজন্ম বা generation গুলিতে, কম্পিউটারের hardware এবং technology আরো অধিক উন্নত এবং আধুনিক হতে থাকে।

তাছাড়া, নতুন প্রজন্মর (generation) কম্পিউটার গুলির কর্মক্ষমতা এবং দক্ষতার উন্নয়নের ফলে, উন্নত মানের কম্পিউটার গুলি আরো বেশি লাভজনক হিসেবে প্রমাণিত হতে থাকে।

কারণ, তারা আগের জেনারেশন গুলির তুলনায় আরো বেশি পরিমানে কাজ করার যোগ্য হয়ে দাঁড়ালো।

সোজা ভাবে বললে, এখন আমরা একটি কম্পিউটার ব্যবহার করে অনেক ধরণের আলাদা আলাদা কাজ সহজে করে নিতে পারতাম।

কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম : 1940-1956 Vacuum tube based

সব থেকে প্রথম জেনারেশন এর কম্পিউটার Vacuum Tubes কে circuitry এবং magnetic drums কে memory জন্য ব্যবহার করা হতো।

এই ধরণের Vacuum Tube কম্পিউটার আকারে অনেক বড়ো হতো এবং রাখার জন্য অনেক বেশি জায়গার প্রয়োজন হতো।

এই ধরণের কম্পিউটার গুলি ব্যবহার করার জন্য বা পরিচালনা করার জন্য অনেক টাকা খরচ করতে হতো।

তাছাড়া, অনেক বিদ্যুৎ (electricity) র প্রয়োজন হতো এই কম্পিউটার গুলি ব্যবহার করার জন্যে।

প্রথম প্রজন্মর কম্পিউটার গুলি অনেক বেশি পরিমানে তাপ (heat) উৎপাদন (produce) করার ফলে, এ অনেক সময় অনেক ধরণের ত্রুটির (malfunctions) কারণ হয়ে দাঁড়াতো। 

এই ধরণের computer গুলিতে কেবল machine language ব্যবহার করা হতো।

এবং তাই, এই কম্পিউটার গুলি একটি সময়কালে কেবল একটি সমস্যার সমাধান দিতে পারতো।

তবে, যেকোনো সমস্যার সমাধান দেয়ার জন্য এই কম্পিউটার গুলি অনেক বেশি সময় নিতো।

UNIVAC এবং ENIAC হলো প্রথম জেনারেশন কম্পিউটারের দুটো উদাহরণ।

দ্বিতীয় প্রজন্মর কম্পিউটার : Transistors (1956-1963)

দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার গুলির কথা বললে, এই সময় “Transistors” গুলি “Vacuum Tubes” গুলির জায়গা নিয়ে নিয়েছিল।

Transistors computer কে “১৯৪৭” সালে উদ্ভাবিত (invent) করা হয়েছিল, “Bell labs” এ.

Vacuum Tubes গুলির তুলনায় এই transistors গুলি অনেক উচ্চতর (superior) ছিল এবং এই কম্পিউটার গুলি অনেক “দ্রুত“, “ছোট“, “সস্তা“, “energy-efficient” ছিল প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের তুলনায়। 

তাছাড়া, প্রথম generation এর কম্পিউটারের তুলনায় এই transistor computer গুলি তুলনামূলক ভাবে অনেক কম তাপ (heat) উৎপাদন করতো যদিও এখানেও তাপের সমস্যা সম্পূর্ণ ভাবে শেষ হয়ে জাইনেই।

দ্বিতীয় জেনারেশন এর কম্পিউটার গুলিতেও আগের মতোই, ইনপুট এর জন্য “punched cards”, এবং আউটপুট এর জন্য “printouts” এর ব্যবহার করা হতো।

এই second generation computer গুলিতে  symbolic বা assembly languages ব্যবহার করা হয়েছিল।

ফলে, programmers রা কম্পিউটারকে নির্দেশাবলী (instructions) দেয়ার জন্য শব্দের (words) ব্যবহার করতে পারলো।

COBOL এবং FORTRAN এর মতো কিছু উন্নতমানের programming language ও সেই সময় ব্যবহারে আনা হয়েছিল।

তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার : Integrated Circuits (1964-1971)

এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলি আরো অধিক দ্রুত হয়ে পরে এবং তাদের দক্ষতা ও কর্ম ক্ষমতার মান উচ্চতম হয়ে দাঁড়ায়।

কারণ, তৃতীয় generation এর কম্পিউটারে ব্যবহার হতো “integrated circuit“.

এই জেনেরেশনের কম্পিউটার গুলিতে, semiconductors নামের silicon chips ব্যবহার করা হলো, যার ফলে কম্পিউটারের speed এবং efficiency আরো অধিক বেড়ে গেলো।

এগুলি সেই সময়ের কম্পিউটার ছিল, যখন input ও output এর জন্য punch cards এবং printouts এর জায়গায়, ব্যবহার করা হলো “keyboard” এবং “monitor“.

তাই, প্রথম বারের জন্য “keyboard” এবং “monitor” ব্যবহার হয়েছিল, “তৃতীয় প্রজন্মের” (third generation) কম্পিউটার গুলিতে।

তাছাড়া, এই সেই সময় যখন কম্পিউটারে “operating system” এর ব্যবহার শুরু হয়।

Operating systems এর ব্যবহারের ফলে, এই কম্পিউটার গুলিতে একি সময়ে অনেক applications এ কাজ করা সম্ভব হয়ে দাঁড়ালো।

কম্পিউটার প্রথম বারের জন্য অনেক বড়ো সংখ্যায় শ্রোতারা (audience) ব্যবহার করার সুযোগ পেলো।

কারণ, আগের পূর্বসুরীদের তুলনায় computer হয়ে পড়লো অনেক ছোট (smaller) এবং সস্তা (cheaper).

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার : Microprocessors (1971-Present)

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার গুলি নিজের মধ্যে অনেক বিশেষ (special) ছিল।

কারণ, এই কম্পিউটার গুলিতে ব্যবহার করা হয়েছিল “Microprocessors“.

এই microprocessor গুলিতে হাজার হাজার integrated circuit গুলিকে, এক সাথে একটি silicon chip এ এম্বেড (embedded) করা হলো।

এতে, সিস্টেম (system) টির আকার অনেক ছোট করতে পারাটা সম্ভব হয়ে দাঁড়ালো।

Microprocessors এর ব্যবহারের ফলে, কম্পিউটারের দক্ষতা ও ক্ষমতা আরো অধিক পরিমানে বেড়ে গেলো।

এই কম্পিউটার গুলি, অনেক কম সময়ের ভেতরে, অনেক বড়ো বড়ো সমস্যার সমাধান করতে সখ্যম হয়ে দাঁড়ায়।

কম্পিউটারের পঞ্চম জেনারেশন : Artificial Intelligence (1985 – present)

Fifth generation কম্পিউটারের ব্যবহার সম্পূর্ণ রূপে artificial intelligence এর ওপরে আজ নাহয় কাল নির্ভর করে ব্যবহার করা হবে।

Artificial intelligence এর সম্পূর্ণ রূপে উন্নয়ন (development) ও ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন experiments ও নতুন technology র খোঁজ করার কাজ চলছে।

তবে, বর্তমান সময়ে, কিছু পরিমানে এই artificial intelligence এর ব্যবহার আমাদের ডিভাইস (device) গুলিতে অবশই করা হয়েছে।

যেমন, voice & speech recognition, parallel processing, superconductors quantum calculations এর মতো অনেক আধুনিক টেকনোলজি আজ অবশই ব্যবহার হচ্ছে।

এইটা এমন এক ধরণের কম্পিউটারের প্রজন্ম (generation), যেখানে Artificial intelligence এর ফলে, কম্পিউটার নিজে নিজেই রায় (decision) নিতে সক্ষম হয়েছে।

তাহলে বন্ধুরা, কম্পিউটারের ইতিহাস নিয়ে যতটা আমি আপনাদের জ্ঞান দিতে পারলাম, সবটাই আপনারা জানলেন।

তবে, কম্পিউটারের ইতিহাস নিয়ে আরো অল্প খোঁজা খোজি করলে, আরো অনেক ধরণের কথা আপনারা অবশই জেনেনিতে পারবেন।

কম্পিউটার কত প্রকার ও কি কি ? (Types Of Computer)

কম্পিউটার কত প্রকারের ও কি কি, এই প্রশ্নটির উত্তর আপনারাও কিছু পরিমানে অবশই জানেন।

তবে, যখনি আমরা কম্পিউটার (computer) শব্দটি বলি, তখন আমাদের মনে, কেবল একটি “personal desktop computer” এর ছবি চলে আসে।

কিন্তু, মনে রাখবেন একটি কম্পিউটার বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে।

তাছাড়া, আলাদা আলাদা রকমের কম্পিউটার আলাদা আলাদা size বা shapes নিয়ে তৈরি করা হয়।

এবং, প্রত্যেকটি আলাদা প্রকারের কম্পিউটার তৈরি বা গঠন করা হয়েছে কিছু বিশেষ ধরণের কাজ করার উদ্যেশ্যে।

তাহলে চলুন, নিচে আমরা জেনেনেই, কম্পিউটারের প্রকারভেদ গুলির ব্যাপারে।

১. Desktop Computers 

ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop computer) গুলি মূলত ব্যবহার করা হয় আমাদের ঘরে, স্কুল-কলেজ, অফিসে (office) এবং বিভিন্ন personal কাজে ব্যবহার করার জন্য।

এই ধরণের কম্পিউটার গুলি এভাবে তৈরি করা হয়েছে যে, একটি টেবিল (table) বা অনন্য কিছুতে রেখে ব্যবহার করতে হবে।

এই কম্পিউটার গুলির বিভিন্ন parts আলাদা আলাদা ভাবে কম্পিউটারের CPU র সাথে সংযুক্ত হয়ে থাকে।

যেমন, keyboard, mouse, speakers, monitor etc.

এই desktop computer গুলিকে এক জায়গার থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাওয়াটা সম্ভব না।

তাই, যেকোনো একটি স্থায়ী জায়গায় রেখে ব্যবহার করতে হবে।

Desktop computer গুলিতে, আধুনিক এবং শক্তিশালী parts লাগিয়ে অনেক রকমের কাজ সহজেই করতে পারবেন।

যেমন, high graphics games খেলা, video editing, Full HD movies দেখা এবং আরো অনেক ধরণের কাজ এই desktop কম্পিউটার গুলিতে করা হয়।

২. Laptops 

Laptop computer গুলি, desktop কম্পিউটারের মতোই একি ধরণে কাজ করে বা একি রকমের কাজের জন্য laptops ব্যবহার করা যেতে পারে।

তবে, laptops আপনারা সহজে যেকোনো জায়গায় রেখে বা নিয়ে গিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন।

Size এবং shapes হিসেবে, laptops গুলি desktop এর তুলনায় অনেক ছোট থাকে।

Keyboard, touch-pad এবং screen সবটাই একি সাথে সংযুক্ত হয়ে থাকে।

এবং তাই, এই ধরণের laptop computer গুলি অনেক বেশি portable হয়।

তাছাড়া, power এর জন্য আপনারা এতে থাকা chargeable battery র ব্যবহার করতে পারবেন।

এর ফলে, বিদ্যুৎ এর সাথে সংযোগ ছাড়াই, যেকোনো জায়গার থেকে আপনি laptop computer ব্যবহার করতে পারবেন।

৩. Tablets 

এখন আমরা কথা বলবো “tablet computer” এর ব্যাপারে যাকে আমরা “handheld computer” ও বলতে পারি।

এই ধরণের, tablet computer গুলি এক ধরণের touch screen device যেগুলির size প্রায় ৭ থেকে ১১+ ইঞ্চের ভেতরে থাকে।

এই ধরণের tablet device, আকারে  অনেক ছোট হয় এবং এখানে সম্পূর্ণ কাজ নিজের হাথের আঙ্গুল দিয়ে স্পর্শ করে করা হয়।

তাই, আপনার হাথে সম্পূর্ণ ডিভাইস (device) সহজে জায়গা করে নিতে পারবে।

এবং, ল্যাপটপের তুলনায়, এই ট্যাবলেট পিসি গুলি আরো অধিক সহজে ও সুবিধাজনক ভাবে নিজের সাথে জাগায় জাগায় নিয়ে গিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।

এখানে, আলাদা ভাবে keyboard বা mouse ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়না।

তবে, প্রয়োজন হলে আলাদা ভাবে লাগানোর সুবিধেও রয়েছে।

Tablet PC মূল রূপে ব্যবহার করা হয়, video calling, chatting, office tools, Microsoft office, entertainment, portable gaming এবং এই ধরণের অন্যান্য সহজ সরল কাজ করার জন্যে।

৪. Servers 

একটি সার্ভার হলো এমন এক ধরণের কম্পিউটার, যে বিভিন্ন রকমের ডাটা (data) অন্যান্য কম্পিউটারের জন্য উপলব্ধ (provide) করে।

Server computer বিভিন্ন মাধ্যমে, তার মধ্যে থাকা data বা information গুলি অন্যান্য কম্পিউটারের মাঝে শেয়ার (share) করতে পারে।

যেমন, LAN (Local area network) বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে WAN (Wide area network) এ সংযুক্ত থাকা সিস্টেম (system) গুলিতে।

উদাহরণ স্বরূপে, যখন আপনি ইন্টারনেটে কিছু সার্চ করেন, তখন সমাধান হিসেবে যেই তথ্য আপনি খুঁজে পান, সেই সম্পূর্ণ তথ্য বা ডাটা “server computer” গুলিতেই থাকে এবং সেখান থেকেই আপনাকে দেখানো হয়।

অন্যান্য প্রকারের কিছু কম্পিউটার

চলুন এখন আমরা কিছু আলাদা রকমের কম্পিউটার ডিভাইস গুলির ব্যাপারে জেনেনেই।

১. Smartphone 

Smartphone গুলিকেও একটি computer device হিসেবে ধরা হয়।

এক্ষেত্রে, input দেয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় স্মার্টফোনের touch screen এবং output পাওয়ার জন্য আমাদের দেয়া হয়েছে মোবাইলের display screen.

Smartphone এ আলাদা আলাদা রকমের “operating system” বা “OS” থাকে যার ফলে আমরা এতে বিভিন্ন রকমের applications ব্যবহার করতে পারি।

২. Gaming console 

বিভিন্ন gaming console গুলিকেও একটি আলাদা রকমের কম্পিউটার হিসেবে ধরা হয়, যার ব্যবহার আপনার টিভিতে (TV) গেম খেলার জন্য ব্যবহার করা হয়।

৩. Smart TV 

অনেকেই জেনে অবাক অবশই হবে যে একটি smart TV ও কিন্তু এক ধরণের কম্পিউটার।

কেননা, যেকোনো স্মার্ট টিভিতে একটি OS বা operating system থেকে যার ফলে এতে মোবাইলের মতোই বিভিন্ন applications install করে ব্যবহার করা সম্ভব।

কম্পিউটারের মতোই স্মার্ট টিভিতে আপনারা বিভিন্ন কাজ যেমন, ইন্টারনেট ব্যবহার করা, গেম খেলা, ইমেইল করা, YouTube এ ভিডিও দেখা এবং আরো অন্যান্য কাজ করতে পারবেন।

তাহলে, কম্পিউটার কত প্রকারের ও কি কি জানলেন তো ?

তবে, এগুলি ছিল কিছু আলাদা আলাদা রকমের কম্পিউটারের প্রকার (types of computer).

কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে ? (How Computer Works)

কম্পিউটার হলো এমন একটি মেশিন (machine) যেটা বিভিন্ন আলাদা আলাদা hardware এবং software উপাদানের দ্বারা স্থিরীকৃত (composed) হয়েছে। 

কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত বিভিন্ন input device/unit গুলির মাধ্যমে, একটি কম্পিউটার ডাটা (data) বা তথ্য গ্রহণ করে।

Input এর দ্বারা যেই instructions কম্পিউটারকে দেওয়া হয়, সেটার ওপরে ভিক্তি করে কম্পিউটার data process বা processing আরম্ভ করে।

শেষে, আপনার দেয়া নির্দেশাবলীর (instructions) ওপরে, result বা সমাধান, বিভিন্ন output device যেমন, printer, speaker বা monitor এর মাধ্যমে কম্পিউটারের দ্বারা আমাদের দেয়া হয়।

তাই, এভাবেই একটি কম্পিউটার কাজ করে।

  1. Instructions গ্রহণ করা বিভিন্ন input device এর মাধ্যমে।
  2. নির্দেশাবলী হিসেবে processing করা।
  3. Output device এর মাধ্যমে, জবাব, সমাধান বা ফলাফল দেয়া।

কম্পিউটারের কিছু প্রধান ইউনিট (units) এর নাম 

একটি কম্পিউটার বিভিন্ন components, parts এবং units এর দ্বারা সম্পূর্ণ কাজ করে।

যদি আপনি কখনো, computer CPU case এর ভেতরটা দেখেছেন তাহলে অবশই জানেন যে, case বা cabinet এর ভেতরে অনেক রকমের ছোট ও বড়ো components রয়েছে।

এবং, সেই components গুলির মধ্যে অনেক গুলোই তার প্রধান units বা অংশ।

চলুন, এখন নিচে আমরা কম্পিউটারের কিছু প্রধান অংশ, components বা units এর ব্যাপারে জেনেনেই।

 Motherboard 

একটি কম্পিউটারের প্রধান circuit board টিকে বলা হয় motherboard.

Motherboard প্রত্যেক কম্পিউটারের এমন একটি মুখ্য (main) ভাগ, যেটার সাথে কম্পিউটারের অন্যান্য প্রত্যেক components বা parts গুলি directly বা indirectly সংযুক্ত (connected) থাকে।

Motherboard হলো এমন একটি printed circuit board, যেটা আপনার কম্পিউটারের বিভিন্ন hardware components গুলিকে (RAM, CPU, Storage device, video cards etc.) নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ (communicate) করানোর একটি মাধ্যম হয়ে দাঁড়ায়।

একটি motherboard কে আরো অন্য নামেও বলা যেতে পারে।

যেমন, mb, mainboard, mboard, mobo, base board, main circuit board, planar board, system board.

CPU (Central Processing Unit)

কম্পিউটারের CPU বা central processing unit বা main processor হলো কম্পিউটারের ভেতরে চলতে থাকা এক ধরণের “electronic circuitry” যেটা কম্পিউটারের বিভিন্ন programs গুলির দ্বারা তৈরি হওয়া instructions গুলিকে execute বা process করে।

কম্পিউটারের বিভিন্ন programs গুলির দ্বারা execute হওয়া instructions এর অনুযায়ে একটি CPU বিভিন্ন রকমের কাজ যেমন, basic arithmetic, logic, controlling, এবং input/output operations করতে পারে।

CPU কে কম্পিউটারের brain বলেও বলা হয়।

কার্য ক্ষমতা, processor speed, core count, দাম এবং CPU generation এর ওপরে নির্ভর করে, অনেক রকমের আলাদা আলাদা CPU র মডেল বা বৈকল্প রয়েছে।

যত ভালো এবং আধুনিক আপনার কম্পিউটারের CPU হবে, ততটাই দ্রুত এবং ফাস্ট কাজ করবে আপনার কম্পিউটার।

RAM (Random access memory)

RAM বা random access memory আসলে কম্পিউটারের একরকমের মেমরি (memory).

যখনি কম্পিউটার কোনো কাজ বা ডাটা (data) প্রসেস (process) করে, তখন কিছু সময়ের জন্য information জমা করার জন্য এই ram memory ব্যবহার করে।

এই জমা থাকা ডাটা (data) বা information কেবল ততক্ষন থাকবে যতক্ষণ আপনার কম্পিউটার চালু বা অন (on) থাকবে।

একবার কম্পিউটার বন্ধ করার পর, RAM memory তে জমা হয়ে থাকা ডাটা বা ইনফরমেশন হারিয়ে যায় বা নাই হয়ে যায়।

তাই, RAM মেমোরিতে কেবল কিছু সময়ের জন্য ডাটা বা ইনফরমেশন জমা থাকে।

মনে রাখবেন, আপনার কম্পিউটারে RAM যত বেশি পরিমানে থাকবে ততটাই বেশি দ্রুত আপনার কম্পিউটার কাজ করবে।

Hard Drive / Storage device 

Hard drive হলো কম্পিউটারের সেই জরুরি অংশ বা পার্ট বা ইনপুট, যেখানে সব ধরণের data, file, documents আপনারা save করে রাখতে পারবেন।

মানে, যখন আপনারা কম্পিউটারে যেকোনো video, movies, games বা songs ডাউনলোড করেন বা সেভ করেন, তখন সেই ফাইল গুলি আপনার কম্পিউটারের hard drive বা storage device এ গিয়ে থাকে।

স্টোরেজ ডিভাইস বা হার্ড ড্রাইভ, internal বা external দুই ধরণের হতে পারে।

Internal hard drive কম্পিউটারের ভেতরে লাগানো থাকে তবে একটি external hard drive যেকোনো কম্পিউটার বা ল্যাপটপের USB port এ আলাদা ভাবে বা externally লাগিয়ে কিছু সময়ের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।

 PSU (Power supply unit)

Power supply unit বা psu একটি কম্পিউটারের বিভিন্ন components গুলিতে প্রয়োজন হিসেবে power supply করে।

Expansion cards 

যেকোনো কম্পিউটারে আলাদা আলাদা expansion cards লাগানোর জন্য এক্সট্রা slots থাকে, যেখানে আমরা বিভিন্ন রকমের cards লাগিয়ে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে কম্পিউটারের ক্ষমতা ও ব্যবহার বাড়িয়ে নিতে পারি।

এই Expansion card গুলিকে, PCI (peripheral components interconnect) card বলেও বলা হয়।

উদাহরণ স্বরূপে,

High graphics games খেলার জন্য graphics cards,

ভালো কোয়ালিটির sound পাওয়ার জন্য sound card,

এবং অনেক ক্ষেত্রে, network cards এবং Bluetooth cards ব্যবহার করা হয়।

 

আমাদের শেষ কথা,

তাহলে বন্ধুরা, আজকে আমরা শিখলাম যে “কম্পিউটার কাকে বলে” (What Is Computer In Bangla), কম্পিউটারের ইতিহাস কি, কম্পিউটারের প্রকারভেদ এবং কম্পিউটারের জনক কে.

কম্পিউটারের বিষয়ে যদি আরো কিছু আপনার জানার থাকে, আমাকে নিচে কমেন্টের মাধ্যমে জানিয়ে দিন।

আমি অবশই আপনার রুচি থাকা বিষয় নিয়ে আর্টিকেল লিখবো।

Related Contents:

BanglaTech

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top